• সোমবার, ০৪ মে ২০২৬, ০৪:২৯ অপরাহ্ন
শিরোনাম:
হবিগঞ্জ জেলা ছাত্রদলের সাহিত্য ও প্রকাশনা সম্পাদক মোবারক হোসাইনের কৃতজ্ঞতা প্রকাশ। কুষ্টিয়ার ভেড়ামারায় নিয়ামতুল্লাহ কে সভাপতি ও তুহিনকে সাধারন সম্পাদক করে তাঁতী দলের কমিটি গঠন  নওগাঁর বদলগাছি উপজেলায় গভীর খালে হাঁস তুলতে গিয়ে নিখোঁজ, পরদিন ডুবুরিদের তৎপরতায় লাশ উদ্ধার। ধর্মপাশায় শিক্ষক ওলির অনিয়ম: ছয় দিন ছুটি ছাড়াই অনুপস্থিত, ক্ষুব্ধ এলাকাবাসী বটিয়াঘাটায় কালবৈশাখীর তান্ডবে খোলা আকাশের নিচে অসহায় পরিবার পাশে দাঁড়ালেন ইউএনও থান্দার কামরুজ্জামান রাজশাহীতে অস্ত্র, গুলি ও এলকোহোল উদ্ধার বদলগাছীতে বিষাক্ত সাপের দংশনে ৭ বছরের শিশু শিক্ষার্থীর মৃত্যু জগন্নাথপুর উপজেলা চেয়ারম্যান প্রার্থী হিসেবে আলোচনায় মহিউদ্দিন বাবলু পাকুন্দিয়ায় ফেসবুকে ‘জয় বাংলা-জয় বঙ্গবন্ধু’ পোস্ট দেওয়ায় ছাত্রদল নেতা বহিষ্কার চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদর হাসপাতালে রুগীদের সহায়তায় স্বপ্নের বিভিন্ন সামগ্রী প্রদাণ

নিষিদ্ধের পরও কমেনি আসক্তি দেশের আনাচে–কানাচে এখনো চলছে ফ্রি ফায়ার খেলা

Muntu Rahman / ৪৮৭ Time View
Update : শনিবার, ৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৫

সানাউল্লাহ আস সুদাইস হিজলা উপজেলা প্রতিনিধি !

 

বাংলাদেশে সরকারি নিষেধাজ্ঞা জারির চার বছর পেরিয়ে গেলেও দেশের আনাচে–কানাচে এখনো খেলা হচ্ছে জনপ্রিয় অনলাইন গেম ফ্রি ফায়ার। কিশোর–কিশোরী ও তরুণদের মধ্যে এই গেমের প্রতি আগ্রহ কমার বদলে বরং আরও বিস্তৃত হয়েছে বলে অভিযোগ উঠছে।

রাজধানী ঢাকাসহ বিভাগীয় শহর, জেলা সদর এমনকি প্রত্যন্ত গ্রামাঞ্চলেও দেখা যাচ্ছে মোবাইল স্ক্রিনে ডুবে থাকা কিশোরদের। ইন্টারনেট সুবিধা পেলেই তারা দলে দলে মেতে উঠছে ফ্রি ফায়ারের ভার্চুয়াল যুদ্ধে। গ্রামের চায়ের দোকান থেকে শহরের অলিগলি—যেখানেই ফ্রি ওয়াইফাই বা মোবাইল ডাটা মেলে, সেখানেই চলছে এই গেমের খেলা।

ভিপিএন ব্যবহার করে খেলছে তরুণরা

সরকারি উদ্যোগে গেমটি ব্লক করা হলেও নানা প্রযুক্তি, বিশেষ করে ভিপিএন অ্যাপস ব্যবহার করে তরুণরা সহজেই ফ্রি ফায়ারে প্রবেশ করছে। অনেকে বলছে, বন্ধুদের সঙ্গে দল গঠন করে খেলার মজা ও উত্তেজনা তাদের বারবার টেনে নিচ্ছে এ গেমে।

অভিভাবকের দুশ্চিন্তা

অভিভাবকরা অভিযোগ করছেন, ফ্রি ফায়ারের নেশায় পড়াশোনায় অনীহা বাড়ছে সন্তানদের মধ্যে। রাত জেগে খেলা, সকালে স্কুল–কলেজে অনুপস্থিত থাকা, অস্থিরতা ও রাগ–ক্ষোভ বেড়ে যাওয়া নিয়ে তারা দুশ্চিন্তা প্রকাশ করেছেন।

নরসিংদীর এক অভিভাবক বলেন, “আগে ছেলেটা পড়াশোনায় মনোযোগী ছিল। এখন সারাক্ষণ মোবাইল নিয়ে বসে থাকে। আমাদের ভয় হচ্ছে ওর ভবিষ্যৎ অন্ধকার হয়ে যাবে।”

বিশেষজ্ঞদের মতামত

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের মনোবিজ্ঞান বিভাগের এক অধ্যাপক বলেন, “ফ্রি ফায়ারের মতো গেম তরুণদের মধ্যে তাত্ক্ষণিক উত্তেজনা সৃষ্টি করে। কিন্তু দীর্ঘমেয়াদে এর নেতিবাচক প্রভাব পড়ে পড়াশোনা, মানসিক স্থিতিশীলতা ও সামাজিক আচরণে।”

প্রযুক্তি বিশেষজ্ঞদের মতে, শুধু নিষেধাজ্ঞা দিলেই সমস্যার সমাধান সম্ভব নয়। তরুণদের জন্য বিকল্প বিনোদন, খেলাধুলার সুযোগ ও সচেতনতামূলক কার্যক্রম বাড়াতে হবে।

সরকারের পদক্ষেপ

২০২১ সালে বাংলাদেশ সরকার তরুণ প্রজন্মের উপর ‘ক্ষতিকর প্রভাবের’ অভিযোগে ফ্রি ফায়ার ও পাবজি গেম নিষিদ্ধ ঘোষণা করে। তবে বাস্তবে দেখা যাচ্ছে, নিষেধাজ্ঞার পরও বিকল্প উপায়ে গেমগুলো খেলা অব্যাহত রয়েছে। কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, কেবল প্রযুক্তিগত সীমাবদ্ধতা নয়, সামাজিক উদ্যোগ ও পারিবারিক সচেতনতাই পারে এ ধরনের আসক্তি থেকে তরুণদের ফিরিয়ে আনতে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category

Devoloped By WOOHOSTBD