• সোমবার, ০৪ মে ২০২৬, ০৪:৩৯ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম:
জগন্নাথপুর উপজেলা চেয়ারম্যান প্রার্থী হিসেবে আলোচনায় মহিউদ্দিন বাবলু পাকুন্দিয়ায় ফেসবুকে ‘জয় বাংলা-জয় বঙ্গবন্ধু’ পোস্ট দেওয়ায় ছাত্রদল নেতা বহিষ্কার চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদর হাসপাতালে রুগীদের সহায়তায় স্বপ্নের বিভিন্ন সামগ্রী প্রদাণ চাঁপাইনবাবগঞ্জে ২৭ বোতল ভারতীয় মদ জব্দ করল ৫৩ বিজিবি কালিয়াকৈরে এক ড্রাম কালো পানিতে সকাল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত মুরগি ড্রেসিং, মানুষ ক্যান্সার জীবাণুর ঝুঁকিতে কালিয়াকৈরে রেলওয়ে জমি দখল করে পুনরায় অবৈধভাবে ঘর নির্মাণের অভিযোগ উঠেছে নোয়াখালীতে ১১ দলীয় জোটের গণমিছিল: জুলাই সনদ বাস্তবায়নের দাবি— নারায়ণগঞ্জ শিল্প কলা একাডেমিতে জেলা প্রশাসকের র‍্যালি ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয় মহাসড়কে ডাকাতি ছিনতাই নির্মূলের পরে চলযাই মাদকের বিরুদ্ধে যুদ্ধে ওসি বদলী পরিত্যক্ত অবস্থায় শীতলক্ষ্যা নদীর পাশে বিপুলসংখ্যক অস্ত্র তৈরির সরঞ্জাম ও ৬ শুটারগান উদ্ধার করেছে নারায়ণগঞ্জ র‍্যাব – ১১

বহুল আলোচিত জয়পুরহাটের বুলু মিয়া হত্যা মামলায় বিজ্ঞ আদালতের রায়ে তিন জনের যাবজ্জীবন কারাদণ্ড

Muntu Rahman / ২৭৭ Time View
Update : বুধবার, ১৫ মে, ২০২৪

রুহুল আমীন খন্দকার, বিশেষ প্রতিনিধি ::

বহুল আলোচিত জয়পুরহাট শহরের দস্তপুর গ্রামে পূর্ব শত্রুতার জেরে কৃষক বুলু মিয়া (৪০) হত্যা মামলায় দীর্ঘ শুনানি শেষে বিজ্ঞ আদালতের রায়ে ৩ জনের যাবজ্জীবন কারাদণ্ডের আদেশ। একই সঙ্গে তাদের প্রত্যেককে ৫০ হাজার টাকা করে জরিমানা করা হয়েছে। বুধবার (১৫ মে, ২০২৪ ইং) দুপুরে জয়পুরহাটের অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ আদালত-২ এর ভারপ্রাপ্ত বিচারক নুরুল ইসলাম আসামিদের উপস্থিতিতে এই রায়টি দেন।

দন্ডপ্রাপ্ত আসামীরা হলো যথাক্রমে, ১/ জয়পুরহাট সদর উপজেলার দস্তপুর গ্রামের বাসিন্দা মৃত শামসুদ্দিনের ছেলে বাচ্চু মিয়া, ২/ গণিরাজের ছেলে এমরান আলী ওরফে নুহ, ৩/ আউশগাড়া গ্রামের মোকছেদ আলীর ছেলে বাবু মিয়া।

মামলার বিবরণে জানা যায়, ঘটনার প্রায় ২০ বছর পুর্বে জয়পুরহাট সদর উপজেলার দাদড়া গ্রামের বুলু মিয়া (৪০) একই উপজেলার দস্তপুর গ্রামের তাহেরা বেগম কে বিয়ে করে সেখানেই ঘরজামাই হিসেবে বসবাস করত। ২০০৫ সালের ৩ এপ্রিল রাত সাড়ে সাতটার দিকে বুলু মিয়া একটি বাঁশের লাঠি নিয়ে বাড়ি থেকে বের হয়ে আর ফেরেন নি। পরদিন ৪ এপ্রিল সকালে দস্তপুর গ্রামের আমজাদ রাজের বাড়ি থেকে দুইশ গজ দুরে আমজাদের  বায়ো গ্যাস তৈরীর ট্যাংকিতে রক্তের দাগ দেখতে পান স্থানীয়রা।

খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌছে  ট্যাংকির ভিতর থেকে রক্তাত্ব অবস্থায় বুলু মিয়ার গলা কাটা মরদেহ উদ্ধার করে।  ওই ঘটনায় নিহতের ভাই নজরুল ইসলাম বাদী হয়ে ২০০৫ সালের ৪ এপ্রিল তিন জনের নাম উল্লেখ করে জয়পুরহাট সদর থানায় মামলা রুজু করেন। দীর্ঘ শুনানি শেষে আদালতের বিচারক আসামিদের উপস্থিতিতে এই রায়টি দেন।

উক্ত মামলায় সরকারি পক্ষের কৌঁসুলি (আইনজীবী) ছিলেন এডভোকেট নৃপেন্দ্রনাথ মন্ডল পিপি ও উদয় সিংহ এপিপি । আর আসামী পক্ষের আইনজীবী ছিলেন এডভোকেট নন্দকিশোর আগরওয়ালা।

গণমাধ্যম কর্মীদের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন জয়পুরহাট জেলা জজ আদালতের সরকারি কৌঁসুলি (অ্যাডভোকেট) নৃপেন্দ্রনাথ মণ্ডল।

RUHUL AMIN, DHAKA- 15/05/2024 🇧🇩


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category

Devoloped By WOOHOSTBD