• বৃহস্পতিবার, ১৬ জুলাই ২০২৬, ১২:৩৮ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম:
তারেক রহমানের পক্ষ থেকে বন্যার্তদের মাঝে ত্রাণ দিলেন ছাত্রনেতা আল আমিন বাবলু বদলগাছীতে স্বামী-সন্তানকে হত্যার ভয় দেখিয়ে গৃহবধূকে একাধিকবার ধর্ষণের অভিযোগ, অভিযুক্ত গ্রেপ্তার চাঁচড়া ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক ফজলুল আলম চেয়ারম্যান প্রার্থী হতে ইচ্ছুক হরিহরনগর বাওড় দখল, মাছ লুট ও প্রাণনাশ হুমকি যশোরে আইনজীবী তুহিনের বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা হয়রানির অভিযোগে সংবাদ সম্মেলন তাহিরপুর যাদুকাটা, রুক্তি ও পাটলাই নদীতে বি.আই.ডব্লিউটি অতিরিক্ত চাদাঁবাজি বন্ধের প্রতিবাদে মানববন্ধন আয়োজনে নৌ পত্নীতলায় হানিট্র্যাপের ফাঁদে মুক্তিপণ আদায় চক্রের দুই তরুণীসহ ৪ সদস্য গ্রেফতার তাহিরপুর থানার নতুন ওসি হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করলেন ফারুক আহমেদ সততা ও ত্যাগের পরীক্ষিত নেতা আরিফুর রহমান কাঞ্চনকে উপজেলা চেয়ারম্যান হিসেবে দেখতে চায় কটিয়াদীাসী যুব দক্ষতা দিবস উপলক্ষে শুভেচ্ছা জানিয়েছেন ভেড়ামারা অনলাইন প্রেসক্লাবের সভাপতি ডাঃ কামরুল ইসলাম মনা

হরিহরনগর বাওড় দখল, মাছ লুট ও প্রাণনাশ হুমকি

Muntu Rahman / ৫ Time View
Update : বুধবার, ১৫ জুলাই, ২০২৬

মালিকুজ্জামান কাকা

যশোরের মণিরামপুর উপজেলার ঐতিহ্যবাহী হরিহরনগর বাওড় জোরপূর্বক দখলের চেষ্টা, মাছ লুট এবং বৈধ ইজারাদারদের প্রাণনাশের হুমকি দেওয়া হয়েছে। এই অভিযোগ উঠেছে স্থানীয় কয়েকজনের বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় বৈধ ইজারাদার রনি বিশ্বাস (৩২) গত ১০ জুলাই মণিরামপুর থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন।
অভিযোগে জোকা গ্রামের তাহের হোসেন (৪৫), সিরাজ (৪০) এবং অজ্ঞাতনামা আরও কয়েকজনকে দোষী করা হয়েছে।
লিখিত অভিযোগে বলা হয়েছে, ভূমি মন্ত্রণালয় ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের নিয়ম অনুসারে ঝাঁপা মৎস্যজীবী সমবায় সমিতি লিমিটেডের মাধ্যমে ১৪৩১ বঙ্গাব্দের ১লা বৈশাখ থেকে ১৪৩৬ বঙ্গাব্দ পর্যন্ত ছয় বছরের জন্য হরিহরনগর বাওড়ের ইজারা গ্রহণ করেন রনি বিশ্বাস ও তাঁর অংশীদাররা। এরপর থেকে তারা বাওড়টি পরিচালনা করে আসছেন।
অভিযুক্তরা দীর্ঘদিন ধরে বেআইনিভাবে বাওড়ে জাল ফেলে মাছ ধরে থাকেন। সর্বশেষ গত ৯ জুলাই দুপুর ২টার দিকে ধারালো অস্ত্র নিয়ে একদল ব্যক্তি বাওড়ে প্রবেশ করে মাছ ধরা শুরু করেন। এ সময় বৈধ ইজারাদার রনি বিশ্বাস, তাঁর অংশীদার সোহরাব হোসেন, কামাল হোসেন ও সেখানে থাকা শ্রমিকরা বাধা দিলে অভিযুক্তরা তাদের প্রাণনাশের হুমকি দেন এবং ধারালো অস্ত্র নিয়ে তেড়ে আসেন। অভিযোগে এসব উল্লেখ করা হয়েছে।
এ অবস্থায় ইজারাদার ও শ্রমিকরা নিরাপত্তার স্বার্থে সরে গেলে অভিযুক্তরা বাওড় থেকে লক্ষাধিক টাকার মাছ নিয়ে যান বলে অভিযোগে বলা হয়েছে।
ভুক্তভোগীদের দাবি, ঘটনার পর থেকে শ্রমিক ও ইজারাদাররা আতঙ্কে বাওড়ে যেতে পারছেন না। এতে বাওড়ের নিরাপত্তা ও মাছ চাষ কার্যক্রম ব্যাহত হচ্ছে।
রনি বিশ্বাস দ্রুত অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ, সরকারি জলমহালের নিরাপত্তা নিশ্চিত ও দোষীকে বিচারের আওতায় আনার দাবি জানান।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category

Devoloped By WOOHOSTBD