• বুধবার, ০৮ এপ্রিল ২০২৬, ০৪:৩৭ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম:
বটিয়াঘাটায় ৬ একর জমির তরমুজ বিনষ্ট করেছে দূর্বৃত্তরা রাবির সাবেক উপাচার্য নিয়োগ নিয়ে বিতর্ক বীরগঞ্জে শ্রেষ্ঠ মাদ্রাসা প্রধান সম্মাননা পেলেন মাওলানা হযরত আলী রাজনীতির নামে মানুষে মানুষে প্রতিহিংসার আগুন জ্বলছে: জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে ইসলামী সমাজের আমীর ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের ৪৯,নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর পদপ্রার্থী তরুণ সমাজসেবক ও আমজনতার প্রতীক -মোঃ মোসারফ হোসেন নারায়ণগঞ্জের আড়াইহাজার থানা পুলিশ কর্তৃক ২২ কেজি গাঁজাসহ ২ জন মাদক কারবারি গ্রেফতার ঢাকা সিলেট ও চট্টগ্রাম মহাসড়কের কাঁচপুর সেতুর সোনারগাঁও অংশে অবৈধ উচ্ছেদ অভিযান জগন্নাথপুরে সাপ্তাহিক আজকের জনকথা’র উদ্যোগে ঈদ পূর্নমিলনী অনুষ্ঠিত আওয়ামীলীগের পরিত্যক্ত ভবনে সাইন বোর্ড নারায়ণগঞ্জ সদরে অনিয়মের বিরুদ্ধে নিন্মমানের স্বাস্থ্যসেবা অভিযানে ৫ লাখ টাকা জরিমানা

রাবির সাবেক উপাচার্য নিয়োগ নিয়ে বিতর্ক

Muntu Rahman / ৯ Time View
Update : মঙ্গলবার, ৭ এপ্রিল, ২০২৬

মো: গোলাম কিবরিয়া

রাজশাহী জেলা প্রতিনিধি

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে (রাবি) অন্তর্বর্তী সরকার আমলের উপাচার্য অধ্যাপক সালেহ হাসান নকীবের নিয়োগ প্রক্রিয়া নিয়ে বিস্তর প্রশ্ন উঠেছে। ছাত্রদলের অভিযোগ, জামায়াতীকরণ করতেই শিবির ক্যাডারদের নিয়োগ দিয়েছে গত প্রশাসন। যদিও অভিযোগ উড়িয়ে দিয়েছেন অধ্যাপক সালেহ হাসান নকীব।

এদিকে কর্মচারী নিয়োগ প্রক্রিয়ার তথ্য চেয়ে নতুন উপাচার্য অধ্যাপক ফরিদুল ইসলাম জানিয়েছেন, দৈনিক মজুরি ভিত্তিক দুই শতাধিক কর্মচারী নিয়োগ পেয়েছে বলে জেনেছি।

কোন প্রক্রিয়ায় তাদের এই নিয়োগ হয়েছে সেই তথ্য চেয়েছি।
তথ্যগুলো উন্মুক্ত থাকা দরকার। তা ছাড়া ফটোকার্ড ব্যবহার করে কিছু অপতথ্য ছড়ানো হচ্ছে। আমি কিছু কথা ভিসি হওয়ার আগে বলেছিলাম সেগুলো এখন সামনে আনা হচ্ছে।

এগুলো অপতথ্য। জানা গেছে, গত দেড় বছরে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক নিয়োগ হয়েছে ১৫৪ জন। বিশ্ববিদ্যালয়ের মেডিকেল সেন্টারে অ্যাডহক ভিত্তিতে পাঁচজন ডাক্তার ও আইসিটি সেন্টারে দুজন প্রোগ্রামার নিয়োগ পেয়েছেন। দৈনিক ৭৫০ টাকা মজুরি ভিত্তিক তৃতীয় ও চতুর্থ শ্রেণির দুই শতাধিক কর্মচারী নিয়োগ পেয়েছেন।
এ ব্যাপারে বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রদলের সভাপতি সুলতান আহমেদ রাহী বলেন, বিগত সময়ে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়সহ অন্যান্য বিশ্ববিদ্যালয়ও জামায়াতীকরণ করা হয়েছে এবং শিবিরের চিহ্নিত ক্যাডারদের নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। এতে মেধাবীরা বঞ্চিত হয়েছে। ফলে জামায়াত-শিবিরের কিছু ছাড়া বিশ্ববিদ্যালয় পরিবারের সবাই নতুন উপাচার্যের কাছে এসব নিয়োগের স্বচ্ছতা নিয়ে তদন্তের দাবি তুলেছেন। আমরাও তদন্তের দাবি করছি। অন্যদিকে সাবেক উপাচার্য অধ্যাপক নকীব বলেন, শিক্ষক নিয়োগে কোনো অনিয়ম হয়নি।
এ সময় বিএনপি-জামায়াতসহ অনেকের নানা তদবির ছিল, কিন্তু সেগুলো আমরা পাত্তা দেইনি। যদি কোনো অনিয়ম থাকে তদন্ত সাপেক্ষে বের করা হোক।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category

Devoloped By WOOHOSTBD