• রবিবার, ২৫ অক্টোবর ২০২৬, ০৪:১৩ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম:
সাংবাদিক জয়নাল আবেদীনের মুক্তি দাবি ও সীতাকুণ্ড থানার ওসি সহ দুই পুলিশ কর্মকর্তার অপসারণে দাবিতে বাংলাদেশ সাংবাদিক উন্নয়ন সংস্থার মানববন্ধন জাতীয় দৈনিক প্রতিদিনের কাগজের সেরা প্রতিবেদক নির্বাচিত সাংবাদিক আছানুল হক সীতাকুন্ডে ভেজাল পানির প্রতিবেদন প্রকাশের পর সাংবাদিক জয়নালকে মিথ্যা মামলা দিয়ে আটক।।প্রশ্নের মুখে সংবাদমাধ্যমের স্বাধীনতা কুড়িগ্রামে নজরুল বর্ষ উপলক্ষে তিন দিনব্যাপী প্রস্তুতিমূলক সাংস্কৃতিক কর্মশালার উদ্বোধন। নারায়ণগঞ্জ জেলায় গত ২৪ ঘন্টায় সকল থানায় ৬১ জন গ্রেফতার ঢাকা জেলা ডিবি (দক্ষিণ)-এর অভিযানে হেরোইন, ইয়াবা ও গাঁজাসহ ৩ মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতার কালিয়াকৈরে বোয়ালীতে পূজা মন্ডপ পরিদর্শন করেন এডভোকেট আতিকুর রহমান সরকারি খাল কি ব্যক্তির ইজারায়? তাহিরপুরে টাকা আদায় নিয়ে বিতর্ক নারায়ণগঞ্জ জেলার রূপগঞ্জ থানাধীন হত্যা মামলার আসামি সারোয়ার এসআরবি -১১ অভিযানে গ্রেফতার মান্দায় জোতবাজার বণিক সমবায় সমিতির পূজামণ্ডপ পরিদর্শন ও আর্থিক সহায়তা প্রদান

দুই বাংলার জনপ্রিয় অভিনেত্রী জয়া আহসান

Montu Rahman / ১২৯০ Time View
Update : সোমবার, ২৫ মার্চ, ২০২৪

বিনোদন ডেক্সঃ

কিছুদিন আগে হাতি রক্ষায় হাইকোর্টে রিট করে আলোচনায় আসেন জয়া। এবার কওমি মাদ্রাসার শিক্ষার্থীদের নিয়ে ফেসবুকে পোস্ট শেয়ার করে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে চলে এসেছেন এই অভিনেত্রী।

সম্প্রতি জয়ার ফেসবুকে দেখা মিলল কওমি মাদরাসার বাচ্চাদের নিয়ে একটি পোস্ট। যদিও সেটি জয়ার লেখা নয়, অন্য কারো লেখাই নিজের পেজে শেয়ার করেছেন অভিনেত্রী। সেটা উল্লেখও করেছেন তিনি।

জয়ার সেই ফেসবুক পোস্টে লেখা ছিল- ‘রোজার শেষ দিকে বাংলাদেশের কওমি মাদরাসাগুলোতে এক করুণ দৃশ্য দেখা যায়। সাধারণত ২৫ রোজা থেকে মাদরাসাগুলো ছুটি হতে থাকে। বেশিরভাগ ছাত্র ছাত্রীর অভিভাবক এসে বাচ্চাদের বাসায় নিয়ে যায়। কিন্তু একদল বাচ্চাকে কেউ নিতে আসে না। এদের কারও বাবা-মা নেই, কারও বাবা নেই মায়ের অন্যত্র বিয়ে হয়ে গেছে। অনেকের মা নেই, বাবা বাচ্চার খোঁজ রাখে না। খুব বেশি ভাগ্যবান হলে কারও কারও মামা-খালা-চাচা এসে কাউকে কাউকে নিয়ে যায়। বাকীরা সারাদিন কান্না করে।

তারা জানে তাদের কেউ নিতে আসবে না। তারা সারাবছর কাঁদে না। কিন্তু যখন সহপাঠীদের সবাই বাসায় নিয়ে যায় অথচ তাদের কেউ নিতে আসে না তখন তাদের দুঃখ শুরু হয়ে যায়। মৃত মা-বাবার ওপর তাদের অভিমান সৃষ্টি হয়- কেন তারা তাদের দুনিয়ায় রেখে এই বয়সে মারা গেলেন? তারা কি আর কিছুটা দিন বেঁচে থাকতে পারতেন না? মা বাবা বেঁচে নাই তো কী হইছে? মামা চাচারা কেউ তাদেরকে নিতে আসল না কেন? মা বেঁচে থাকতে মামারা কত আদর করত! বাবা বেঁচে থাকতে চাচারা কত আদর করত! এই বয়সেই তারা দুনিয়ার একটা নিষ্ঠুর চেহারা দেখেছে।

সবাইকে অনুরোধ করে সেই পোস্টে আরও লেখা ছিল, ‘একটা অনুরোধ-এই ঈদে আপনার কাছাকাছি এতিমখানায় যান। কয়জন বাচ্চা ঈদে বাড়ি যায়নি খোঁজ নিন। তাদের জন্য আপনার সামর্থ্য অনুযায়ী যা পারেন তা নিয়ে যান। এই গরমে তাদের আইসক্রিম খাওয়াতে পারেন। কমপক্ষে একটা চকলেট খাওয়ান। মনে রাখবেন, আজ আপনি বেঁচে না থাকলে আপনার ছোট সন্তান এতিম হয়ে যাবে! আমি ইনশাআল্লাহ চেষ্টা করব যদি আল্লাহ সহায়ক হয়।

জয়ার এমন পোস্টকে ভক্তরাও সাধুবাদ জানিয়েছেন। অনেকেই তার সঙ্গে সম্মতি প্রদান করেছেন। কেউ লিখেছেন, ‘একটা সত্য তুলে ধরার জন্য আপনাকে ধন্যবাদ।’ কেউ আবার এই মাদরাসার শিক্ষার্থীদের সাহায্য এগিয়ে আসারও আহ্বান জানিয়েছেন।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category

Devoloped By WOOHOSTBD