• বৃহস্পতিবার, ০২ এপ্রিল ২০২৬, ০৩:৪২ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম:
রাজশাহীতে টোকেনে তেল দেয়া হচ্ছে কিশোরগঞ্জে চাঁদা না দেওয়ায় যুবদল নেতাকে তুলে নিয়ে হাত-পা ভাঙলেন বিএনপি নেতা কালিয়াকৈরে ১২হাজার টাকার চাকরি থেকে ১২কোটি টাকার সম্পদ চাঁপাইনবাবগঞ্জে মাদকবিরোধী পথসভা ও লিফলেট বিতরণ চাঁপাইনবাবগঞ্জে স্কুলের চুরি হওয়া ৩টি ৪০ ইঞ্চি স্মার্ট টিভি উদ্ধার, গ্রেফতার ২ চাঁপাইনবাবগঞ্জে ফিলিং স্টেশন পরিদর্শনে  বিএসটিআই কর্মকর্তারা কালিয়াকৈরে ওসির বিরুদ্ধে জব্দ ঘোড়া বিক্রির অভিযোগ, পরে সমালোচনার মুখে নিলামে বিক্রি করল প্রশাসন সংবাদ প্রচারের পরেও থেমে নেই সোনারগাঁয়ে অবৈধভাবে গড়ে ওঠা চুনাপাথর কারখানা তিতাসগ্যাস কর্তৃপক্ষ জড়িত থাকার অভিযোগ নারায়ণগঞ্জে ডেঙ্গু প্রতিরোধ জনসচেতনতা পরিস্কার পরিচ্ছন্নতা উদ্ধোধন করে জেলা প্রশাসক রায়হান কবির কিশোরগঞ্জে স্বাস্থ্য সহকারির বিরুদ্ধে যৌন হয়রানির অভিযোগে তদন্ত কমিটি গঠন

রাজশাহীতে টোকেনে তেল দেয়া হচ্ছে

Muntu Rahman / ১০ Time View
Update : বুধবার, ১ এপ্রিল, ২০২৬

মো: গোলাম কিবরিয়া

রাজশাহী জেলা প্রতিনিধি

রাজশাহীতে গাড়ির কাগজপত্র দেখে টোকেনের মাধ্যমে দেওয়া হচ্ছে জ্বালানি তেল। আজ বুধবার দুপুরে কাটাখালী
জ্বালানি তেলের জন্য দীর্ঘ লাইনের ভোগান্তি কমাতে রাজশাহীতে টোকেন পদ্ধতি চালু করেছে একটি ফিলিং স্টেশন। গাড়ির কাগজপত্র যাচাইয়ের পর সংশ্লিষ্টদের দেওয়া হচ্ছে টোকেন, আর সেটি দেখিয়েই নির্ধারিত সময়ে তেল পাচ্ছেন গ্রাহকেরা। টোকেন ছাড়া সেখানে মিলছে না জ্বালানি। এতে শৃঙ্খলা ফিরেছে পাম্পে, কমেছে ভিড় ও বিশৃঙ্খলা—এমনটিই দাবি ফিলিং স্টেশনটির মালিক–কর্মচারীদের।

রাজশাহীর কাটাখালী পৌরসভায় অবস্থিত ওই প্রতিষ্ঠানের মেসার্স সুহাইল ফিলিং স্টেশন। এটির কর্তৃপক্ষ জানায়, মেট্রোপলিটন এলাকার মোটরসাইকেলচালকদের জন্য হলুদ টোকেনে ৫০০ টাকা এবং মেট্রোপলিটনের বাইরের চালকদের জন্য সাদা টোকেনে ২০০ টাকার তেল দেওয়া হচ্ছে। হলুদ টোকেনে তেল নিলে পাম্পটি থেকে পাঁচ দিন পর আবার তেল পাবেন ক্রেতা। এর আগে তাঁকে তেল দেওয়া হবে না। আর সাদা টোকেন দেখিয়ে দুই দিন পর তেল পাওয়া যাবে। টোকেনে তেল দেওয়ার তারিখ উল্লেখ করা হয়।

আজ বুধবার দুপুরে দেখা যায়, পাম্পের সামনে দুটি সারিতে মোটরসাইকেলের দীর্ঘ লাইন। এতে দাঁড়ানোর পর পাম্পের কর্মীরা প্রথমে গাড়ির রেজিস্ট্রেশন ও চালকের ড্রাইভিং লাইসেন্স যাচাই করছেন। এরপর রেজিস্ট্রেশন নম্বর নথিভুক্ত করে টোকেন দেওয়া হচ্ছে।

তিন দিন ধরে চালু এই পদ্ধতির কারণে পাম্পে শৃঙ্খলা ফিরেছে বলে জানান এর মালিক মোহাম্মদ সানাউল্লাহ। তিনি বলেন, ‘আমরা আগের চেয়ে বেশি তেল সরবরাহ পাচ্ছি। কিন্তু বিভিন্ন এলাকা থেকে মোটরসাইকেল এসে একাধিকবার তেল নিয়ে মজুত করছিল। এতে বাজারে অস্থিরতা তৈরি হচ্ছিল। যাতে কেউ অতিরিক্ত তেল নিতে না পারে, তাই আমরা কার্ড বা টোকেনব্যবস্থা চালু করেছি।’

এক দিনে ৮৮ হাজার লিটার তেল উদ্ধার: জ্বালানি বিভাগ
এই ব্যবস্থায় সন্তোষ প্রকাশ করেছেন পাম্পে তেল নিতে আসা গ্রাহকেরাও। আবু হাসেম নামের এক গ্রাহক বলেন, ‘এই সংকটের মধ্যে এমন ব্যবস্থাপনায় অনেক ভালো লাগছে। লাইনে দাঁড়িয়ে শান্তভাবে তেল নিতে পারছি, কোনো সিন্ডিকেট নেই।’
সাইফুল ইসলাম নামের আরেক গ্রাহক বলেন, ঈদের আগে এখানে ৩৫০ টাকার তেল নিয়েছিলাম। আজ প্রায় ১০ দিন পর আবার তেল নিতে এসেছি। এই কার্ড দেখালে আবার তেল পাওয়া যাবে—এটা একটা নিশ্চয়তা।

পাম্পে উপস্থিত আরেক গ্রাহক একরাম আলী জানান, আগের দিন তিনি দীর্ঘ সময় লাইনে দাঁড়িয়ে তেল পাননি। সারা দিন ঘুরেও তেল পাননি। কিন্তু এখানে এসে কার্ড পেয়েছেন।

ফিলিং স্টেশনে দায়িত্বরত এক পুলিশ সদস্য জানান, এই পদ্ধতি অবলম্বন করায় পাম্পে শান্ত পরিবেশ আছে। কেউ আগে এসেই তেল নিতে পারছেন না। যাঁর কাছে কার্ড থাকবে, তিনি লাইন মেনে এলেই তেল পাচ্ছেন।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category

Devoloped By WOOHOSTBD