• বৃহস্পতিবার, ১৬ এপ্রিল ২০২৬, ০৬:৩৩ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম:
মিথ্যা সংবাদ প্রকাশের প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন নওগাঁয় পুলিশ তদন্ত কর্মকর্তার বিরুদ্ধে বাদিকে আপসের চাপ দেওয়ার অভিযোগ কটিয়াদীতে দীর্ঘসময় বিদ্যুৎবিহীন বৃত্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত; অভিভাবক ও পরীক্ষার্থীদের ক্ষোভ প্রকাশ দুর্নীতির সংবাদ প্রকাশঃ সুনামগঞ্জে সাংবাদিকের ওপর যুবদল ও সেচ্ছাসেবক দলনেতার হামলা চাঁপাইনবাবগঞ্জ পৌরসভায় অবসরপ্রাপ্ত কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বিদায়ী সংবর্ধনা অনুষ্ঠিত সুনামগঞ্জে ডিসি ইলিয়াস মিয়াকে বৃদ্ধাঙ্গুলী দেখিয়ে বর্ষবরণ পালন করলো উদীচী শিল্পীগোষ্ঠী মান্দায় পাচারের সময় ৪৫ বস্তা সরকারি সার আটক, কৃষকদের মাঝে বিক্রি,, ভেড়ামারায় নির্মাণাধীন পাঁচ তলা বাড়ির কাজে বাধা ও বাউন্ডারি ওয়াল ভাঙ্গার প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন ভেড়ামারায় খোদ ব্যাংক কর্মকর্তার চেক প্রত্যাখ্যাত হওয়ায় এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি সোনামসজিদ সীমান্তে ৫৯ বিজিবির বড় সাফল্য প্রাইভেটকার ও মাদকসহ আটক ১ ​

দৌলতপুরের আমদহ মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে  দুই পদে বেতন উত্তোলনের  অভিযোগ   শিক্ষা অফিসার বললেন এমন কোন সুযোগ নাই 

Muntu Rahman / ২৯৮ Time View
Update : বৃহস্পতিবার, ২৯ আগস্ট, ২০২৪

 দৌলতপুর প্রতিনিধি 

কুষ্টিয়া দৌলতপুর উপজেলার পিয়ারপুর ইউনিয়নের আমদহ মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আব্দুস সাত্তার  এর বিরুদ্ধে, প্রধান শিক্ষক ও সহকারী প্রধান  শিক্ষক  দুই পদে বেতন উত্তোলনের অভিযোগ উঠেছে।

এ দিকে এলাকাবাসী সহ সুশীল সমাজে দাবি অভিযোগ যখন উঠেছে  বিষয়টি সঠিক ভাবে তদন্ত হোক।

এ বিষয়ে অনুসন্ধানে গেলে প্রধান শিক্ষক আব্দুস সাত্তার  বলেন,  আমদহ মাধ্যমিক বিদ্যালয় ১৯৮৮ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল। ২০০১ সালে এম পিও ভুক্ত হয়।  বর্তমানে ১৭ জন শিক্ষক কর্মচারী ও ৩ শতজন ছাত্র ছাত্রী নিয়ে বিদ্যালয়টি পরিচালিত হচ্ছে। আমি এই বিদ্যালয়ের প্রতিষ্ঠাকালীন শিক্ষক হিসাবে কর্মরত আছি।বিধি অনুযায়ী আমি ২০১৭ সালে  সহকারী প্রধান শিক্ষক নির্বাচিত হই। পরে ২০২৩ সালে আহমদ মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকের পদটি শূন্য হলে। বিদ্যালয় পরিচালনা পর্ষদ বিধি অনুযায়ী  প্রধান শিক্ষক নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি  দেন। আমি নিয়োগ প্রাপ্ত হই। নিয়োগ প্রাপ্ত হওয়ার পরে আমি প্রধান শিক্ষকের বেতন পাচ্ছি। কারন বেতন হয় ব্যাংকের মাধ্যমে। এক জন শিক্ষকের নামে দুই শিক্ষকের বেতন হওয়া বা উত্তোলনের কোন সুযোগ নাই।  আপনার বিরুদ্ধে উঠা অভিযোগ কি এমন প্রশ্নের উত্তরে তিনি বলেন আমার বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ মিথ্যা ও ভিত্তিহীন।

সিনিয়র শিক্ষক রজিনা আক্তার বলেন, অনুমানিক  ৭ থেকে ৮ মাস হলো আহমদ মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের সহকারী প্রধান শিক্ষকের পদটি শূন্য আছে সেটা আমরা জানি।

এ বিষয়ে উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার সফিউল ইসলাম বলেন, ধরে নেন  আমদহ মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক ২০২৪ সালের জানুয়ারী মাসে প্রধান শিক্ষক হিসাবে যোগদান করলেও প্রধান শিক্ষকের বেতন শুরু হয়েছে অনুমানিক মে মাসে। জানুয়ারী থেকে মে মাস পর্যন্ত সে সহকারী প্রধান শিক্ষকের বেতন সে পেয়েছে। পরে প্রধান শিক্ষকের বেতন হলে সহকারী প্রধান শিক্ষকের বেতন বন্ধ হয়ে গেছে কারন একই ইনডেক্স নাম্বারে দুই টা বেতন হওয়ার কোন সুযোগ নাই। তার পরেও অভিযোগ যখন উঠেছে  আমরা বিষয়টা তদন্ত করে দেখবো।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category

Devoloped By WOOHOSTBD