সুনামগঞ্জের তাহিরপুর উপজেলার উত্তরশ্রীপুর ইউনিয়নে পাটলাই নদীতে চাদাঁ তোলাকে কেন্দ্র করে বিএনপির দু”গ্রুপের সংঘর্ষে উভয়পক্ষের ২০ জন আহত হয়েছেন। আজ সোমবার সকালে এই সংঘর্ষের ঘটনাটি ঘটে।
স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা যায়,উত্তরশ্রীপুর ইউনিয়নের বালিয়াঘাটা গ্রামের মৃত সফর আলীর ছেলে উত্তরশ্রীপুর ইউনিয়ন বিএনপি নেতা উমর আলী ও তার ছেলে সাইকুল ইসলাম,হাবিবুল ইসলাম,আলী ইসলাম ও ভাতিজা তোফাজ্জুল হোসেন গংদের নেতৃত্বে পাটলাই নদীতে অবৈধভাবে চাদাঁ আদায় করতে গেলে প্রতিপক্ষ একই গ্রামের উত্তরশ্রীপুর ইউপি সদস্য মোঃ আমির হোসেনের লোকজন বাধাঁ দিলে প্রথমে কথা কাটাকাটি হয়। এর এক পর্যায়ে উভয়পক্ষের লোকজন দেশীয় অস্ত্র নিয়ে সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়েন। এতে উভয়পক্ষের ২০ জন আহত হন।
এরমধ্যে উমর আলীর লোকজনের ঝাঁটার গাই আমির আলী মেম্বারের পক্ষে ৯জন আহত হন। আহতরা হলেন মোঃ আমির আলী মেম্বার,অজিত মিয়া,মানিক মিয়া,জসিম উদ্দিন,রবিন মিয়াসহযোগি আরো কয়েকজন। এদের সবাইকে তাহিরপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্রে ভর্তি করা হয়। এরমধ্যে রবিন মিয়ার অবস্থা গুরুতর হওয়ায় তাকে প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে দ্রæত সিলেট এম এ জি ওসমানী মেডিকেলে পাঠানো হযেছে।
অপরদিকে উমর আলীর পক্ষে আক্কেল আলী,তারাব আলী,সেলিম উদ্দিন,রুকন মিয়া ও ফারুক মিয়া। খবর পেয়ে তাহিরপুর থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রনে আনে।
এ ব্যাপারে একপক্ষের উমর আলী জানান,আমাদর বালিয়াঘাটা গ্রামের আমির আলী মেম্বার গংরা আমাদেরকে অকখ্য ভাষায় গালিগালাজ করলে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। এতে আমাদের পক্ষের বেশ কয়েকজন আহত হয়েছেন।
প্রতিপক্ষ আমীর আলী মেম্বার জানান উমর আলী,তার ছেলে ও ভাতিজারা স্থানীয়ভাবে প্রভাবশালী হওয়াতে প্রতিদিন পাটলাই নদীতে চাঁদা তুলতে গেলে আমি বাধাঁ প্রদান করায় তারা দাড়াঁলো অস্ত্র নিয়ে আমাদের দোকানপাঠ ও বাড়িঘরে হামলা চালিয়ে ব্যাপক ক্ষতি করে এবং আমাদের পক্ষের বেশ কয়েকজন গুরুতর আহত হয়েছেন এরমধ্যে রবিন মিয়ার অবস্থা গুরুতর হওয়ায় তাকে সিলেটে উন্নত চিকিৎসার জন্য পাঠানো হয়েছে।
এ ব্যাপারে তাহিরপুর থানার অফিসার ইনচার্জ(ওসি) মোঃ দিলোয়ার হোসেন ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান অভিযোগ পেলে তদন্ত সাপেক্ষে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
Devoloped By WOOHOSTBD