হিজলার ক্রীড়াপ্রেমীদের প্রাণের আয়োজন এক মাসব্যাপী ফুটবল টুর্নামেন্টের মহাযজ্ঞ শেষ হলো আজ। রহমান এন্ড নেশা ফাউন্ডেশন আয়োজিত এই টুর্নামেন্টের ফাইনাল ম্যাচ বুধবার (২৭ আগস্ট) বিকেলে জমকালো আয়োজনে অনুষ্ঠিত হয়।
ফাইনালে মুখোমুখি হয় লতা ইউনিয়ন ফুটবল দল বনাম আন্দারমানিক ফুটবল দল। শুরু থেকেই দুই দল আক্রমণ-পাল্টা আক্রমণে দারুণ উত্তেজনা ছড়ায়। প্রথমার্ধে লতা ইউনিয়নের হয়ে গোল করে, তবে অল্প কিছুক্ষণের মধ্যেই আন্দারমানিক সমতায় ফিরে আসে দ্বিতীয়ার্ধে দুই দল আবারও একে অপরের জালে বল জড়ায় এবং নির্ধারিত সময় শেষে ম্যাচ ২–২ গোলে সমতায় শেষ হয়।
পরে ম্যাচ গড়ায় রোমাঞ্চকর টাইব্রেকারে। স্নায়ুক্ষয়ী লড়াই শেষে আন্দারমানিক দল দুর্দান্ত দক্ষতায় জয়লাভ করে চ্যাম্পিয়নশিপের ট্রফি ছিনিয়ে নেয়।
অতিথিদের উপস্থিতি
ফাইনাল খেলায় প্রধান অতিথি ছিলেন হিজলা উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) জনাব মো: ইলিয়াস শিকদার। তিনি খেলোয়াড় ও আয়োজকদের ধন্যবাদ জানিয়ে বলেন— 👉 “যুব সমাজকে মাদক ও অপরাধ থেকে দূরে রাখতে খেলাধুলার কোনো বিকল্প নেই। এ ধরনের টুর্নামেন্ট শুধু বিনোদন নয়, সামাজিক সম্প্রীতি ও ভ্রাতৃত্ব গড়ে তোলে। উপজেলা প্রশাসন সবসময় ইতিবাচক কর্মকাণ্ডে পাশে থাকবে।”
খেলার প্রধান পৃষ্ঠপোষক ছিলেন ব্যারিস্টার এ. এম. মাসুম। তিনি মোবাইল কলে যুক্ত হয়ে বক্তব্য রাখেন এবং সম্প্রতি প্রয়াত তার বাবা, আলহাজ্ব হযরত মাওলানা মোস্তাফিজুর রহমানের আত্মার মাগফিরাত কামনা করেন। একই সঙ্গে মাঠে উপস্থিত হাজারো দর্শকদের অভিনন্দন জানান।
খেলার সভাপতিত্ব করেন বিশিষ্ট ক্রীড়া ব্যক্তিত্ব জনাব আলতাফ হোসেন ফকির। ম্যাচ পরিচালনা করেন মোহাম্মদ মারুফ হোসেন এবং ধারাভাষ্যকার হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন খন্দকার ইলিয়াস শাহ।
পুরস্কার বিতরণ
খেলা শেষে বিজয়ী আন্দারমানিক দলের অধিনায়ক [অধিনায়কের নাম]–এর হাতে চ্যাম্পিয়ন ট্রফি তুলে দেন প্রধান অতিথি। রানার-আপ লতা ইউনিয়ন দলের খেলোয়াড়দের মাঝেও পুরস্কার বিতরণ করা হয়। এসময় স্থানীয় জনপ্রতিনিধি, রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব ও ক্রীড়া সংগঠকেরা উপস্থিত ছিলেন।
মাঠের পরিবেশ
ফাইনাল খেলা উপভোগ করতে হাজারো দর্শক মাঠে উপস্থিত হন। পুরো মাঠ জুড়ে উৎসবমুখর পরিবেশ বিরাজ করে। দর্শকদের প্রাণবন্ত উপস্থিতি, খেলোয়াড়দের দারুণ লড়াই আর আয়োজকদের নিখুঁত ব্যবস্থাপনায় ফাইনালটি হিজলার ক্রীড়া ইতিহাসে স্মরণীয় হয়ে থাকবে।
Devoloped By WOOHOSTBD