• মঙ্গলবার, ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৯:১৫ অপরাহ্ন
শিরোনাম:
রাউজানে জেলা গোয়েন্দা পুলিশের অভিযানে ডাকাতির প্রস্তুতিকালে অস্ত্রসহ রায়হানের ৩ সহযোগী গ্রেপ্তার অভিযোগের মুখে নিয়ামতপুরের এসিল্যান্ড রেজাউল প্রত্যাহার ক্ষমতার অপব্যবহার, অনিয়ম-দুর্নীতি ও রাজনৈতিক পক্ষপাতের অভিযোগ; দুদক অনুসন্ধানের দাবি চাঁপাইনবাবগঞ্জে ডেঙ্গু প্রতিরোধে বিশেষ অভিযান লালপুরে অবৈধভাবে মাটি কাটার অভিযোগে ৪ জন আটক, ২ ড্রাম ট্রাক জব্দ চাঁপাইনবাবগঞ্জে অপহরণ করে জোরপূর্বক জমি রেজিস্ট্রি: ভুক্তভোগীর সংবাদ সম্মেলন সীতাকুণ্ডে লোকবল সংকটে উপজেলা সমাজসেবা দপ্তর।।নিস্ক্রিয় হয়ে পড়ছে নিবন্ধিত সংগঠন গুলি আজ বিশ্ব হার্ট দিবস। হৃদরোগ নিরাময়ে ইয়োগা লাইফ স্টাইল খাদ্যভাস পরিবর্তন এর বিকল্প নেই —-ডাঃ কামরুল ইসলাম মনা চুনারুঘাট সীমানা বহির্ভূত স্থানে বালু উত্তোলন করায় : এক ব্যক্তির ১ লক্ষ টাকা জরিমানা মহিপুর মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে দুটি একাডেমিক ভবনের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন ও বিভিন্ন উন্নয়ন কাজের উদ্বোধন করেন  – মোশাররফ হোসেন এমপি। চাঁপাইনবাবগঞ্জ পৌরসভার ৭নং ওয়ার্ডে ডেঙ্গু প্রতিরোধে বিশেষ অভিযান

ভুল ওয়ারেশ কায়েম সনদে ফায়দা তোলার অপচেস্টা রেলগেট পশ্চিম পাড়ায় মূল্যবান ২২শতক জমি টার্গেট বাসার গঙের

Montu Rahman / ১০০২ Time View
Update : রবিবার, ৩১ আগস্ট, ২০২৫

বিশেষ প্রতিবেদক
একটি ভুল ওয়ারেস কায়েম সনদ পত্র জমা দিয়ে ফায়দা ওঠানোর অপচেস্টা করছে যশোর শহরের রেলগেট পশ্চিম পাড়ার ভূমিদস্যু আবুল বাসার গঙ। ২০২৩ সালের ঐ ওয়ারেস কায়েম সনদ পত্রে দেখা যায়, মৃত অলি মোহাম্মদ কে মৃত ইদু মোহাম্মদ এর ভাই লিপিবদ্ধ করা হয়েছে। আর এদের পিতা মৃত নান্নু মিয়া। ওয়ারেস কায়েম সনদে আর কোন ওয়ারেসের বর্ণনা নেই। তবে এই ওয়ারেস কায়েম পৌরসভা কতৃপক্ষ প্রদানকৃত যথাযথ কিনা তা যাচাই করা সম্ভব হয়নি।
ফটোকপি সনদ বর্ণনা অনুযায়ী যশোর পৌরসভা কার্যালয় মুন্সী মেহেরুল্লাহ সড়ক, যশোর, স্থাপিত ১৯৮৪ খ্রি:, ওয়ারিশ কায়েম সনদ, স্মারক নং ১৬. ০১. ০০১. ০৯১. ২০২০. ৬২৪৯ তারিখ: ১৯/০৭/২০২৩ ইং। এই সনদ পত্রে রোকেয়া পারভীন (ডলি), মেও র প্যা নেল ২ ও নাছিমা আক্তার (জলি) এর স্বাক্ষর রয়েছে। তবে পৌরসভা কার্যালয়ে এরা না থাকায় যাচাই বাছাই সম্ভব হয়নি।
সূত্রে জানা যায়, যশোর শহরের রেলগেট পশ্চিম পাতায় একটি বিক্রয় কৃত জমি ও বাড়ি নিজেদের দাবি করে ওয়ারেস কায়েম দিয়ে ফায়দা লুটতে চায় মৃত ওয়ালী মোহাম্মদের ছেলে বৌ মেয়েরা। তবে প্রধান মদদ দাতা তাদের জামাই বরিশাল বিভাগের ঝাল কাঠি জেলার রাজাপুর উপজেলার মৃত সইজ উদ্দীন মাঝির ছেলে আবুল বাসার মাঝি। তিনি শশুরের হয়ে জাল ওয়ারেস সূত্রে বিক্রিত জমি নিজেদের জিম্মায় রাখতে অপ তৎপরতা চালাচ্ছে।
সরেজমিন অনুসন্ধানে জানা গেছে, ওয়ালী বা অলি মোহাম্মদরা আপন চার ভাই ও এক বোন। এদের বাকি ওয়ারেসরা হচ্ছেন, বাবু মোহাম্মদ, নুর মোহাম্মদ, শের মোহাম্মদ। তবে বোনটির নাম জানা যায়নি। তিনি পাকিস্তানে চলে যান। সেখানেই তার মৃত্যু হয়। এদের পিতার নাম ছিল কালু মিয়া। তাকে সকলে দুধ ওয়ালা কালু মিয়া নামে ডাকতেন। মহিষ খাটালের কাজ পড়তা হচ্ছিলো না বলে তা ছেড়ে আবিদ বিহারীর বরিশাল রুটের বাসে হেলপার কাজ নেয় অলি মোহাম্মদ। এর পর বরিশাল বাস স্ট্যান্ডে হোটেল কর্মচারী আনোয়ারা কে বিয়ে করে রেলগেটে আসে। বেজপাড়া আজিমাবাদ কলোনিতে এর আগে তারা ছিল। এখনো বেজপাড়ায় অলি মোহাম্মদের ভাইপো ভাইঝিরা বসবাস করে।
ওয়ালী বা অলি মোহাম্মদ ইঁদু মোহাম্মদের মহিষ খাটালে কাজ করতেন। তাদের মধ্যে কর্তা চাকর সম্পর্কে র বাইরে আর কোন সম্পর্ক ছিল না।
দলিল অনুযায়ী ১৯৬০ সালে দুই বন্ধু হাজী সেলিম ও ইঁদু মিয়া যশোর জেলার সদর কোতোয়ালি থানার ৭৭নং চাঁচড়া মৌজায় সাবেক ১৩৫ ও ১৩৬ দাগে ৯৭ শতক জমি ক্রয় করেন। যার ১০ শতাংশ হাজী সেলিমের এবং বাকিটা ইঁদু মোহাম্মদের। ইঁদু মোহাম্মদ ১৯৬৯ সালে নার্গিস আখতারের কাছে ২২ শতক জমি বিক্রয় করেন। তখন ইঁদু মেয়ের ছেলে ছিল লাল মোহাম্মাদ। তাকে লোকে জেলার বলে ডাকতো। তার এক চোখ ছিল কানা। মহিষের উপর বা পিঠে বসে রেলগেট এলাকায় ঘুরে বেড়াত। তখন জিলানের বয়স ১৮ বছরের বেশি ছিল। এর পর তিনি সপরিবারে বাংলাদেশ থেকে চলে যান। ইঁদু মোহাম্মদের পরিবারের সদস্যরা বর্তমানে পাকিস্তানে বদবাস করেন। ১৯৮২ সালে নুর উদ্দীন জমিটি নার্গিস আখতারের কাছ থেকে ক্রয় করেন। রেলগেট এলাকার তৎকালীন বাসিন্দারা এই তথ্য দিয়েছেন।
১৯৮৩ সালে বাটা ম্যা নেজার থাকা কালীন তিনি মারা যান।
বাটা মানেজার নুর উদ্দীন মারা যাওয়ার পর রেলগেটের দুই মাতুব্বর কেফাতুল্লা ও মজিদ খান গরীব বিধায় সহমর্মী হয়ে ওয়ালী মোহাম্মদ কে বাটা ম্যনেজারের বাড়িতে মাসিক সাড়ে ৩০০ টাকা ভাড়া হিসাবে তুলে দেন। বাস্তবে এরা কেউ ইঁদু মোহাম্মদের যেমন কেউ নয়, তেমনি বিক্রি করা জমিতে ওয়ারেস কায়েম কেন প্রয়োজন তা কারো বোধগম্য নয়। তাছাড়া এই বিক্রিত জমি যার রেজিস্ট্রি দলিল ও দলিল নম্বর তথা রেজিস্ট্রেশন সঠিক আছে। কাগজ পত্র পর্যালোচনা করে বাদি পক্ষের উকিল সেই মতামত দিয়েছেন।
আর কেনই বা ভুয়া ওয়ারেস কায়েম দিতে হোল যশোর পৌরসভা কতৃপক্ষ কে সেটাও কারো মাথায় আসছে না।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category

Devoloped By WOOHOSTBD