• বুধবার, ২৯ এপ্রিল ২০২৬, ১২:২১ অপরাহ্ন
শিরোনাম:
রামেকে পুলিশ, নার্স হাতাহাতি বটিয়াঘাটা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে দীর্ঘ ১১ বছর পর অ্যাপেন্ডিক্স এর অপারেশন, জনমনে স্বস্তি কালিয়াকৈরে ট্রাক উদ্ধার, ৫৯০ বস্তা চাউল সহ আটক -২ মুষলধারে বৃষ্টির কারণে নিকলীতে ১ ঘণ্টা বিলম্বে এসএসসি ও দাখিল পরীক্ষা অনুষ্ঠিত কুয়াকাটায় ইয়াবাসহ ৩ মাদক কারবারি কে গ্রেফতার করেছে ডিবি পুলিশের একটি টীম । কালিয়াকৈরে স্ত্রীর করা নির্যাতন মামলায় আবু তালহা আটক তথ্যমন্ত্রীর সাথে সোমালিয়ার দারু সালাম বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসি ড. মিজানের সৌজন্য সাক্ষাৎ হবিগঞ্জ ব্যাটালিয়ন (৫৫ বিজিবি) কর্তৃক সীমান্তবর্তী জনসাধারনের মাঝে বিনামূল্যে চক্ষু চিকিৎসা ও ঔষুধ বিতরণ বিশ্ব ধরিত্রী দিবস উপলক্ষে সরকারি শাহ সুলতান কলেজে ‘তীর’-এর আহ্বায়ক কমিটি ঘোষণা বটিয়াঘাটায় জলবায়ু পরিবর্তন ও দুর্যোগ প্রস্তুতি মেলা-২০২৬ অনুষ্ঠিত

রামেকে পুলিশ, নার্স হাতাহাতি

Muntu Rahman / ৯ Time View
Update : বুধবার, ২৯ এপ্রিল, ২০২৬

মো: গোলাম কিবরিয়া

রাজশাহী জেলা প্রতিনিধি

রাজশাহী মেডিকেল কলেজ (রামেক) হাসপাতালে রোগীর মৃত্যুকে কেন্দ্র করে এক সিনিয়র স্টাফ নার্স ও এক পুলিশ কনস্টেবলের মধ্যে হাতাহাতির ঘটনা ঘটেছে। হাসপাতালের ৩১ নম্বর ওয়ার্ডের অর্থোসার্জারি ইউনিট-২ -এর ডেন্টাল ইউনিটে এ ঘটনা ঘটে ।

জানা গেছে, নগরের শাহমখদুম থানায় কর্মরত পুলিশ কনস্টেবল আমিনুল ইসলাম তাঁর মা নূরেসা বেগমকে দাঁতের সমস্যাজনিত কারণে হাসপাতালে ভর্তি করেন। তবে চিকিৎসা শুরু হওয়ার আগেই তাঁর মৃত্যু হয়। এ ঘটনায় চিকিৎসায় অবহেলার অভিযোগ তোলেন আমিনুল ইসলাম। যদিও অভিযুক্ত ব্রাদার রাকিব আহম্মেদ অভিযোগ অস্বীকার করেছেন।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, রোগীর মৃত্যুর পর চিকিৎসা নিয়ে কথা কাটাকাটির একপর্যায়ে কনস্টেবল আমিনুল ও ব্রাদার রাকিবের মধ্যে হাতাহাতি শুরু হয়। পরে অন্যান্য নার্স ও স্টাফরা এসে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে নেন এবং আমিনুল ইসলামকে আটকে রাখা হয়। খবর পেয়ে হাসপাতালের পুলিশ বক্স থেকে সদস্যরা এসে তাকে নিয়ে যান। পরবর্তীতে ঊর্ধ্বতন পুলিশ কর্মকর্তা ও হাসপাতাল পরিচালকের উপস্থিতিতে আলোচনার মাধ্যমে বিষয়টি মীমাংসা করা হয়। মধ্যরাতে তিনি মায়ের মরদেহ নিয়ে বাড়ি ফিরে যান।

ঘটনার বিষয়ে কনস্টেবল আমিনুল ইসলাম বলেন, মায়ের চোয়াল বসে গিয়ে মুখ বেঁকে যাওয়ার পর তিনি জরুরি বিভাগে নেন। সেখান থেকে অপারেশন থিয়েটার হয়ে ৩১ নম্বর ওয়ার্ডে পাঠানো হয়। তিনি দাবি করেন, দায়িত্বরত কেউই প্রাথমিক সহায়তা দিতে রাজি হননি, যা নিয়ে উত্তেজনার সৃষ্টি হয়।

অন্যদিকে ব্রাদার রাকিব আহম্মেদ বলেন, রোগীকে আনার সময়ই তাঁর শারীরিক অবস্থা সংকটাপন্ন ছিল এবং তিনি কোনো সাড়া পাচ্ছিলেন না। বিষয়টি জানানোর পরই কনস্টেবল আমিনুল তার ওপর শারীরিকভাবে হামলা করেন বলে অভিযোগ করেন তিনি।

প্রত্যক্ষদর্শী সূত্রে আরও জানা যায়, ঘটনার পর হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ মামলা করার কথা বিবেচনা করলেও পরে সমঝোতার মাধ্যমে পরিস্থিতি শান্ত করা হয়। তবে এ ঘটনায় মঙ্গলবার রাকিব আহম্মেদ নগর পুলিশ কমিশনারের কাছে লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন।

শাহমখদুম থানার ওসি কবির হোসেন বলেন, মায়ের মৃত্যুর ঘটনায় উত্তেজনা থেকে হাতাহাতির ঘটনা ঘটেছে। এ ধরনের আচরণ অনাকাঙ্ক্ষিত। যেহেতু সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি পুলিশ সদস্য, তাই তার বিরুদ্ধে বিভাগীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category

Devoloped By WOOHOSTBD