• বুধবার, ২৪ জুন ২০২৬, ০৩:৩৪ অপরাহ্ন
শিরোনাম:
কাউন্টার নারেটিভ সেল’-এর রাজশাহী বিভাগীয় প্রধান হলেন প্রয়াত এমপির সন্তান ব্যারিস্টার আবু হেনা মোস্তফা কামাল রঞ্জু মৃত্যুর আগে তার ফেসবুক পোষ্ট ছিলো- যার জীবনে দুঃখ ছাড়া কিছু নাই, তাকে দেখায় কষ্টের ভয়।’ ভেড়ামারা সরকারি পাইলট মডেল উচ্চ বিদ্যালয়ের বিএনসিসি প্লাটুন পরিদর্শন ভেড়ামারায় ছাত্রীদের মাঝে সাইকেল বিতরণ প্রশিক্ষণ কর্মশালা ও গুণীজন সংবর্ধনার আমন্ত্রণপত্র প্রদান উপলক্ষে পুলিশ সুপারের সঙ্গে স্বদেশ বিচিত্রা প্রতিনিধিদের সৌজন্য সাক্ষাৎ বাদাঘাটে বিক্ষোভের মধ্যেই অভিযুক্তকে গ্রেফতার করল পুলিশ সাংবাদিক খুনের আস্ফালন: কার ছত্রছায়ায় অভয় পাচ্ছে খুনি মিজান? ​ চট্টগ্রামের লোহাগাড়ায় দুই যাত্রীবাহী বাসের মুখোমুখি সংঘর্ষে সুমাইয়া জান্নাত (১৯) নামে বাঁশখালীর এক কলেজ ছাত্রী নিহত এবং একজন আহত হয়েছে। “র‍্যাব-১১ এর মাদক বিরোধী অভিযানে নারায়ণগঞ্জের বন্দর হতে অবৈধ মাদকদ্রব্য সহ ৪২০ বোতল স্কাফ উদ্ধার কালিয়াকৈরে কাবিটা ও কাবিখার ২ কোটি ৫৬ লাখ টাকার চেক বিতরণ

রাজশাহীতে কাটা হল ৩০ কাঠবাদাম গাছ

Muntu Rahman / ১৭৫ Time View
Update : শুক্রবার, ২৪ এপ্রিল, ২০২৬

মো: গোলাম কিবরিয়া

রাজশাহী জেলা প্রতিনিধি

“ফ্লাইওভার নির্মাণের কারণে সড়কের প্রস্থ কমে যাওয়ায় তা বাড়ানোর জন্য ৩০ টা কাঠ বাদাম গাছগুলো অপসারণ করা হয়েছে।”

রাজশাহী নগরীতে রাস্তা সম্প্রসারণ কাজের অংশ হিসেবে ৩০টি কাঠবাদাম গাছ কেটে ফেলা হয়েছে।

রাজীব চত্বর থেকে কলাবাগান হয়ে ঘোষপাড়া মোড় পর্যন্ত সড়কের এক পাশজুড়ে ছায়া ও প্রশান্তি ছড়ানো গাছগুলো বৃহস্পতিবার থেকে কাটা শুরু হয়। রোববার শেষ তিনটি গাছ কাটার মধ্য দিয়ে এ কাজ শেষ হয়।

জানা গেছে, নগরের সৌন্দর্য বর্ধনের লক্ষ্যে ২০১০ সালের দিকে রাজশাহী সিটি করপোরেশন বিভিন্ন এলাকায় প্রায় ৭০টি কাঠবাদাম গাছ রোপণ করে। দীর্ঘ ১৬ বছরে এসব গাছ বড় হয়ে ছায়া ও ফল দিত। তবে ওই এলাকায় ফ্লাইওভার নির্মাণের পর সড়ক সম্প্রসারণের প্রয়োজন দেখা দেওয়ায় গাছগুলো কেটে ফেলা হয়।

সিটি করপোরেশন থেকে বলা হয়েছে, আরও কিছু গাছও কাটতে হতে পারে।

সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, ২৭টি গাছ ইতোমধ্যে কাটা হয়েছে এবং বাকি তিনটি গাছ কাটার কাজ চলছিল। শ্রমিকরা গাছের গোড়া করাত দিয়ে কাটছেন, আর কাটা গাছের গুঁড়ি রাস্তার পাশে পড়ে আছে।

এ দৃশ্য দেখে অনেক পথচারী ও স্থানীয় বাসিন্দা হতাশা প্রকাশ করেন।

কলাবাগান এলাকার বাসিন্দা তুহিন আলী বলেন, “এ এলাকায় যানবাহনের তেমন চাপ নেই। অপ্রয়োজনীয়ভাবে গাছ কাটা ঠিক হয়নি। কেন এমন সিদ্ধান্ত নেওয়া হলো, তা বুঝতে পারছি না।”

গাছ কাটার কাজে নিয়োজিত শ্রমিকদের সরদার একই এলাকার মো. গাজী বলছিলেন, “আটজন শ্রমিক চারদিন ধরে গাছ কাটার কাজ করছেন। সিটি করপোরেশন থেকে নিলামে কিনে নেওয়া এক ব্যবসায়ী এই গাছগুলো কাটছেন।”

রাজশাহী সিটি করপোরেশনের নির্বাহী প্রকৌশলী (উন্নয়ন) মাহমুদুর রহমান বলেন, “বন বিভাগের প্রাক্কলন অনুযায়ী নিয়ম মেনে গাছগুলো বিক্রি করা হয়েছে। ফ্লাইওভার নির্মাণের কারণে সড়কের প্রস্থ কমে যাওয়ায় তা বাড়ানোর জন্য গাছগুলো অপসারণ করা হয়েছে।”

 

তিনি বলেন, “বর্তমানে সড়কের প্রস্থ সাড়ে তিন মিটারের কম হওয়ায় রাস্তা সম্প্রসারণ ও ড্রেনের ওপর ফুটপাত নির্মাণের কাজ চলছে। পরে সেখানে নতুন গাছ লাগানো হবে।”

তবে উন্নয়নের নামে গাছ কাটার এ সিদ্ধান্তের তীব্র সমালোচনা করেছেন পরিবেশবাদীরা।

রাজশাহীর পরিবেশবাদী ও স্বেচ্ছাসেবী যুব সংগঠন ‘বরেন্দ্র ইয়ুথ ফোরামের’ সভাপতি আতিকুর রহমান বলেন, “নতুন গাছ লাগানোর আশ্বাস দিয়ে পুরোনো গাছ কেটে ফেলা কোনো টেকসই সমাধান নয়।

“গাছ রেখেও উন্নয়ন সম্ভব-এই ভাবনাটি এখনো প্রকৌশলীদের মধ্যে দৃশ্যমান নয়। এ ধরনের সিদ্ধান্ত পরিবেশের জন্য আত্মঘাতী।”


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category

Devoloped By WOOHOSTBD