কুষ্টিয়ার দৌলতপুর উপজেলার শিক্ষা, সামাজিক ও প্রাতিষ্ঠানিক উন্নয়নে দীর্ঘদিন ধরে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখে চলেছেন দৌলতপুর কলেজের অধ্যক্ষ মোঃ সাদিকুজ্জামান খান । বর্তমানে তিনি দৌলতপুর কলেজের অধ্যক্ষ হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন এবং একই সঙ্গে শিক্ষাবিষয়ক বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের নেতৃত্ব ও পরিচালনায় সক্রিয় ভূমিকা রাখছে।
শিক্ষা প্রশাসনে তাঁর দীর্ঘ অভিজ্ঞতার মধ্যে রয়েছে দৌলতপুর কলেজের অধ্যক্ষ, ১৯৯৬ সাল থেকে অধ্যবধী শুকরুন নেছা একাডেমির পরিচালক হিসেবে দায়িত্বে আছেন। জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের সিনেট সদস্য এবং বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব পালন। তিনি দৌলতপুর পাইলট মডেল মাধ্যমিক বিদ্যালয়, রিফায়েতপুর মাধ্যমিক বিদ্যালয়, গোয়ালগ্রাম কলেজ, প্রাগপুর কলেজ, দৌলতপুর দাখিল মাদ্রাসা ও খলিশাকুণ্ডি ডিগ্রি কলেজের চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন।
মুক্তিযোদ্ধা পরিবারের সন্তান মোঃ সাদিকুজ্জামান খানের পিতা মোঃ মফিকুজ্জামান খান ছিলেন বাংলাদেশ কৃষি উন্নয়ন করপোরেশনের (বিএডিসি) অবসরপ্রাপ্ত সহকারী পরিচালক এবং একজন বীর মুক্তিযোদ্ধা। তাঁর জন্ম ২৭ নভেম্বর ১৯৭৭ সালে কুষ্টিয়ায়।
শিক্ষাজীবনে তিনি রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ইতিহাস বিষয়ে স্নাতক (সম্মান) ও স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেন। বর্তমানে তিনি মালয়েশিয়ার জেনোভাসি ইউনিভার্সিটি কলেজে শিক্ষা বিষয়ে পিএইচডি গবেষণায় নিয়োজিত রয়েছেন।
পেশাগত জীবনে ২০০২ সালে দৌলতপুর কলেজে প্রভাষক হিসেবে যোগদানের মাধ্যমে তাঁর কর্মজীবন শুরু হয়। পরবর্তীতে ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষের দায়িত্ব পালন শেষে ২০১৭ সালের ২৯ নভেম্বর অধ্যক্ষ পদে নিয়োগপ্রাপ্ত হন। শিক্ষা ক্ষেত্রে তাঁর মোট কর্মঅভিজ্ঞতা প্রায় ২৩ বছর।
শিক্ষা ও গবেষণার পাশাপাশি তিনি মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস সংরক্ষণেও ভূমিকা রেখেছেন। ২০১৮ সালে প্রকাশিত এশিয়াটিক সোসাইটির “বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধ বিশ্বকোষ” গ্রন্থে দৌলতপুর উপজেলার মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক তথ্য সংযোজনে তাঁর অবদান রয়েছে।
স্থানীয়ভাবে একজন শিক্ষানুরাগী, সংগঠক ও সমাজসেবক হিসেবে পরিচিত মোঃ সাদিকুজ্জামান খান, শিক্ষা বিস্তার, মানবসম্পদ উন্নয়ন এবং প্রজন্ম গঠনে নিরলসভাবে কাজ করে চলেছেন। শিক্ষা প্রতিষ্ঠান পরিচালনার পাশাপাশি সামাজিক কর্মকাণ্ডেও তাঁর সক্রিয় অংশগ্রহণ দৌলতপুরের শিক্ষা ও সমাজ উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে।
Devoloped By WOOHOSTBD