• বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর ২০২৬, ১১:৪৭ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম:
দৌলতপুরে ব্রিজ নির্মাণের দাবিতে এলাকাবাসীর মানববন্ধন মুন্সিগঞ্জে বিদেশি পিস্তল গুলি ও চাইনিজ কুড়ালসহ গ্রেফতার ১ মুন্সীগঞ্জে পৃথক অভিযানে বিভিন্ন অপরাধের ৩২ জন গ্রেফতার সীতাকুন্ডে সন্ত্রাসীদের ছুরিকাঘাতে স্কুল ছাত্রী আহত ছিনিয়ে নেওয়া হয়েছে গলার চেইন ও কানের দুল সরিষাবাড়ীতে কৃষকের জমিতে বিষ প্রয়োগের অভিযোগ বটিয়াঘাটায় যুবদল নেতা বাদল হাওলাদারকে গুলি, খুলনা মেডিকেলে ভর্তি নাটোরের গুরুদাসপুরে ছাত্রদল নেতা শাকিল হত্যা: ডিবি হেফাজতে এমপি আজিজের ছেলে মিন্টু, জিজ্ঞাসাবাদ চলছে সীতাকুণ্ডে মর্মান্তিক সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত ৫ আহত ৮ শিবগঞ্জ সীমান্তে ৫৩ বিজিবির অভিযান প্রায় ৪০ লাখ টাকার ভারতীয় মোবাইল ও চোরাচালান সামগ্রী জব্দ চাঁপাইনবাবগঞ্জে এ জে আর কুরিয়ার এজেন্সি হতে ২ কেজি হেরোইন উদ্ধার

আওয়ামী নির্যাতনে আজো বাড়ি ছাড়া দশানী বড় চিতলার বিএনপি কর্মী রফিকুল

Montu Rahman / ১৪২ Time View
Update : রবিবার, ২৬ এপ্রিল, ২০২৬

মালিকুজ্জামান কাকা

বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বিএনপির একজন সাধারণ কর্মী রফিকুল ইসলাম। কিন্তু সেই সাধারণ কর্মীর উপর একের পর এক অমানুসিক নির্যাতন করেছে আওয়ামীলীগের আঞ্চলিক পেটুয়া সন্ত্রাসী বাহিনী। এসব ঘটনা যশোর জেলার মনিরামপুর উপজেলার ৮নং হরিহরনগর ইউনিয়ন পরিষদের ৩নং ওয়ার্ড দশানী বড় চিতলা গ্রামের। এখনো বিএনপি কর্মী রফিকুল কে শহরে থাকতে হয়। সেখানে সে রাজমিস্ত্রি পেশায় আয় করে অতি কষ্টে সংসার পরিচালনা করতে হয়। সংসারে স্ত্রী ছাড়াও এক পুত্র ও কন্যা রয়েছে তার। সংসার চালানোর সাথে সাথে তাদের শিক্ষা খরচও বইতে হচ্ছে রফিকুল কে।
২০২৩ সালে ২৬ রমজানে ইফতারের পূর্বে মুক্তারপুর বাওড়ে চাকুরী দেবার কথা বলে রফিকুল কে ডেকে নিয়ে যায় মুক্তারপুর গজালমারীর সাদের ফকিরের ছেলে যুবলীগ নেতা মোহর আলী ফকির। বাসায় ডেকে ৯/১০ জন রফিকুলকে মারধোর করে। এসময় মোহর আলীর ছেলে বিশেষ বাহিনীর সদস্য ছুটিতে বাড়ি থাকা সজল বড় রাম দা দিয়ে মাথায় কোপ মারে।
এরপর শহর আলীর ছেলে আলমগীর, মোহর আলী, কায়েমকোলা গ্রামের মোহরের দুই ভাগ্নে, আরিফের ছেলে সোহাগসহ বহিরাগত সন্ত্রাসীরা শাবল, লোহার রড দিয়ে রফিকুল কে মারাত্মক জখম করে। এই অপকর্মের মাস্টার মাইন্ড বড় চিতলা গ্রামের আওয়ামীলীগ নেতা শহিদুলের ছেলে ছাত্রলীগ নেতা সাইফুল ও দশানীর লিয়াকতের ছেলে আলমগীর। আলমগীর দশানী নানা বাড়ি থাকে। এদের সাথে ওতপ্রত জড়িত ছিল মোহর আলীর ডান হাত হিসাবে কুখ্যাতি পাওয়া দশানীর বেলায়েত ওরফে রেজাউল। সে চিন্নিত মাদক কারবারি বলে গ্রামবাসী অভিযোগ করেছে।
এত বড় আর লোমহর্ষক ঘটনা ঘটালেও মনিরামপুর থানা মামলা নেয়নি। জনশ্রুতি আছে রফিকুল আহত হলে শতাধিক জনতা থানায় এই মর্মে স্বাক্ষ দেয় যে রফিকুল ভাল ছেলে। কিন্তু থানা মামলা নেয়নি। এমনকি যশোর ২৫০ শয্যা জেনারেল হাসপাতাল ইস্যুতে পিবিআই সুপারিশ করলেও ওসি মামলা বা অভিযোগ গ্রহণ করেননি। পরে ঝাঁপা পুলিশ ফাঁড়িতে রফিকুলের স্বজনরা। কিন্তু হরিহরনগর ইউপি চেয়ারম্যান আওয়ামীলীগ নেতা জোহর সাত লাখ টাকা অবৈধ লেনদেন করে মামলা রেকর্ড ঠেকিয়ে দেয় বলে জোর অভিযোগ রয়েছে।
দশানী বড় চিতলা গ্রামবাসী অভিযোগ করেছে রফিকুলের মামলা রেকর্ড না করতে মুল ভূমিকা রাখে মনিরামপুর উপজেলা চেয়ারম্যান লাভলু। তিঁনিই পেছন থেকে কল কাঠি নাড়ে যাতে মামলা না হয়। বিষয়টিকে আওয়ামীলীগ বিএনপি রূপ দেন তিনি।
মোবাইলে এখনো হুমকি দেয় মোহর আলী, মোহরের ভাইপো আলমগীর (পিতা শহর আলী )।
ভুক্তভুগি রফিকুল ইসলাম (৪৪) বলেন প্রাণ ভয়ে তিনি এখনো বাড়ি ফিরতে পারছেন না। মোহর আলী, মোহর আলীর ছেলে ও তার ভাইপো আলমগীর এখনো মোবাইল ফোনে ও লোক মারফত হুমকি দিয়েই চলেছে। এই এপ্রিলেও তারা লোক দিয়ে রফিকুল কে হুমকি দিয়েছে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category

Devoloped By WOOHOSTBD