কুষ্টিয়ার ভেড়ামারায় ফোরলান এর নামে রেলওয়ে জায়গার উপরে বাসস্ট্যান্ড থেকে দক্ষিণ রেলগেট পর্যন্ত উচ্ছেদ কৃত ক্ষতিগ্রস্ত দোকান মালিকরা প্রায় ৫ মাস হয়ে গেলেও তাদের দোকান ঘর বুঝে না পেলেও নতুন করে স্হানীয় এক প্রভাবশালী নেতার সহায়তায় বরাদ্দকৃত রাস্তার জায়গায় নতুন করে দোকান ঘর নির্মাণ করার অভিযোগ উঠেছে। কথায় বলে জোর যার মুল্লুক তার তেমনি অবস্থা রাস্তার কাজের জন্য জায়গা নিয়ে উচ্ছেদ কৃত ক্ষতিগ্রস্তদের বেলায়। ৫ মাস ধরে দোকান হারিয়ে সর্বশান্ত মালিকরা দোকান ঘর বুঝে পেলো না কিন্তু ক্ষমতার দাপটে কয়েকদিনেই নতুন ঘর নির্মাণের কাজ প্রায় সম্পূর্ণ। হয়ত একারণেই মনীষিণীগন বলে গেছেন জোর যার মুল্লুক তার।
৫ মাসে ক্ষতিগ্রস্তরা দোকান ঘর বুঝে না পেলেও ভেড়ামারা বাসস্ট্যান্ড সংলগ্ন রাস্তার জন্য বরাদ্দকৃত জায়গায় কয়েক দিনের মধ্যেই নতুন দোকানের ঘরের কাজ শুরু করে প্রায় সমাপ্তের পথে।
নতুন দোকান ঘর নির্মাণ এর বিষয়ে পৌর কর্তৃপক্ষ জানান এটা তাদের নকশায় নেই।
শত শত ক্ষতিগ্রস্ত দোকানদাররা কবে দোকান পাবে সেটা অনিশ্চিত হয়ে পড়েছে। ক্ষতিগ্রস্ত দোকান মালিক ও কর্মচারীদের যে পরিবার আছে, পেট আছে, তাদের কষ্টে দিনাতিপাত করার আত্ননাদ কারো কানে পৌঁছাই না। তাদের জায়গা বুঝিয়ে দিতে কেন এত গড়িমসি? কেন এত তালবাহানা? কেন কাজ বন্ধ? জাতি জানতে চাই?
দেশের কোথাও রেলওয়ের জায়গা লীজ নিয়ে পৌরসভা হাই রোড করেছে বলে আমাদের জানা নেই। জনগণের টাকা দিয়ে লীজ নিয়ে রাস্তা করে পৌরসভার কি লাভ জনমনে প্রশ্ন উঠেছে। নাকি মসজিদের পুকুর দখলই ছিল মূল উদ্দেশ্য? ভেড়ামারা বাসীকে মিথ্যা স্বপ্ন দেখিয়ে শুরু থেকে বলা হয়েছিল ফোরলান রাস্তা হবে কিন্তু অবশেষে থলের বেড়াল বের হয়ে মুখোশ উন্মোচিত হলো প্রসস্থ করন। কতিপয় ব্যক্তির ব্যক্তি স্বার্থের জন্য শতশত দোকান মালিক ও কর্মচারী আজ সর্বশান্ত।
অদৃশ্য কারণে কাজ ও বন্ধ। কবে কাজ সমাপ্ত হবে আল্লাহই ভালো জানেন। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক ব্যবসায়ী বলেন, আমরা যে অতি কষ্টে দিনাতিপাত করে চলেছি এটা কারো মাথায় নেই,,। তাদের মাথায় রয়েছে ভাগাভাগির চিন্তা।
দোকানের কাজ নিয়ে ও চলছে নানা তালবাহানা। নরমাল ভিতের উপরই দোতলা করার অপচেষ্টা চলছে। কাজে অভিজ্ঞরা জানান এই ভিতে দোতলা হলে বিপদের আশংকা থাকবে। অনেকের দোকান ছোট করে অন্যজনকে দেওয়ার ও পায়তারা চলছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। দ্রব্য মূল্যের বাজারে দোকান মালিক ও কর্মচারীদের খবর কেউ রাখেনা। তাদের প্রায়জনই অতি কষ্টে দিনাতিপাত করছে। দীর্ঘদিন হয়ে গেলেও কেন তাদের দোকান কমপ্লিট করে দেয়া হচ্ছে না জনমনে এই নিয়ে নানা আলোচনা সমালোচনা শুরু হয়েছে। কর্মচারীরা অনাহারে অর্ধাহারে দিনাতিপাত করে চলছে। ক্ষতিগ্রস্ত ব্যক্তিদের কথা সার্বিক অবস্থা বিবেচনা করে যথাযথ কর্তৃপক্ষসহ (যারা দায়িত্বে আছেন) মাননীয় সংসদ সদস্য কামারুল আরেফিন এবং রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দের আশু হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন ভুক্তভোগী দোকান মালিক ও কর্মচারীরা। ভেড়ামারা অনলাইন প্রেসক্লাবের সভাপতি ডাঃ কামরুল ইসলাম মনা কর্তৃপক্ষ কে অবিলম্বে দ্রুত কাজ সম্পূর্ণ করে প্রকৃত দোকান মালিকদের পুরোপুরি বুঝিয়ে দিতে জোর দাবী জানিয়েছেন।
Devoloped By WOOHOSTBD