• শনিবার, ২৫ এপ্রিল ২০২৬, ১১:৩৯ অপরাহ্ন
শিরোনাম:
সাংবাদিকদের পেশাগত মানউন্নয়নে প্রশিক্ষণ কর্মশালা অনুষ্ঠিত বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্রের কোটি কোটি টাকার অনুদান ও শ্রমিকের প্রতি অবজ্ঞা তদন্তের দাবি ড. আসিফ মিজানের র‍্যাব ও বিজিবির যৌথ চিরুনি অভিযানে বিপুল পরিমান অবৈধ যৌন উত্তেজক সিরাপ উদ্ধার তাহিরপুর রূপের রানী’খ্যাত জাদুকাটা নদী এখন নৌপথের এক ভয়াবহ চাঁদাবাজির করিডোরে পরিণত হয়েছে। প্রায় ২০ বছর আগে যেখানে নদীটির প্রস্থ ছিল মাত্র ৫৭ রাজশাহীতে কাটা হল ৩০ কাঠবাদাম গাছ গজারিয়ায় বিভিন্ন স্থানে নতুনভাবে প্রস্তুত চুনাপাথর কারখানা কটিয়াদী মডেল থানায় ‘ওপেন হাউজ ডে’তে অতিথিদের আপ্যায়নকে কেন্দ্র করে ফেসবুকে বিভ্রান্তিমূলক পোস্ট রাজশাহীতে তীব্র লোডশেডিংয়ে অতিষ্ঠ জনজীবন জাতিসংঘ শান্তি মিশন পুরস্কারসহ অসংখ্য ব‌ইয়ের লেখক মিজানুর রহমান এখন কিশোরগঞ্জের নতুন এসপি রাজশাহী থেকে সকল বাস চলাচল বন্ধ

গাইবান্ধায় মসজিদের দেড় টন চাল আত্মসাতের অভিযোগ বিএনপি নেতার বিরুদ্ধে

Muntu Rahman / ৫৬৯ Time View
Update : বৃহস্পতিবার, ১৯ জুন, ২০২৫

 মিঠু মিয়া গাইবান্ধা থেকে–

গাইবান্ধা পৌর শহরের আদর্শপাড়া জামে মসজিদের রমজান মাসে ইফতার আয়োজনের জন্য বরাদ্দকৃত দেড় টন চাল আত্মসাতের অভিযোগ উঠেছে স্থানীয় এক বিএনপি নেতার বিরুদ্ধে। অভিযুক্ত ব্যক্তি পৌর বিএনপির ৫নং ওয়ার্ড শাখার আহ্বায়ক শরিফুল ইসলাম সেলিম।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, মসজিদ কমিটির পক্ষে জেলা প্রশাসকের কাছে আবেদন করলে প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা (পিআইও) কার্যালয় থেকে রমজান মাসে ইফতার বাবদ (জিআর ফান্ড) থেকে দেড় টন চাল বরাদ্দ দেওয়া হয়। গত ২৭ মার্চ ২০২৫ তারিখে ওই চাল উত্তোলন করেন শরিফুল ইসলাম সেলিম। অভিযোগ উঠেছে, তিনি মসজিদ কমিটির সভাপতি না হয়েও নিজেকে সভাপতি হিসেবে দেখিয়ে জাল স্বাক্ষর করে চাল উত্তোলন করেন। বিষয়টি মসজিদ কমিটি ও স্থানীয় মুসল্লিদের অজানা ছিল।

এ ঘটনায় এলাকায় ব্যাপক প্রতিক্রিয়ার সৃষ্টি হয়েছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একাধিক মুসল্লি বলেন, “শরিফুল ইসলাম সেলিম মসজিদের একজন সাধারণ মুসল্লি। তিনি কীভাবে মসজিদ কমিটির সভাপতি সেজে চাল উত্তোলন করলেন, তা বোধগম্য নয়। এর আগেও তিনি মসজিদের বিভিন্ন বরাদ্দ আত্মসাতে জড়িত ছিলেন বলে শোনা যায়।”

মসজিদ কমিটির সভাপতি আলহাজ ইউসুফ মিয়া বলেন, “চালের বরাদ্দ বা উত্তোলন সম্পর্কে আমি কিছুই জানতাম না। পরে জানতে পারি সেলিম মিয়া নিজের নাম ব্যবহার করে চাল উত্তোলন করেছেন। শুধু তাই নয়, তিনি এলাকায় নানা অনিয়ম ও দুর্নীতিতে জড়িত, কিন্তু তার ভয়ে কেউ কিছু বলতে সাহস পায় না।”

চালের বরাদ্দ ও উত্তোলন বিষয়ে জানতে প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা মো. রিয়াজুল ইসলামের মোবাইলে একাধিকবার ফোন করা হলেও তিনি সাড়া দেননি।

সচেতন মহল অভিযোগ তুলেছে, সরকারি নানা নিয়ম-নীতির পরও কীভাবে এ ধরনের আত্মসাতের ঘটনা ঘটে, তা খতিয়ে দেখা প্রয়োজন। তারা সুষ্ঠু তদন্ত এবং দোষীদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন। পাশাপাশি জেলা প্রশাসকের জরুরি হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category

Devoloped By WOOHOSTBD