• মঙ্গলবার, ২৭ জানুয়ারী ২০২৬, ০২:১৯ অপরাহ্ন
শিরোনাম:
সোনারগাঁয়ে ত্রয়োদশ জাতীয় নির্বাচন /২৬ উপলক্ষে অবাধ নিরপেক্ষ সুষ্ঠু শান্তি পূর্ণ করার লক্ষে জেলা প্রশাসক ও নির্বাচন কর্মকর্তা, আইন শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা এবং প্রার্থীদের সমন্বয় সভা অনুষ্ঠিত  কানায় কানায় পূর্ণ জনসভায় যশোর কে সিটি কর্পোরেশন করার ঘোষণা জামায়াত আমীরের নারায়ণগঞ্জে নির্বাচনী প্রচারণায় বাধা সৃষ্টি করায় যুবদল নেতা হুমায়ূনকে ধরতে যৌথ বাহিনীর অভিযান রাজশাহীতে ৫ জুয়াড়ি ও মাদক ব্যবসায়ী গ্রেপ্তার নারায়ণগঞ্জ জেলা গোয়েন্দা শাখা কর্তৃক ১৯ টি মামলার আসামি টাইগার মোমেন সোনারগাঁয়ে গ্রেফতার উৎসবমুখর পরিবেশে জামালগঞ্জ সরকারি মডেল উচ্চ বিদ্যালয়ে বার্ষিক ক্রীড়া ও সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতা মান্দায় জামায়াতে ইসলামীর নির্বাচনী জনসভা অনুষ্ঠিত,,, বেলকুচিতে পৌর মহিলা দলে উদ্যোগে বিএনপি প্রার্থী আমিরুল ইসলাম খান আলিমের নির্বাচনী পথসভা অনুষ্ঠিত ঝিকরগাছায় মিথ্যা অপপ্রচারে লিপ্ত জামায়াত সংবাদ সম্মেলনে বিএনপি নেতৃবৃন্দ ও মুন্নীর দাবি বাগমারায় অসহায়দের মাঝে খাবার বিতরণ

কিশোরগঞ্জে প্রধান শিক্ষক ছাড়াই চলছে ৫৭ প্রাথমিক স্কুল,ব্যাহত হচ্ছে পাঠদান

Muntu Rahman / ৩৫ Time View
Update : রবিবার, ১৮ জানুয়ারী, ২০২৬

এ.এস.এম হামিদ হাসান 

কটিয়াদী(কিশোরগঞ্জ) প্রতিনিধি:

কিশোরগঞ্জের বাজিতপুর উপজেলায় ১১১টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের মধ্যে প্রধান শিক্ষক নেই ৫৭টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে।

এছাড়া সহকারী শিক্ষকের পদ শূন্য রয়েছে ৭৪টি এবং দপ্তরি কাম নৈশপ্রহরীর ২৪টি পদ বর্তমানে শূন্য রয়েছে।

প্রধান শিক্ষক না থাকায় সংশ্লিষ্ট বিদ্যালয়গুলোতে একজন সহকারী শিক্ষককে ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক হিসেবে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। ফলে ওই বিদ্যালয়গুলোতে দাপ্তরিক কার্যক্রম ও পাঠদান—দুটোই মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। দ্রুত শিক্ষক সংকট নিরসনের দাবি জানিয়েছেন উপজেলার সচেতন শিক্ষার্থী ও অভিভাবকেরা।

উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তার কার্যালয় সূত্রে জানা যায়, বাজিতপুর উপজেলায় বর্তমানে ১১১টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় রয়েছে। এর মধ্যে ৫৭টিতে প্রধান শিক্ষক নেই, ৭৪টি সহকারী শিক্ষকের পদ শূন্য এবং ২৪টিতে দপ্তরি কাম নৈশপ্রহরী নেই।

শিক্ষক সংকটের কারণে কোমলমতি শিক্ষার্থীদের নিয়মিত পাঠদান ব্যাহত হচ্ছে। এ ছাড়া কর্মরত শিক্ষকেরা বাৎসরিক ছুটি, মাতৃত্বকালীন ছুটি, পিটিআই প্রশিক্ষণ এবং রিসোর্স সেন্টারের বিভিন্ন প্রশিক্ষণে অংশগ্রহণ করায় অনেক বিদ্যালয়ে শিক্ষক সংকট দিনে দিনে আরও প্রকট ধারণ করছে। এমতাবস্থায় প্রধান শিক্ষককে দাপ্তরিক কাজে অতিরিক্ত ব্যস্ত থাকতে হচ্ছে। এরফলে স্বল্পসংখ্যক শিক্ষক দ্বারা ডাবল শিফটে সুষ্ঠুভাবে ক্লাস পরিচালনা করা বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের জন্য কষ্টসাধ্য হয়ে পড়েছে।

শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের অভিযোগ, সরকারি হিসাবে ৫৭টি বিদ্যালয়ে প্রধান শিক্ষকের পদ শূন্য দেখানো হলেও বাস্তবে এ সংখ্যা আরও বেশি। কারণ ৫৭ জন সহকারী শিক্ষক ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক হিসেবে দায়িত্ব পালন করায় তাঁদের সহকারী শিক্ষকের পদগুলোও কার্যত শূন্য রয়েছে। এতে করে মোট সহকারী শিক্ষক শূন্য পদের সংখ্যা দাঁড়াচ্ছে ১৩১টি।

এছাড়াও বর্তমানে উপজেলার ২৪টি বিদ্যালয়ে দপ্তরি কাম নৈশপ্রহরীর পদ শূন্য থাকায় প্রতিষ্ঠানের কার্যক্রম ব্যাহত হচ্ছে।

বাজিতপুর উপজেলা প্রাথমিক বিদ্যালয় শিক্ষক সমিতির সভাপতি এ কে এম সায়েম খান বলেন, ‘সরকারি হিসাবে আমাদের উপজেলায় সহকারী শিক্ষকের শূন্য পদ ৭৪টি দেখানো হলেও বাস্তবে এ সংখ্যা প্রায় ১৩১টি। কারণ বহু সহকারী শিক্ষক ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। এছাড়াও কিছু শিক্ষক অসুস্থতা, মাতৃত্বকালীন ছুটিতে থাকায় অনেক বিদ্যালয়ে পাঠদান ও দাপ্তরিক কার্যক্রম পরিচালনা করা কঠিন হয়ে পড়েছে।

তিনি আরও বলেন-সহকারী শিক্ষককে ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষকের দায়িত্ব পালন করতে গিয়ে তার‌ই সহকর্মীদের রোষানলে পড়তে হচ্ছে। তাই সুষ্ঠুভাবে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলো পরিচালনার ক্ষেত্রে সহকারী শিক্ষকের পাশাপাশি অতিদ্রুত প্রধান শিক্ষক নিয়োগ দেওয়া জরুরি হয়ে পড়েছে।

এ বিষয়ে বাজিতপুর উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা মো.সাখাওয়াত হোসেন বলেন, ‘শিক্ষক সংকটের বিষয়টি আমরা লিখিতভাবে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানিয়েছি। পাশাপাশি ৭৫ জন্য সহকারী শিক্ষক নিয়োগ দেওয়ার জন্য আবেদন করেছি। আশা করছি চলমান নিয়োগ প্রক্রিয়ায় শূন্য পদগুলো শীঘ্রই পূরণ করা হবে এবং চলমান শিক্ষা কার্যক্রমে পূর্বের গতি ফিরিয়ে আনা সম্ভব হবে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category

Devoloped By WOOHOSTBD