যশোরের মনিরামপুর উপজেলার খেদাপাড়ার আনারুল ইসলাম একের পর এক বিতর্কিত কর্মকাণ্ডের জন্ম দিচ্ছে। সে জমি জবর দখল, জমি মালিকের নামে মামলা দিয়ে তাকে মারধোর করেছে বলে গুরুতর অভিযোগ উঠেছে। ঘটনার এখানেই শেষ নয়, এসব ঘটনা কে রাজনৈতিক রূপ দেয়ার অপচেস্টা চালিয়ে যাচ্ছে। অভিযুক্ত আনারুল ইসলাম খেদাপাড়া মোড়লপাড়ার রবিউল ইসলামের ছেলে। স্থানীয়রা আনারুল কে হঠাৎ গজানো পাবলিক আখ্যা দিয়ে তার অন্যায়ের বিচার দাবি করেছেন। ভুক্তভুগি মুজিবর রহমান চিকিৎসা গ্রহণ করছেন।
গত তিন দিন আগে আনারুল তার লোকজন নিয়ে খেদাপাড়ার মৃত আজিমুদ্দিন সর্দারের ছেলে মুজিবুর রহমান কে মারধোর করে। এরপর স্থানীয়রা এগিয়ে এসে মুজিবর কে উদ্ধার করে চিকিৎসা কেন্দ্রে পাঠায়। নিজের জমিতে তারই রোপনকৃত ধান কাটতে গেলে জমি মালিক ভুক্তভুগি মুজিবর রহমান কে মারধোর করা হয়।
এই আনারুল এর আগে জমিটি তার দাবি করে আদালতে একটি মামলা করেছেন। ঐ মামলায় মুজিবরের সাথে তার ভাই হাবিবুর রহমান কেও আসামি করা হয়েছে।
এদিকে মামলায় ২১ শতকের পাঁচ শতক দাবি করা হলেও নোটিসে সাত শতক জমি দাবি করা হয়েছে। ৪৯নং খেদাপাড়া মৌজায় সাবেক ৩২২৫ এবং আর এস ৩২২৭ দাগে জমিটির অবস্থান। মজার বিষয় এই মামলায় আসামি না থাকলেও নোটিসে সোহাগ হোসেনের স্ত্রী ফারজানা কে বিবাদী করা হয়েছে। নোটিসে বলা হয়েছে বিজ্ঞ আদালতের পিটিশন নং ১০০৮/২৫, বিজ্ঞ অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট আদালত যশোর স্মারক নং ২৫৮৫, তারিখ ১৯/০৮/২০২৫।
স্থানীয় পর্যায়ে জানা যায় জমিটির মালিক মুজিবর গঙ। তাদেরই ভোগ দখলে রয়েছে। ঐ জমিতে মুজিবর ধান রোপন করেছিল। ধান কাঁটার দিন সন্ত্রাসী বাহিনী নিয়ে মুজিবর কে অন্যায় ভাবে মারধোর করা হয়েছে। বাস্তবে উল্লেখিত জমির ক্রয় সংক্রান্ত কোন কাগজপত্র মামলার বাদি আনারুলের নেই। তিনি হয়রানি মূলক মামলা করেছেন। আনারুল এখন নিজেকে ক্ষমতাসীন দলের হোতা দাবি করছে। বাস্তবে সে থানা ইউনিয়ন বা ওয়ার্ড পর্যায়ে কোন পদে নেই। কিছু সন্ত্রাসী হাতে নিয়ে এলাকায় ত্রাসের রাজত্ব কায়েম করতে চাচ্ছে। স্থানীয় বিএনপি নেতৃবৃন্দ বলেন আনারুল দলের কেউ নয়।
Devoloped By WOOHOSTBD