• রবিবার, ১২ জুলাই ২০২৬, ০৯:৩৫ অপরাহ্ন
শিরোনাম:
তাহিরপুর উপজেলার চরগাঁও গ্রামে স্ত্রীকে শ্বাসরোধে হত্যার অভিযোগে স্বামী আটক, ফাঁসির দাবিতে মানববন্ধন ও বিক্ষোভ। আসন্ন কালিয়াকৈর পৌরসভা নির্বাচন: ৫ নং ওয়ার্ডে কাউন্সিলর পদে সকলের দোয়া সমর্থন প্রত্যাশী আল ইসহাক রাব্বি সীমান্তে ৫৩ বিজিবির অভিযানে বিপুল পরিমাণ ভারতীয় এস্কাফ সিরাপ জব্দ খাস কালেকশনের নামে অতিরিক্ত টাকা আদায়, ক্ষোভে ফুঁসছেন বাদাঘাটের ব্যবসায়ীরা চাঁপাইনবাবগঞ্জ সীমান্তে ৫৩ বিজিবির দুইটি অভিযানে বিপুল পরিমাণ মাদক জব্দ ​ কুষ্টিয়ার ভেড়ামারায় পরকীয়া ও পারিবারিক কলহের জেরে ব্যবসায়ীকে কুপিয়ে জখম, টাকা ছিনতাইয়ের অভিযোগ চাঁচড়ায় মামা ভাগ্নে পরিষদ নিয়ে বিপাকে মানুষ টানা বৃষ্টি ও পাহাড়ী ঢল তাহিরপুরের নদ নদী ও হাওরের পানি বাড়ছে জলাবদ্ধতায় কটিয়াদী সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়: পরীক্ষা স্থগিত, চরম দুর্ভোগে শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা যাদুকাটা নদীতে অপ্রতিরোধ্য মাসুক সরদারের ড্রেজার মেশিন

দৌলতপুরে সরকারি গাছ কাটার ঘটনায় বন বিভাগের কর্মকর্তারা নাকি কিছুই জানেননা

Zakir Hossain Mithun / ৬০১ Time View
Update : রবিবার, ২২ জানুয়ারী, ২০২৩

দৌলতপুরে সরকারি গাছ কাটার ঘটনায় বন বিভাগের কর্মকর্তারা নাকি কিছুই জানেননা

মোঃ সাজেদুল ফরাজি – কুষ্টিয়া জেলা দৌলতপুর উপজেলার পিয়ারপুর ইউনিয়নের শেরপুর কোদালিয়া গ্রামের রাস্তার পাশে রোপণ করা গাছ কেটে নিয়ে যাচ্ছে দুর্বৃত্তরা। ধারাবাহিক ভাবে প্রায় নয় পিছ বড় বড় গাছ কেটে নিয়েছে দুর্বৃত্তরা। বন বিভাগের কর্মকর্তাদের অভিযোগ করেও কোন প্রতিকার পাইনি এলাকাবাসী। গাছ কাটার তিন দিন পরে এলাকাবাসী গনমাধ্যম কর্মীদের জানান, সেখানে স্থানীয় পত্রিকা দৈনিক সুত্রপাত পত্রিকার দৌলতপুর উপজেলা প্রতিনিধি ১৫ জানুয়ারি রোজ রবিবার সরেজমিনে উপস্থিত হয়ে চুরিকৃত গাছের কিছু অংশ শেরপুর বাজারে অবস্থিত শরিয়তের স’ মিলে দেখতে পাই এবং উক্ত গাছের ডালপালা পায় কোদালিয়া গ্রামের গ্যাদার বাড়ির পাশে। এ ব্যাপারে ১৬ জানুয়ারি দৈনিক সুত্রপাত পত্রিকায় একটি খবর প্রকাশিত হয়। খবর প্রকাশের পরের দিন বন বিভাগের কর্মকর্তা মোঃ গোলাম কবির স’ মিলের মালিক শরিয়তের মাধ্যমে নিজ হেফাজতে ঘটনাস্থল থেকে গাছের কাটা অংশ গুলো তুলে নিয়ে যায়। এ ব্যাপারে এলাকার কোন জনপ্রতিনিধি বা স্থানীয় প্রশাসন কে অবগত করেন নাই বন বিভাগ। প্রতিবেদক এ ব্যাপারে দৌলতপুর উপজেলা বন বিভাগের কর্মকর্তা মোঃ গোলাম কবিরের সাথে মুঠোফোনে যোগাযোগ করেন। এবং তার কাছে গাছ গুলো তুলে নিয়ে গেলেন কাউকে অবগত না করে সেই গাছ গুলোর জব্দ তালিকা তৈরি করেছেন কিনা, কোন আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ করেছেন কিনা জিজ্ঞাসা করলে কোন সদুত্তর না দিয়ে তার অফিসার আবু বকর সিদ্দিক এর সাথে যোগাযোগ করতে বলেন। আবু বকর সিদ্দিকীর সাথেও প্রতিবেদক যোগাযোগ করে একই প্রশ্ন করলে তিনি বলেন এখনো কোন ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয় নি , কারা গাছ কেটেছে আমরা কিছুই জানি না তদন্ত সাপেক্ষে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। ব্যবস্থা গ্রহণ করতে এতো ধীর গতি কেন সে ব্যাপারে জানতে চাইলে জনবল কম বলে দায়িত্ব এড়িয়ে যাওয়ার চেষ্টা করেন তিনি। দৌলতপুর উপজেলার বিভিন্ন স্থানে প্রায় সরকারী গাছ কেটে নেওয়া হচ্ছে কিন্তু সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ বিভিন্ন অজুহাতে দায় এড়িয়ে যাচ্ছেন। বিষয়টি তদন্ত সাপেক্ষে ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য জেলা প্রশাসকের দৃষ্টি আকর্ষণ করছি।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category

Devoloped By WOOHOSTBD