গাইবান্ধা জেলা প্রতিনিধি:
গোবিন্দগঞ্জ উপজেলার গাইবান্ধা জেলার গাইবান্ধা-৪ আসনের দখলকৃত ৫টি কেন্দ্রের ভোট বাতিল ও নির্বাচনের ফলাফল স্থগিতের দাবিতে শনিবার স্থানীয় দারুল আমান ট্রাস্টে সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী গাইবান্ধা জেলা শাখা।
সংবাদ সম্মেলনে গাইবান্ধা-৪ আসনে জামায়াত মনোনীত সংসদ সদস্য প্রার্থী ডা. আব্দুর রহিম সরকার লিখিত বক্তব্যে অভিযোগ করেন, ভোট গ্রহণ ও গণনায় ব্যাপক অনিয়ম হয়েছে। তিনি দাবি করেন, বিএনপির কর্মী-সমর্থকরা বালুয়া, গোপালপুর, কোচাশহর, দামগাছা ও কুমিরাডাঙ্গা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় এবং কুমিরাডাঙ্গা স্বতন্ত্র ইবতেদায়ী মাদরাসা কেন্দ্র থেকে দাঁড়িপাল্লা প্রতীকের পোলিং এজেন্টদের বের করে দিয়ে জোরপূর্বক জাল ভোট প্রদান ও ধানের শীষ প্রতীকে সীল মারে।
তিনি আরও অভিযোগ করেন, পোলিং অফিসারদের কাছ থেকে জোরপূর্বক ব্যালট পেপার ছিনিয়ে নিয়ে ধানের শীষ প্রতীকে সীল মারা হয়। ভোট গণনার সময়ও দাঁড়িপাল্লা প্রতীকের এজেন্টদের বিভিন্ন কেন্দ্র থেকে বের করে দেওয়া হয় এবং কিছু কেন্দ্রে পেশীশক্তির ব্যবহার করে গণনায় অনিয়ম করা হয়েছে বলে দাবি করা হয়।
লিখিত বক্তব্যে আরও উল্লেখ করা হয়, একটি কেন্দ্রে ১৮০০ ভোটের স্থলে ২৮০০ ভোট দেখানো হয়েছে এবং সেখানে তাদের পোলিং এজেন্ট স্বাক্ষর করেননি। এছাড়া কয়েকটি কেন্দ্রে দাঁড়িপাল্লা প্রতীকের ১২০টি ব্যালট ১০০টির বান্ডেল হিসেবে দেখানো এবং ধানের শীষের ৮০টি ব্যালট ১০০টির বান্ডেল হিসেবে দেখানোর অভিযোগ তোলা হয়। কোথাও কোথাও ধানের শীষের বান্ডেলে দাঁড়িপাল্লার ব্যালট প্রবেশ করিয়ে গণনা করা হয়েছে বলেও দাবি করা হয়।
সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে সংশ্লিষ্ট জেলা নির্বাচন কর্মকর্তার মাধ্যমে প্রধান নির্বাচন কমিশনারের কাছে উক্ত কেন্দ্রগুলোর ভোট বাতিল ও ফলাফল স্থগিতের দাবি জানানো হয়।
এসময় বক্তব্য দেন নবনির্বাচিত সংসদ সদস্য আব্দুল করিম সরকার, মাজেদুর রহমান মাজেদ, মাওলানা নজরুল ইসলাম লেবু ও আব্দুল ওয়ারেছ, জেলা জামায়াতের সেক্রেটারি মাওলানা জহুরুল হক, ছাত্রশিবির জেলা সভাপতি ফেরদৌস ইসলাম রুম্মান ও সাধারণ সম্পাদক ইউসুফ কার্যাভী প্রমুখ।
Devoloped By WOOHOSTBD