কুষ্টিয়ার ভেড়ামারা উপজেলার ধরমপুর ইউনিয়ন এর সাতবাড়িয়ায় আরিফ কর্তৃক তারা বানু কে পূর্ব শত্রুতার জেরে শ্লীলতাহানির প্রতিবাদে তার মেয়ে মোছাঃ মর্জিনা খাতুন ভেড়ামারা অনলাইন প্রেসক্লাবে সংবাদ সম্মেলন করেন এবং দোষীদের বিচার দাবী করেন।
এবিষয়ে ভেড়ামারা থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের হয়েছে। অভিযোগ নিম্নরূপ –
আমি মোছাঃ তারা বানু খাতুন (৬৪), পিতা-মৃত রহমত বিশ্বাস, স্বামী-মোঃ রমজান, সাং-সাতবাড়ীয়া (মইরুদ্দিন মোড়), ইউপি-ধরমপুর, থানা-ভেড়ামারা, জেলা-কুষ্টিয়া অত্র থানায় হাজির হয়ে বিবাদী-মোঃ আরিফ (৪০), পিতা-মৃত মোতালেব, সাং-সাতবাড়ীয়া (মইরুদ্দিন মোড়), ইউপি-ধরমপুর, থানা-ভেড়ামারা, জেলা-কুষ্টিয়ার বিরূদ্ধে এই মর্মে লিখিতভাবে অভিযোগ দায়ের করছি যে, উক্ত বিবাদীর সাথে পূর্ব হতেই আমার জমি-জমা সংক্রান্তে ও যেকোন বিষয়াদী নিয়ে পূর্ব বিরোধ রয়েছে। এরই সূত্রে বিবাদী আমার সাথে অহেতুক হিংসামূলক আচরন করা সহ আমাকে নোংরা কু-প্রস্তাব দিয়ে প্রায়শই অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ প্রদান করতঃ মারধর করে হুমকি ধামকি দিয়ে আসছে। বিয়ষটি নিয়ে আমার পরিবার হতে বারংবার
স্থানীয়ভাবে সমাধানের চেষ্টা করলেও বিবাদী কাহারো কথার কর্নপাত না করে আমাকে এহেন হাল-অত্যাচার করে আসছে। এরই জেরে, গত ইং-১২-০২-২০২৬ তারিখ বিকাল অনুমান ০৬:১০ ঘটিকায় আমার বাড়ি সংলগ্ন লিচু বাগানের ভেতরে দিয়ে বাড়ি ফেরার পথে আমি পৌছালে পূর্ব হতেই থাকা উক্ত বিবাদী আমাকে দেখতে পেয়ে পেছন দিক হতে জোর পূর্বক আমার মুখ চেপে ধরে নোংরা উদ্দেশ্যে আমার পরিহিত শাড়ি, ব্লাউজ টান দিয়ে ছিড়ে ফেলায়ে আমার শ্লীলতাহানী করে। আমি সুযোগ পেয়ে ডাক চিৎকার শুরু করলে বিবাদী আমাকে গাছের ডাল দিয়ে এলোপাথাড়ি মারপিট দিয়ে আমার পিঠে, বুকে সহ শরীরের বিভিন্ন স্থানে নিলাফোলা জখম করে। উক্ত বিবাদীর এহেন আচরনে স্থানীয় প্রতিবেশিরা এগিয়ে আসলে বিবাদী দৌড়ে চলে যায়। বিবাদী ফিরে এসে ধারালো হাসুয়া নিয়ে স্থানীয় লোকজনের সামনে আমাকে হত্যার উদ্দেশ্যে প্রানে মেরে ফেলা সহ নানা প্রকারের ভয়-ভীতি দেখিয়ে থাকে।
তারা খাতুন এর কন্যাসহ তার পরিবার উক্ত ঘটনার তদন্ত সাপেক্ষ সুষ্ঠু নিরপেক্ষ বিচারের দাবী জানান।
Devoloped By WOOHOSTBD