• রবিবার, ২৬ এপ্রিল ২০২৬, ১২:৫৭ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম:
সাংবাদিকদের পেশাগত মানউন্নয়নে প্রশিক্ষণ কর্মশালা অনুষ্ঠিত বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্রের কোটি কোটি টাকার অনুদান ও শ্রমিকের প্রতি অবজ্ঞা তদন্তের দাবি ড. আসিফ মিজানের র‍্যাব ও বিজিবির যৌথ চিরুনি অভিযানে বিপুল পরিমান অবৈধ যৌন উত্তেজক সিরাপ উদ্ধার তাহিরপুর রূপের রানী’খ্যাত জাদুকাটা নদী এখন নৌপথের এক ভয়াবহ চাঁদাবাজির করিডোরে পরিণত হয়েছে। প্রায় ২০ বছর আগে যেখানে নদীটির প্রস্থ ছিল মাত্র ৫৭ রাজশাহীতে কাটা হল ৩০ কাঠবাদাম গাছ গজারিয়ায় বিভিন্ন স্থানে নতুনভাবে প্রস্তুত চুনাপাথর কারখানা কটিয়াদী মডেল থানায় ‘ওপেন হাউজ ডে’তে অতিথিদের আপ্যায়নকে কেন্দ্র করে ফেসবুকে বিভ্রান্তিমূলক পোস্ট রাজশাহীতে তীব্র লোডশেডিংয়ে অতিষ্ঠ জনজীবন জাতিসংঘ শান্তি মিশন পুরস্কারসহ অসংখ্য ব‌ইয়ের লেখক মিজানুর রহমান এখন কিশোরগঞ্জের নতুন এসপি রাজশাহী থেকে সকল বাস চলাচল বন্ধ

নড়াইলের ‘গরুর ডাক্তার’ মলয় মিত্র দায়িত্ব নয়,দাপটেই ব্যস্ত।

Muntu Rahman / ৬১১ Time View
Update : রবিবার, ২০ জুলাই, ২০২৫

সৈয়দ রুবেল নড়াইল :

নড়াইল সদর উপজেলার প্রাণিসম্পদ অফিসে কর্মরত এ.আই.টেকনিশিয়ান মলয় মিত্রের বিরুদ্ধে একের পর এক অভিযোগ উঠছে। সরকারি দায়িত্বে থেকেও দায়িত্ববোধের চেয়ে ‘দাপট’ যেনই তার প্রধান পরিচয় হয়ে দাঁড়িয়েছে। দুর্ব্যবহার, সময়মতো সেবা না দেওয়া, অতিরিক্ত অর্থ আদায়সহ নানা অভিযোগে অতিষ্ঠ খামারিরা এখন প্রতিবাদের ভাষা খুঁজছেন।

স্থানীয় কৃষকরা বলছেন, সরকারি কর্মকর্তা হয়েও মলয় মিত্রের কথাবার্তা, আচরণ ও সেবাদানের ধরন একজন বেসরকারি ‘দাম্ভিক ডাক্তার’-এর মতো। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক খামারি জানান, “গরু গরমকাল এলে বারবার ফোন দিয়েছি, ধরেননি। পরে একজন চেয়ারম্যান সাহেবের রেফারেন্সে গেলে সাড়া দেন, আর সঙ্গে সঙ্গেই টাকা চেয়ে বসেন!”

অভিযোগ রয়েছে, যেসব সেবা সরকারের পক্ষ থেকে বিনামূল্যে দেওয়ার কথা, সেগুলোর পেছনেও ‘আনঅফিশিয়াল ফি’ গুনতে হয়। নির্ধারিত সময়ের বাইরে আসা, গরুর প্রজনন সেবায় গড়িমসি করা ও দরিদ্র খামারিদের অবহেলা করাই হয়ে উঠেছে তার নিত্যদিনের আচরণ।

অভিযোগের বিষয়ে এ.আই. টেকনিশিয়ান মলয় মিত্রের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলে তিনি ফোন রিসিভ করলেও সাংবাদিক পরিচয় জানার পর ফোন কেটে দেন। পরে একাধিকবার ফোন দিলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি ফলে এ বিষয়ে তাঁর কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে নড়াইল সদর উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা দেবাশীষ কুমার কুন্ডু  বলেন, ’‘এখনো লিখিত কিছু না পেলেও, বিষয়টি আমরা গুরুত্বের সঙ্গে খতিয়ে দেখছি। সরকারি সেবায় কারো অবহেলা থাকলে প্রয়োজনীয় বিভাগীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”

এদিকে সরকার যেখানে কৃষি ও প্রাণিসম্পদ খাতকে প্রাধান্য দিয়ে কোটি কোটি টাকা বিনিয়োগ করছে, সেখানে একজন দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তার এহেন অবহেলা ও হয়রানি জনসেবার সঙ্গে সরাসরি বিশ্বাসঘাতকতা বলে মনে করছে সচেতন মহল। তারা প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তর ও জেলা প্রশাসনের কাছে দ্রুত তদন্ত ও কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণের জোর দাবি জানিয়েছে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category

Devoloped By WOOHOSTBD