• বৃহস্পতিবার, ১৮ জুন ২০২৬, ০২:৩৮ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম:
বটিয়াঘাটায় নদী ভাঙ্গনকবলিত এলাকা পরিদর্শন করেন এলজিডির খুলনা বিভাগীয় তত্ত্বাবধায়ক- নাজমুল হাসান চাঁপাইনবাবগঞ্জ  বালুগ্রাম  সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে সচেতনতামূলক সেমিনার অনুষ্ঠিত  শিমুলবাগান সংলগ্ন যাদুকাটা নদীর পাড় কেটে বালু লুটঃ ইউপি সদস্যসহ ৬ জনের নামে মামলা তিন কি:মি: খাল ভরাট চাঁচড়া ইউপির ১০ গ্রামের ফসল ডুবির দুশ্চিন্তায় কৃষক ষড়যন্ত্রমূলক মামলায় আসামিদের জামিন পুলিশের প্রশ্নবিদ্ধ তদন্ত গ্রাম আদালত বিষয়ে জনসচেতনতা বৃদ্ধিতে জামালগঞ্জে কর্মশালা অনুষ্ঠিত নারায়ণগঞ্জ জেনারেল (ভিক্টোরিয়া) হাসপাতালে ফলোআপ পরিদর্শন ঢাকা চট্রগ্রাম মহাসড়কের পাশে গজারিয়ায় আবাসিক হোটেলে অভিযান চালিয়ে দুই নারী আটক করে পুলিশ চাঁপাইনবাবগঞ্জে বিজিবির অভিযানে ২,০৮৫ বোতল সিরাপ ও ইয়াবাসহ আটক ২, ট্রাক জব্দ জেনারেল হাসপাতালে স্বাস্থ্যমন্ত্রীর আকস্মিক অভিযান, তত্ত্বাবধায়ক ক্লোজড

কিশোরগঞ্জে প্রধান শিক্ষক ছাড়াই চলছে ৫৭ প্রাথমিক স্কুল,ব্যাহত হচ্ছে পাঠদান

Muntu Rahman / ১৮৫ Time View
Update : রবিবার, ১৮ জানুয়ারী, ২০২৬

এ.এস.এম হামিদ হাসান 

কটিয়াদী(কিশোরগঞ্জ) প্রতিনিধি:

কিশোরগঞ্জের বাজিতপুর উপজেলায় ১১১টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের মধ্যে প্রধান শিক্ষক নেই ৫৭টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে।

এছাড়া সহকারী শিক্ষকের পদ শূন্য রয়েছে ৭৪টি এবং দপ্তরি কাম নৈশপ্রহরীর ২৪টি পদ বর্তমানে শূন্য রয়েছে।

প্রধান শিক্ষক না থাকায় সংশ্লিষ্ট বিদ্যালয়গুলোতে একজন সহকারী শিক্ষককে ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক হিসেবে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। ফলে ওই বিদ্যালয়গুলোতে দাপ্তরিক কার্যক্রম ও পাঠদান—দুটোই মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। দ্রুত শিক্ষক সংকট নিরসনের দাবি জানিয়েছেন উপজেলার সচেতন শিক্ষার্থী ও অভিভাবকেরা।

উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তার কার্যালয় সূত্রে জানা যায়, বাজিতপুর উপজেলায় বর্তমানে ১১১টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় রয়েছে। এর মধ্যে ৫৭টিতে প্রধান শিক্ষক নেই, ৭৪টি সহকারী শিক্ষকের পদ শূন্য এবং ২৪টিতে দপ্তরি কাম নৈশপ্রহরী নেই।

শিক্ষক সংকটের কারণে কোমলমতি শিক্ষার্থীদের নিয়মিত পাঠদান ব্যাহত হচ্ছে। এ ছাড়া কর্মরত শিক্ষকেরা বাৎসরিক ছুটি, মাতৃত্বকালীন ছুটি, পিটিআই প্রশিক্ষণ এবং রিসোর্স সেন্টারের বিভিন্ন প্রশিক্ষণে অংশগ্রহণ করায় অনেক বিদ্যালয়ে শিক্ষক সংকট দিনে দিনে আরও প্রকট ধারণ করছে। এমতাবস্থায় প্রধান শিক্ষককে দাপ্তরিক কাজে অতিরিক্ত ব্যস্ত থাকতে হচ্ছে। এরফলে স্বল্পসংখ্যক শিক্ষক দ্বারা ডাবল শিফটে সুষ্ঠুভাবে ক্লাস পরিচালনা করা বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের জন্য কষ্টসাধ্য হয়ে পড়েছে।

শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের অভিযোগ, সরকারি হিসাবে ৫৭টি বিদ্যালয়ে প্রধান শিক্ষকের পদ শূন্য দেখানো হলেও বাস্তবে এ সংখ্যা আরও বেশি। কারণ ৫৭ জন সহকারী শিক্ষক ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক হিসেবে দায়িত্ব পালন করায় তাঁদের সহকারী শিক্ষকের পদগুলোও কার্যত শূন্য রয়েছে। এতে করে মোট সহকারী শিক্ষক শূন্য পদের সংখ্যা দাঁড়াচ্ছে ১৩১টি।

এছাড়াও বর্তমানে উপজেলার ২৪টি বিদ্যালয়ে দপ্তরি কাম নৈশপ্রহরীর পদ শূন্য থাকায় প্রতিষ্ঠানের কার্যক্রম ব্যাহত হচ্ছে।

বাজিতপুর উপজেলা প্রাথমিক বিদ্যালয় শিক্ষক সমিতির সভাপতি এ কে এম সায়েম খান বলেন, ‘সরকারি হিসাবে আমাদের উপজেলায় সহকারী শিক্ষকের শূন্য পদ ৭৪টি দেখানো হলেও বাস্তবে এ সংখ্যা প্রায় ১৩১টি। কারণ বহু সহকারী শিক্ষক ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। এছাড়াও কিছু শিক্ষক অসুস্থতা, মাতৃত্বকালীন ছুটিতে থাকায় অনেক বিদ্যালয়ে পাঠদান ও দাপ্তরিক কার্যক্রম পরিচালনা করা কঠিন হয়ে পড়েছে।

তিনি আরও বলেন-সহকারী শিক্ষককে ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষকের দায়িত্ব পালন করতে গিয়ে তার‌ই সহকর্মীদের রোষানলে পড়তে হচ্ছে। তাই সুষ্ঠুভাবে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলো পরিচালনার ক্ষেত্রে সহকারী শিক্ষকের পাশাপাশি অতিদ্রুত প্রধান শিক্ষক নিয়োগ দেওয়া জরুরি হয়ে পড়েছে।

এ বিষয়ে বাজিতপুর উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা মো.সাখাওয়াত হোসেন বলেন, ‘শিক্ষক সংকটের বিষয়টি আমরা লিখিতভাবে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানিয়েছি। পাশাপাশি ৭৫ জন্য সহকারী শিক্ষক নিয়োগ দেওয়ার জন্য আবেদন করেছি। আশা করছি চলমান নিয়োগ প্রক্রিয়ায় শূন্য পদগুলো শীঘ্রই পূরণ করা হবে এবং চলমান শিক্ষা কার্যক্রমে পূর্বের গতি ফিরিয়ে আনা সম্ভব হবে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category

Devoloped By WOOHOSTBD