কুষ্টিয়া দৌলতপুরে উপজেলার হাকিমপুর গ্রামের আলতাফ হোসেন তার নিজের বাড়িতে আগুন দিয়ে প্রতিপক্ষকে ফাঁসানোর চেষ্টা করছে বলে অভিযোগ উঠেছে।
আগুন লাগা বাড়ির মালিক আলতাফ হোসেন এ বিষয় দৌলতপুর থানায় একটি লিখিত অভিযোগ করেছে তিনি অভিযোগে উল্লেখ করেছেন গত ৩১ আগস্ট রাত অনুমানিক ১১ টার পরে তার বাড়র পাশে, আনারুল ইসলাম, আশরাফ আলী ও সালমান নামের তিন জনকে দাড়িয়ে থাকতে দেখেন। এবং রাত অনুমানিক ২টার দিকে তার বাড়িতে একটি ঘরে আগুন লেগে যায়। আগুন লাগার পরে আগুনে পাটকাটির বেড়া পুড়তে থাকলে তিনি সহ তার স্ত্রী জানতে পারে এবং তাদের ডাক চিৎকারে কালু আলী ও খোকন হোসেন নামে দুইজন ছুটে এসে আগুন নিয়ন্ত্রণ আনে। এ সময় আগুনে তার বাড়ির একটি ঘরের বেড়া ও টিন পুড়ে যায়।
এ বিষয়ে অভিযুক্ত আনারুল ইসলাম দাবি করেন, এই ঘটনার সাথে তারা তিন জন কোন ভাবে জড়িত না। তাদের বিরুদ্ধে আনিত অভিযোগ সম্পূর্ণরূপে মিথ্যা। তিনি আরো দাবি করেন প্রায় ছয় মাস আগে আলতাফ হোসেনের সঙ্গে আমাদের একটু মারামারি হয় সেই ঘটনায় আমাদের একজন গুরুতর আহত হলে আলতাফ হোসেনদেরকে আসামি করে আমরা একটি মামলা করেছি। এই মামলা তুলে নেতা নেওয়ার জন্য বিভিন্নভাবে চাপ প্রয়োগ করতে থাকে তার । যখন মামলা আমরা তুলে নেই নাই তাই তারা এ কৌশলটি অবলম্বন করেছে। আমরা ঘটনার সঠিক তদন্ত চাই।
আনারুল ইসলামের অভিযোগের ভিত্তিতে বিষয়টি অনুসন্ধানে গেলে আলতাফ হোসেনের পরিবারের লোকজন ভুল বসতো বলে ফেলেন আমাদের বিরুদ্ধে ওরা ছয় মাস আগে মামলা করেছে তারা মামলা মীমাংসা করছ না , এখন আমাদের বাড়িতে আগুন লেগেছে ওরা ছাড়া তোমাদের শত্রু নেই আমরা ওদের নামে মামলা করব।
এ বিষয়ে আলতাফ হোসেনের এজাহার এর সাক্ষী কালু আলী বলেন, আগুন লাগার ঘটনা আমি কিছুই জানিনা সকালে আমাকে ডেকে নিয়ে গিয়ে দেখানো হয়েছে একটি পাটকাঠির বেড়া পুড়েছে আমি দেখেছি। তবে আমাকে এজাহারে সাক্ষী করা হয়েছে যে আমি আগুনরাতে নিভিয়েছি, না আমি এ ধরনের কোন কাজে অংশগ্রহণ করি নাই। এদিকে খোকন আলী বলেন আমাকে আলতাফ হোসেনের ডেকে নিয়ে যায় গিয়ে রাতেই আমি দেখি আগুন, আলতাফ হোসেনের পরিবারের লোকজন আর আমি আগুন পানি দিয়ে নিয়ন্ত্রণে আনি। তবে কারা ধরিয়েছে এই আগুন আমি জানিনা।
এ বিষয়ে আলতাব হোসেনের প্রতিবেশী মাদ্রাসা শিক্ষক মাওলানা মনসুর আলী বলেন, আলতাফ হোসেন আমার নিকটতম প্রতিবেশী তবে আগুন লেগেছে কিনা আমরা রাতে কিছু জানতে পাইনি সকালে উঠে শুনেছি আগুন লেগেছিল।
বিষয়টির সুষ্ঠু তদন্ত করে আইন ও প্রশাসনের কাছে বিচার দাবি জানিয়েছেন অভিযুক্তরা।
এ বিষয়ে দৌলতপুর থানা পুলিশের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে বিষয়টি তদন্তাধীন আছে আমরা তদন্ত করে ব্যবস্থা গ্রহণ করব।
Devoloped By WOOHOSTBD