কুষ্টিয়া দৌলতপুরে উপজেলার খাদ্য গুদামের ইনচার্জ সেলিম রেজার বিরুদ্ধে অপপ্রচারের অভিযোগ উঠেছে।
এ বিষয়ে সেলিম রেজা বলেন উপজেলার ১৪ ইউনিয়নে প্রায় ২০ হাজারের অধিক কার্ডধারীদের মাঝে ঈদুল আযহা উপলক্ষে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের অধীনে প্রতি কার্ডধারী অসহায় পরিবারকে ১০ কেজি করে চাল দেওয়া হয়। কিন্তু দৌলতপুর উপজেলা খাদ্য গুদাম থেকে রিফায়েতপুর ইউনিয়নে ৫০ কেজি’র ৩৫৫ বস্তা চাল যায়, সেই ৩৫৫ বস্তার মাঝে কিছু বস্তায় চাল কম যাওয়ার কারনে সাথে সাথে রিফায়েতপুর ইউনিয়নের প্যানেল চেয়ারম্যান মিজানুর রহমান বকুল আমাকে ফোন দেয় এবং অভিযোগ করে কিছু বস্তায় চাল কম এসেছে সাথে সাথে আমি রিফায়েতপুর পরিষদে গিয়ে তদন্ত করে ওজনে কম বস্তাগুলো ফিরত নিয়ে চলে আসি এবং পূনরায় ৫০ কেজি ওজনের বস্তা পাঠিয়ে দেই।আমার বস্তা কাটা এবং ছেড়া থাকার কারনে এই বস্তাগুলোতে চাল কম হয়েছে।
এ বিষয়ে রিফায়েতপুর ইউনিয়নের প্যানেল চেয়ারম্যান মিজানুর রহমান বকুল বলেন, ঈদুল আযহা উপলক্ষে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের অধীনে প্রতি কার্ডধারী ১০ কেজি করে চাল পায়। আমি ও আমার ইউনিয়নের ১৮ শত ৫ জন কাডধারির জন্য ৩৫৫ বস্তা চাল পায়। পরে বস্তা ওজন করে কিছু বস্তায় চাল কম পায়, সে সময় কিছু সাংবাদিক উপস্থিত ছিলেন। পরে বিষয়টি আমি ওসি এলএসডি সেলিম রেজাকে জানালে তিনি সাথে সাথে পরিষদে এসে বস্তা ওজন দিয়ে কম চাল থাকা বস্তা গুলো ফিরিয়ে নিয়ে আমাকে ৫০ কেজি ওজনের বস্তা দেয়। আমরা সেই চাল সাধারণ মানুষের মাঝে বিতরণ করেছি।
এদিকে রিফায়েতপুর ইউনিয়নের অনেক কার্ডধারি সুবিধাভোগীদের কাছে খোঁজ নিয়ে জানা যায় তার তাদের পরিমান মত চাল পেয়েছে।
Devoloped By WOOHOSTBD