• বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৭:০২ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম:
কোতয়ালী থানার বিশেষ অভিযানে মাদক কারবারী, মাদকসেবী ও ওয়ারেন্টভুক্তসহ মোট ৭ জন আসামী গ্রেফতার জেলা পুলিশ সুপার ওমর ফারুক বলেছেন: বটিয়াঘাটায় ‘হয় পুলিশ থাকবে, নয় মাদক থাকবে’ কুমিল্লা জেলার দাউদকান্দি মডেল থানা পুলিশ ১০০ কেজি গাঁজা উদ্ধার প্রাইভেটকার জব্দ চালক পলাতক ডেঙ্গু প্রতিরোধে চাঁপাইনবাবগঞ্জ পৌরসভায় বিশেষ পরিচ্ছন্নতা ও মশক নিধন অভিযান মান্দায় নির্মাণাধীন অবৈধ ইটভাটায় অভিযান, লাখ টাকা জরিমানা বীরগঞ্জে ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযানে তিনজনের কারাদণ্ড মাদক বিরোধী অভিযানে আখাউড়ায় ১৫৮০ পিস ইয়াবাসহ ১ মাদক কারবারি গ্রেপ্তার সিলেট জেলা শাহপরান (রহঃ) ২৭ বোতল বিদেশি মদ ট্রাক জব্দ গ্রেফতার ২ চাঁদাবাজি ও হত্যার হুমকির মামলার প্রধান আসামি সাইফুদ্দিন মোহাম্মদ ফয়সাল (৩৫) গ্রেফতার সাংবাদিককে হত্যা মামলায় আসামি করার অভিযোগের প্রতিবাদ চেয়ারম্যানের

বটিয়াঘাটায় প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা মোঃ সেলিম মিয়া’র বিরুদ্ধে ক্ষমতার অপব্যবহার করে অর্থ বাণিজ্যের অভিযোগ, তার খুঁটির জোর কোথায়?

Montu Rahman / ৫৩ Time View
Update : রবিবার, ১২ জুলাই, ২০২৬

খুলনা জেলা প্রতিনিধিঃ

বটিয়াঘাটা উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তার বিরুদ্ধে ক্ষমতার অপব্যাবহার করে মোটা অংকের অর্থ বাণিজ্যের অভিযোগ উঠেছে । অভিযোগে একাধিক সূত্রে জানা গেছে, বটিয়াঘাটা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা মোঃ সেলিম মিয়া তার দপ্তর থেকে বরাদ্দকৃত সকল উন্নয়ন প্রকল্পের ৩০ পার্সেন্ট টাকা দিতে হচ্ছে প্রকল্প বাস্তবায়ন কমিটিকে । এছাড়াও সকল প্রকল্পের বাস্তবায়ন কমিটির সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকে উক্ত প্রকল্পের মালামাল যেমন, মাটি কাটা ভেকু,বালি সহ অন্যান্য যাবতীয় নির্মাণ সামগ্রীর তার কাছ থেকে নিতে চাপ প্রয়োগ করে বাধ্য করছে । যদি কোন প্রকল্প বাস্তবায়ন কমিটি মালামাল ও উৎকোচের লাখে ৩০ হাজার টাকা দিতে অস্বীকার করলে উক্ত প্রকল্পের বিল ভাউচার বন্ধ করে দেয়ার হুমকি দিচ্ছেন । এছাড়াও তিনি বিভিন্ন সময়ে বিভিন্ন ব্যক্তির সাথে বলেন আমি পাবনার বিএনপি । আমাকে বটিয়াঘাটা বিএনপির কেউ কিছু করার ক্ষমতা রাখে না । অন্যদিকে সম্প্রতি কাজিবাছা নদীর স্রোতের তোড়ে উপজেলা বাজার সংলগ্ন সদরের বেড়ীবাঁধের ভাঙ্গন রোধে সাময়িক ভাবে প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা কাবিখার ৪ টন চাল বরাদ্দ দেন । যার প্রতি টন চালের মূল্য ৩৫ হাজার থেকে ৪০ হাজার টাকা । উক্ত ভাঙ্গনে ০৮ নম্বরের বালু বস্তায় ভরে ভাঙ্গনে ফেলতে হবে । কিন্তু প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা ০৮ নম্বরের বালু বস্তায় না দিয়ে নদীর সাধারণ বালু ব্যবহার করে হোয়াইট ওয়াশ হিসেবে সামান্য কিছু বস্তা ফেলে ভেড়ী দেয়। তাও দিতে না দিতে বালুর বস্তা সরে নদী চলে যাচ্ছে। ওইখানে কাজ শেষে সরকারি নিয়ম অনুযায়ী কাজের বিবরন ও কত টাকা বরাদ্দ সহ একটি সাইনবোর্ড দেওয়ার কথা থাকলেও তার কোনো নমুনা দেখা যায়নি। ওইসব নিয়মের তোয়াক্কা না করে নিজের ইচ্ছা খুশি মতো বিল ভাউচার তৈরি করে মোটা অংকের অর্থ হাতিয়ে নিয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে । এব্যাপারে প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা মোঃ সেলিম মিয়া সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি উক্ত সকল অভিযোগ অস্বীকার করেছেন । এব্যাপারে এলাকাবাসী স্থানীয় সংসদ সদস্য সহ সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছে ।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category

Devoloped By WOOHOSTBD