• বৃহস্পতিবার, ৩০ জুলাই ২০২৬, ০৯:৫৬ অপরাহ্ন
শিরোনাম:
দৌলতপুরে দিনের বেলায় দুর্ধর্ষ চুরি  তাহিরপুর শ্রীপুর উত্তর ইউনিয়নের তেলীগাঁও গ্ৰামের সুজন পালের বাড়ি এখন মাদকের আস্তানা। উবহাটা ইউনিয়নের সেবক হতে চান রিপন তরফদার ভেড়ামারায় ভারতের এস্টার হসপিটালের পেশেন্ট হেল্প সেন্টার এর শুভ উদ্বোধন এলএসডি কর্মকর্তাকে ‘ম্যানেজ’ করে চাল নেওয়ার অভিযোগ র‍্যাবের অভিযানে জয়পুরহাট সদর এলাকা থেকে ফেন্সিডিলসহ ০১ জন মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার চাঁপাইনবাবগঞ্জ সীমান্তে ৫৩ বিজিবির অভিযানে ভারতীয় এস্কাফ সিরাপ উদ্ধার নোয়াখালীতে ১১ (এগার) লিটার এ্যালকোহল সমৃদ্ধ বিয়ার ও ৩০ (ত্রিশ) পিস ইয়াবা ট্যাবলেট সহ ০২ জন আসামি গ্রেফতার। চাঁপাইনবাবগঞ্জ সীমান্তে ৫৩ বিজিবির অভিযানে মোটরসাইকেলসহ দুই জন আটক তাহিরপুরে জমি বিরোধে মামলা করায় নারীসহ ৬ জনকে কুপিয়ে জখম ‎

কটিয়াদীতে নিখোঁজের ৪ দিন পর ব্যবসায়ীর অর্ধগলিত মরদেহ উদ্ধার

Muntu Rahman / ১৩৫ Time View
Update : সোমবার, ১৮ মে, ২০২৬

এ.এস.এম হামিদ হাসান

কটিয়াদী(কিশোরগঞ্জ)প্রতিনিধি:

কিশোরগঞ্জের কটিয়াদীতে নিখোঁজের চারদিন পর নিজ ব্যবসা প্রতিষ্ঠান থেকে জিল্লুর রহমান নামে এক ব্যবসায়ীর অর্ধগলিত মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ।

সোমবার (১৮ মে) সকালে উপজেলার পৌর এলাকার ভোগপাড়া মহল্লায় কটিয়াদী-কিশোরগঞ্জ আঞ্চলিক সড়কের পাশে একটি ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের ভেতর থেকে নিহতের মরদেহটি উদ্ধার করা হয়।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায় ,উদ্ধার হওয়া মরদেহটি মো.জিল্লুর রহমান (৪০) নামে এক ব্যবসায়ীর। তিনি নরসিংদীর মনোহরদী উপজেলার কৃষ্ণপুর ইউনিয়নের চরগোহালবাড়িয়া গ্রামের মৃত আব্দুর রহমানের ছেলে। ঘটনার পরপরই কটিয়াদী সার্কেল এসপি মো.তোফাজ্জল হোসেনসহ আইন-শৃঙ্খলা রক্ষা বাহিনীর সদস্যরা ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন।

পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, জিল্লুর রহমানের গ্রামের বাড়ি পার্শ্ববর্তী নরসিংদীর মনোহরদী উপজেলার কৃষ্ণপুর ইউনিয়নের চরগোহালবাড়িয়া গ্রামে হলেও দীর্ঘদিন ধরে তিনি পরিবার নিয়ে কটিয়াদী সদরে বসবাস করতেন। তিনি দীর্ঘদিন ধরে মুন স্টুডিও নামে একটি ব্যবসা প্রতিষ্ঠান পরিচালনা করতেন।

স্ত্রী ছাড়াও তার এক ছেলে ও এক মেয়ে রয়েছে। কটিয়াদী পৌর এলাকায় তার দুটি ব্যবসা প্রতিষ্ঠান রয়েছে। এর মধ্যে ‘মুন ডিজিটাল স্টুডিও অ্যান্ড কালার ল্যাব’ নামে একটি প্রতিষ্ঠান দীর্ঘদিন ধরে ভাড়া নিয়ে পরিচালনা করছিলেন। পাশাপাশি কয়েক বছর ধরে ‘অন-টাইম প্লেট অ্যান্ড গ্লাস’ তৈরির একটি কারখানা পরিচালনা করতেন।

পরিবারের লোকজন জানান, শুক্রবার বাড়ি থেকে বের হওয়ার পর আর ফিরে আসেননি তিনি। সোমবার সকালে স্ত্রী ও পরিবারের সদস্যরা ব্যবসা প্রতিষ্ঠান খুলে মরদেহটি মেঝেতে পড়ে থাকতে দেখেন। পরে পুলিশ গিয়ে সুরতহাল শেষে মরদেহ উদ্ধার করে নিয়ে যায়।

তার কারখানায় কাজ করা দুই কর্মী মদিনা ও শারমিন বলেন, ‘বৃহস্পতিবার (১৪ মে) দুপুরে আমরা সর্বশেষ কাজ করে চলে যাই। আমরা ছাড়াও আরেকজন ড্রাইভার ছিল, তবে তার নাম আমরা জানি না।

তিনিও এখানে কাজ করতেন। মালামাল আসলে আমাদের ফোনে জানানো হতো। ওই দিন কাজ করে আমরা চলে আসলে পরবর্তীতে কাজের জন্য আমাদের আর কোনো ফোন দেওয়া হয়নি।

এদিকে ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের ওই ড্রাইভারের এখন পর্যন্ত কোনো খোঁজ পাওয়া যাচ্ছে না। তাৎক্ষণিকভাবে কেউ তার নাম ও পরিচয় জানাতে পারেনি।

নিহত জিল্লুর রহমানের স্ত্রী অন্তরা বলেন- প্রতিদিনের মতো শুক্রবার সকালে নাশতা খেয়ে বাসা থেকে বের হন তিনি। এরপর দুপুরে সর্বশেষ কথা হয়। পরে ফোনে কল গেলেও তিনি রিসিভ করেননি। অনেক খোঁজাখুঁজির পর আজ তার ব্যবসা প্রতিষ্ঠান খুলে দেখি তার রক্তাক্ত মরদেহটি মেঝেতে পড়ে রয়েছে।

নিহতের চাচাতো ভাই আব্দুল হাশিম বলেন, আমার চাচাতো ভাই দীর্ঘদিন ধরে কটিয়াদীতে বাজারে সুনামির সাথে ব্যবসা করে আসছিলেন এবং আমাদের জানামতে তার সাথে কারো শত্রুতাও ছিলা। আমার ভাই অত্যন্ত ভালো মানুষ ছিলেন। আমরা সঠিক তদন্তের মাধ্যমে আসামিকে সনাক্ত করে ভাইয়ের হত্যাকারিদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি চাই। তিনি আরো বলেন, আমার ভাই নিখোঁজ হওয়ার পর আমরা তার নম্বরে অনেকবার কল দিয়েছি, কিন্তু ফোন খোলা থাকলেও রিসিভ হয়নি।

কটিয়াদী মডেল থানার ওসি রফিকুল ইসলাম বলেন, ‘মরদেহ উদ্ধার করে সুরতহাল শেষে ময়নাতদন্তের জন্য কিশোরগঞ্জ সদর হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।

ওসি আরও বলেন নিহত ব্যক্তির নিখোঁজের বিষয়ে থানা কর্তৃপক্ষে তার পরিবার থেকে অবগত করা হয়নি। ঘটনাটি তদন্তাধীন রয়েছে। পরবর্তী আইনি পদক্ষেপ প্রক্রিয়াধীন রয়েছে ।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category

Devoloped By WOOHOSTBD