• রবিবার, ১২ জুলাই ২০২৬, ১০:২৮ অপরাহ্ন
শিরোনাম:
কালিয়াকৈরে অতি ভারী টানা বৃষ্টি বর্ষণে জলাবদ্ধতা সৃষ্টি,বসতবাড়ি দোকান রাস্তায় পানি বন্ধী বটিয়াঘাটায় প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা মোঃ সেলিম মিয়া’র বিরুদ্ধে ক্ষমতার অপব্যবহার করে অর্থ বাণিজ্যের অভিযোগ, তার খুঁটির জোর কোথায়? কটিয়াদীতে জলাবদ্ধতায় বিপর্যস্ত চান্দপুর হাজীবাড়ি প্রাথমিক বিদ্যালয়: ৯ বছর ধরে নেই প্রধান শিক্ষক তাহিরপুর উপজেলার চরগাঁও গ্রামে স্ত্রীকে শ্বাসরোধে হত্যার অভিযোগে স্বামী আটক, ফাঁসির দাবিতে মানববন্ধন ও বিক্ষোভ। আসন্ন কালিয়াকৈর পৌরসভা নির্বাচন: ৫ নং ওয়ার্ডে কাউন্সিলর পদে সকলের দোয়া সমর্থন প্রত্যাশী আল ইসহাক রাব্বি সীমান্তে ৫৩ বিজিবির অভিযানে বিপুল পরিমাণ ভারতীয় এস্কাফ সিরাপ জব্দ খাস কালেকশনের নামে অতিরিক্ত টাকা আদায়, ক্ষোভে ফুঁসছেন বাদাঘাটের ব্যবসায়ীরা চাঁপাইনবাবগঞ্জ সীমান্তে ৫৩ বিজিবির দুইটি অভিযানে বিপুল পরিমাণ মাদক জব্দ ​ কুষ্টিয়ার ভেড়ামারায় পরকীয়া ও পারিবারিক কলহের জেরে ব্যবসায়ীকে কুপিয়ে জখম, টাকা ছিনতাইয়ের অভিযোগ চাঁচড়ায় মামা ভাগ্নে পরিষদ নিয়ে বিপাকে মানুষ

বটিয়াঘাটায় প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা মোঃ সেলিম মিয়া’র বিরুদ্ধে ক্ষমতার অপব্যবহার করে অর্থ বাণিজ্যের অভিযোগ, তার খুঁটির জোর কোথায়?

Muntu Rahman / ৩ Time View
Update : রবিবার, ১২ জুলাই, ২০২৬

খুলনা জেলা প্রতিনিধিঃ

বটিয়াঘাটা উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তার বিরুদ্ধে ক্ষমতার অপব্যাবহার করে মোটা অংকের অর্থ বাণিজ্যের অভিযোগ উঠেছে । অভিযোগে একাধিক সূত্রে জানা গেছে, বটিয়াঘাটা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা মোঃ সেলিম মিয়া তার দপ্তর থেকে বরাদ্দকৃত সকল উন্নয়ন প্রকল্পের ৩০ পার্সেন্ট টাকা দিতে হচ্ছে প্রকল্প বাস্তবায়ন কমিটিকে । এছাড়াও সকল প্রকল্পের বাস্তবায়ন কমিটির সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকে উক্ত প্রকল্পের মালামাল যেমন, মাটি কাটা ভেকু,বালি সহ অন্যান্য যাবতীয় নির্মাণ সামগ্রীর তার কাছ থেকে নিতে চাপ প্রয়োগ করে বাধ্য করছে । যদি কোন প্রকল্প বাস্তবায়ন কমিটি মালামাল ও উৎকোচের লাখে ৩০ হাজার টাকা দিতে অস্বীকার করলে উক্ত প্রকল্পের বিল ভাউচার বন্ধ করে দেয়ার হুমকি দিচ্ছেন । এছাড়াও তিনি বিভিন্ন সময়ে বিভিন্ন ব্যক্তির সাথে বলেন আমি পাবনার বিএনপি । আমাকে বটিয়াঘাটা বিএনপির কেউ কিছু করার ক্ষমতা রাখে না । অন্যদিকে সম্প্রতি কাজিবাছা নদীর স্রোতের তোড়ে উপজেলা বাজার সংলগ্ন সদরের বেড়ীবাঁধের ভাঙ্গন রোধে সাময়িক ভাবে প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা কাবিখার ৪ টন চাল বরাদ্দ দেন । যার প্রতি টন চালের মূল্য ৩৫ হাজার থেকে ৪০ হাজার টাকা । উক্ত ভাঙ্গনে ০৮ নম্বরের বালু বস্তায় ভরে ভাঙ্গনে ফেলতে হবে । কিন্তু প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা ০৮ নম্বরের বালু বস্তায় না দিয়ে নদীর সাধারণ বালু ব্যবহার করে হোয়াইট ওয়াশ হিসেবে সামান্য কিছু বস্তা ফেলে ভেড়ী দেয়। তাও দিতে না দিতে বালুর বস্তা সরে নদী চলে যাচ্ছে। ওইখানে কাজ শেষে সরকারি নিয়ম অনুযায়ী কাজের বিবরন ও কত টাকা বরাদ্দ সহ একটি সাইনবোর্ড দেওয়ার কথা থাকলেও তার কোনো নমুনা দেখা যায়নি। ওইসব নিয়মের তোয়াক্কা না করে নিজের ইচ্ছা খুশি মতো বিল ভাউচার তৈরি করে মোটা অংকের অর্থ হাতিয়ে নিয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে । এব্যাপারে প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা মোঃ সেলিম মিয়া সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি উক্ত সকল অভিযোগ অস্বীকার করেছেন । এব্যাপারে এলাকাবাসী স্থানীয় সংসদ সদস্য সহ সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছে ।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category

Devoloped By WOOHOSTBD