রাজশাহী জেলা পুলিশ সুপার, নওগাঁর নির্দেশনায় জেলা গোয়েন্দা শাখা নওগাঁর মাদক বিরোধী অভিযানে ১০ বোতল ফেন্সিড্রিল (ESKUF) সহ মাদকের কারবারি আব্দুল মালেকসহ তিনজন গ্রেফতার।
জনগণ কর্তৃক প্রদত্ত তথ্যের ভিত্তিতে পুলিশ সুপার মোহাম্মদ তারিকুল ইসলাম এর নির্দেশে জেলা গোয়েন্দা শাখা নওগাঁ এর একটা টীম বদলগাছি থানা এলাকায় মাদক বিরোধী অভিযান পরিচালনা করে। অভিযানিক টীম রাত ০৯ ঘটিকার সময় পিন্ডিরা গ্রামে সিয়ামের ভাই-বোন ট্রেডার্সের টিনের দোকানে দুইজন ব্যাক্তি পাওয়া যায়। উপস্থিত লোকজনের সামনে তাদের নাম ঠিকানা জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়। আসামি দের নাম ১। আব্দুল মালেক মিল্টন (৪০) পিতা ওসমান আলী
সাং পিন্ডিরা থানা বদল গাছি জেলা নওগাঁ ২। আল আমিন (৩৩) পিতা নুরুল সর্দার সাং জগন্নাথ পুর থানা বদল গাছি জেলা নওগাঁ বলে জানায়।
এ সময় ২ নং আসামির হেফাজত হতে দুই বোতল ইসকাফ ফেন্সিড্রিল পাওয়া যায়। ২ নং আসামি জানায় যে মাল গুলো দোকানের মালিক ১ নং আসামি আব্দুক মালেক মিলটনের। তার আরো মাল শরিফুলের দোকানে আছে। পরে আসামি ৩। শরিফুল(৩৮) পিতা কসিমুদ্দিন সাং জিয়ল থানা বদল গাছি জেলা নওগাঁ এর ফ্লেক্সি লোডের দোকান দোকান তল্লাশী করা হয়। তল্লাশে কালে সাদা প্লাস্টিকের বাজার করা ব্যাগের ভিতরে ৩ বোতল এসকাফ ফেন্সিড্রিল পাওয়া পাওয়া যায়।
ধারাবাহিক অভিযানে ৩ নং আসামি জানায় যে মাল গুলো ১ নং আসামি আব্দুল মালেকের। সে তার কাছে রেখে দেয়। কাস্টমার পেলে সে বিক্রি করে টাকা ১ নং আসামি আব্দুল মালেকের কাছে দেয়। ৩ নং আসামি আরো জানায় যে ১ নং আসামি আব্দুল মালেকের বাড়িতে আরো মাল আছে। পরে আসামি আব্দুল মালেকের বাড়ি তল্লাশি করা হয়। তল্লাশী কালে তার বাড়ির পিছনে গর্তের ভিতর প্লাস্টিকের ব্যাগে ৫ বোতল এসকাফ ফেন্সিড্রিল উপস্থিত লোকজনের সামনে উদ্ধার করে জব্দ করা হয়। এ সময় আসামি আল আমিনের কাছে মাদক বিক্রির ১১ হাজার ১২০ টাকা জব্দ করা হয়।
প্রাথমিক তদন্তে জানা যায়, আব্দুল মালেক বড় মাদক কারবারি, বেশ কিছুদিন যাবত সীমান্ত পথে মাদকদ্রব্য এনে বিভিন্ন মাধ্যমে মাদকের কেনাবেচা করে আসছিল। এ বিষয়ে বদল গাছি থানায় আসামি দের বিরুদ্ধে মাদক দ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা দায়ের করা হয়েছে।
Devoloped By WOOHOSTBD