• শনিবার, ০৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১১:০৪ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম:
দৌলতপুরে ব্যবসায়ীর উপর হামলার অভিযোগ  বাংলাদেশ মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ে পালমোনারি রিহ্যাবিলিটেশন বিষয়ে দিনব্যাপী হ্যান্ডস-অন কর্মশালা অনুষ্ঠিত কুষ্টিয়া দৌলতপুরে বিয়ের বাড়িতে হামলা ও লুটপাটের অভিযোগ  দৌলতপুরে ফিলিপনগর ইউনিয়ন ছাত্রদলের আয়োজনে আলোচনা সভা ও র‌্যালি অনুষ্ঠিত তাহিরপুরে যাদুকাটা ও পাটলাই নদীর ৬টি ঘাটে অতিরিক্ত টোল আদায় আইন শৃঙ্খলা কমির সভায় ক্ষোভ ঝাড়লেন উপজেলা বিএনপি নেতা” আশুগঞ্জে ৩৮ মামলার আসামি রাসেল ইয়াবা ও দেশীয় অস্ত্রসহ গ্রেপ্তার পরিবেশ রক্ষা উন্নয়ন সোসাইটির উদ্যোগে সোনারগাঁয়ে হিংস্র জন্তু শিয়াল উদ্ধার ও অসুস্থ প্রাণীকে চিকিৎসা এবং উদ্ধার কার্যক্রম কালিয়াকৈরে দৃস্থ ও অসহায় ব্যক্তিদের মাঝে আর্থিক অনুদান প্রদান বাঁশখালীর পুকুরিয়ায় মাদকবিরোধী র‍্যালি ও পথসভা অনুষ্ঠিত সালিসি বৈঠকে দেড় লাখ টাকায় মীমাংসা, চেয়ারম্যান ও মেম্বার খাটুনির মজুরি হিসেবে ৫০ হাজার টাকা নেওয়ার অভিযোগ

খাগড়াছড়ির দীঘিনালায় ক্রীক বাঁধের মাধ্যমে মাছ চাষে সফল

Montu Rahman / ১৯৪ Time View
Update : বৃহস্পতিবার, ১৪ মার্চ, ২০২৪

স্টাফ রিপোর্টারঃ

খাগড়াছড়ি পার্বত্য জেলার দীঘিনালা উপজেলায় দুই পাহাড়ের মাঝখানে ক্রীক বাঁধ দিয়ে কৃত্রিম জলাশয় সৃষ্টি করার মধ্য দিয়ে মাছ চাষ শুরু করা হয়েছে। এতে লাভের মুখ দেখছেন স্থানীয় মৎস্যজীবী দীঘিনালা উপজেলার মেরুং ইউনিয়নের গবাছড়ি এলাকার মাছ চাষী পান্টু চাকমা ও পশ্চিম বেতছড়ি জুরজুরি পাড়ার মাছ চাষী আবদুর রহমান।

মৎস চাষে সরকারি প্রণোদনায় ক্রীক বাঁধ প্রকল্প পরিদর্শন করেন খাগড়াছড়ি জেলা মৎস্য উপ-পরিচালক ড. আরিফ হোসেন।

দীঘিনালা উপজেলার মেরুং ইউনিয়নের ৯নং ওয়ার্ডের গবাছড়ি এলাকার মাছ চাষী পান্টু চাকমা ও ৪নং ওয়ার্ডের পশ্চিম বেতছড়ির জুরজুরি পাড়ার মাছ চাষী আব্দুর রহমানের ক্রীক বাঁধ পরিদর্শন করে মাছের নমুনা ও ওজন পরীক্ষা করেন তিনি।

পরিদর্শনকালে খাগড়াছড়ি জেলা মৎস্য কর্মকর্তা ড. মোহাম্মদ আরিফ হোসেন বলেন, ‘পার্বত্য চট্টগ্রাম অঞ্চল মৎস্য উন্নয়ন প্রকল্প মৎস্য অধিদপ্তর থেকে প্রত্যেক উপজেলায় ক্রীক বাঁধের মাধ্যমে মাছ চাষের জন্য পুকুর তৈরি করে দেওয়া হয়েছে। এতে করে মাছ চাষীরা অনেক উপকৃত হয়েছে এবং ক্রীক বাঁধ দেয়া পুকুরগুলোতে প্রচুর পরিমাণে প্রাকৃতিক খাদ্য সৃষ্টি হয়। যার কারণে খাদ্য কম লাগে ও এতে মাছ দ্রুত বৃদ্ধি পায় বলে জানান তিনি।’

তিনি আরও বলেন, ‘শুকনো মৌসুমে পাহাড়ে সুপেয় পানির সংকট দেখা দেয়। তখন এ সকল ক্রীক বাঁধে জমানো পানি স্থানীয়দের চাষাবাদসহ বিভিন্ন কাজে প্রয়োজন মেটাতে পারে। পাহাড়ে পতিত জমিতে ক্রীক বাঁধ নির্মাণ করে মাছ চাষের পাশাপাশি সুপেয় মিঠা পানির অভাব দূর করে এবং এ মৌসুমে ফসলি জমিতে চাষাবাদের প্রয়োজনীয় পানি সরবরাহের ব্যবস্থা করা হয়ে থাকে এ বাঁধ থেকে।’

পরিদর্শন করার মসয় উপস্থিত ছিলেন খাগড়াছড়ি পার্বত্য জেলা পরিষদ সদস্য ও মৎস্য বিভাগের আহবায়ক মিজ শতরূপা চাকমা, পার্বত্য চট্টগ্রাম মৎস্য উন্নয়ন প্রকল্প সহকারী পরিচালক শরৎ কুমার ত্রিপুরা, দীঘিনালা উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা অবর্না চাকমা, দীঘিনালা উপজেলার শ্রেষ্ঠ মৎস্য চাষী মোহাম্মদ শাহজাহান।

 


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category

Devoloped By WOOHOSTBD