রনির নেতৃত্বে যশোর সদর উপজেলার নরেন্দ্রপুরে ব্যাপক সাইবার ক্র্যাইম করছে একটি সংঘবদ্ধ চক্র। এরা বিভিন্ন নারীর ভিডিও জোর পূর্বক তুলে তা ফেসবুক, ইউটিউব এ ছড়িয়ে দিচ্ছে বলে গুরুতর অভিযোগ উঠেছে। এ কাজে এরা বিভিন্ন ফেক আইডি ব্যাবহার করছে। এমন একজন ভুক্তভুগি নারী এ বিষয়ে সাধারণ ডায়েরি করেছেন।
১৪ নং নরেন্দ্রপুর ইউনিয়নের ১নং ওয়ার্ডের আবুল কালামের ছেলে রনি রূপদিয়া বাজারে কসমেটিক্স ব্যবসা করে। একই সাথে সেখানে বসে সে ও তার দোসররা হীন বিভিন্ন অপকর্মে লিপ্ত। এই চক্রের অন্য সদস্যরা হচ্ছে হোসেন মোড়লের ছেলে ইকরামুল, ইকরামূলের স্ত্রী তানজিলা ছাড়াও আরো কয়েক জন বিভিন্ন নারীর নগ্ন ছবি ও ভিডিও ফেসবুকে ছড়িয়ে দিচ্ছে। এ কাজে তারা rony rony ও সত্যের পথে আইডি ব্যাবহার করে এই অপকর্ম দীর্ঘ দিন ধরে চালিয়ে আসছে। আর এসব করে এরা উল্টো ভুক্তভুগি নারীর পরিবারের কাছে টাকা চাঁদা দাবি করছে।
একজন ভুক্তভুগি মেহেদী হাসানের স্ত্রী ফেরদৌসি খাতুনের ভিডিও ছড়িয়ে দিয়ে দুই লাখ টাকা চাঁদা দাবি করেছে। মেহেদী হাসান মালয়েশিয়া প্রবাসী। ফেরদৌসি খাতুন এ বিষয়ে গত ১৬ আগস্ট কোতোয়ালি মডেল থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি বা জিডি করেছেন। নম্বর ১৩৬৮, তারিখ ১৬/০৮/২০২৬। ঐ নারী বর্তমানে জীবনাশঙ্কায় রয়েছেন।তাকে রনি ও তার সদস্যরা হুমকি দিয়ে দুই লাখ টাকা চাঁদা দাবি করেছে। ইকরামূল ও তানজিলা বিভিন্ন নম্বর দিয়ে টাকা দাবি করেছে। ০১৯২২-৩১৬৩১১ নম্বর দিয়েও হুমকি দেয়। জানা গেছে ইকরামূল দীর্ঘদিন ফ্যাসিস্ট আওয়ামীলীগ নেতা হিসেবে অপকর্ম করলেও ভয়ে কেউ কোন প্রতিবাদ করতে পারেনি। ইকরামূলের আপন ভাই মাজহাহারুল ও বহুল বিতর্কিত এক আওয়ামীলীগ নেতা।
এই চক্রটি এতটাই বেপরোয়া যে তারা কোন নিষেধ মানেনা। তারা নারীদের জীম্মি করে নানা অপকর্ম করছে। এরা কসমেটিক্স কিনতে আসা নারীদের ছবি তুলে রাখে। এডিট করে বলে বেড়ায় ঐ নারীর সাথে আমাদের দৈহিক সম্পর্ক আছে। টাকা না দিলে এসব সমস্যা কখনো মিটবে না। রূপদিয়া বাজারে বসে এই অনৈতিক নেটওয়ার্ক পরিচালনা করলেও কেউ তাদের অপকর্মে বাঁধা দিতে পারে না বলে জোর প্রচার রয়েছে।
রূপদিয়া বাজার কমিটির সভাপতি ইকবাল হোসেন বলেন কোন ভুক্তভুগি এখনো আমাদের কাছে অভিযোগ করেনি। করলে যথাযথ ব্যাবস্থা নেবো। এবিষয়ে অপরাধী কে ছাড় দেওয়া হবেনা।
ভুক্তভুগি মানুষেরা এদের বিরুদ্ধে প্রশাসনিক একশন দাবি করেছেন।
Devoloped By WOOHOSTBD