• বৃহস্পতিবার, ২৫ জুন ২০২৬, ০৩:৫৭ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম:
বউয়ের পরকীয়া ও আইনি জটিলতায় নিঃস্ব সিঙ্গাপুর প্রবাসী, ন্যায়বিচারের দাবি মুন্সিগঞ্জে মাদ্রাসা ছাত্রকে বলাৎকারের পর হত্যাচেষ্টার মামলার পলাতক আসামী মাদ্রাসা শিক্ষক র‍্যাব-১১, নারায়ণগঞ্জ কর্তৃক গ্রেফতার” নারায়ণগঞ্জের বন্দরে দুটি ইটভাটায় দেড় লক্ষ টাকা জরিমানা ও সতর্ক বার্তা কাউন্টার নারেটিভ সেল’-এর রাজশাহী বিভাগীয় প্রধান হলেন প্রয়াত এমপির সন্তান ব্যারিস্টার আবু হেনা মোস্তফা কামাল রঞ্জু মৃত্যুর আগে তার ফেসবুক পোষ্ট ছিলো- যার জীবনে দুঃখ ছাড়া কিছু নাই, তাকে দেখায় কষ্টের ভয়।’ ভেড়ামারা সরকারি পাইলট মডেল উচ্চ বিদ্যালয়ের বিএনসিসি প্লাটুন পরিদর্শন ভেড়ামারায় ছাত্রীদের মাঝে সাইকেল বিতরণ প্রশিক্ষণ কর্মশালা ও গুণীজন সংবর্ধনার আমন্ত্রণপত্র প্রদান উপলক্ষে পুলিশ সুপারের সঙ্গে স্বদেশ বিচিত্রা প্রতিনিধিদের সৌজন্য সাক্ষাৎ বাদাঘাটে বিক্ষোভের মধ্যেই অভিযুক্তকে গ্রেফতার করল পুলিশ সাংবাদিক খুনের আস্ফালন: কার ছত্রছায়ায় অভয় পাচ্ছে খুনি মিজান? ​

মেহেরপুরে মানব পাচারের অভিযোগে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড

Yeasir Arafat Mifta / ১৯৮ Time View
Update : শুক্রবার, ২৬ এপ্রিল, ২০২৪

মোঃআব্দুল হামিদ মেহেরপুর প্রতিনিধিঃ

মানব পাচার মামলায় জাহিদুল মেম্বার ওরফে জাহিদুল হক নামের এক জনের যাবজ্জীবন কারাদণ্ড, ১০ লক্ষ টাকা জরিমান. অনাদায়ে আরো দুই বছরের কারাদণ্ড দিয়েছে আদালত।

বৃহস্পতিবার দুপুরের দিকে মেহেরপুর মানব পাচার অপরাধ দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক (জেলা জজ) মোঃ তহিদুল ইসলাম এ আদেশ দেন। দণ্ডিত জাহিদুল মেম্বার ওরফে জাহিদুল হক চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলার নবাবগঞ্জ প্রফেসর পাড়ার মাহাতাব উদ্দিনের ছেলে। সাজাপ্রাপ্ত জাহিদুল হক পলাতক রয়েছেন।

মামলার বিবরণে জানা গেছে, মেহেরপুর শহরের নতুন পাড়ার ৭ নম্বর ওয়ার্ডের জতনের মেয়ে রেবা খাতুন ঢাকার একটি গার্মেন্টসে চাকরি করার সময় জাহিদুল হক মেম্বার এর সঙ্গে পরিচয় হয়। পরিচয় সূত্র ধরে রেবা খাতুন কে জর্ডানে ভালো চাকরির প্রলোভন দেখিয়ে ৫০ হাজার টাকা আদায় করেন।

২০১৪ সালের ১০ অক্টোবর ৫০ হাজার টাকা সহ রেবাকে ঢাকায় নিয়ে যান। এ ঘটনা চার দিন পর জাহিদুল হককে ফোন দেয়া হলে রেবা খাতুন কে বিদেশে পাঠানোর ব্যাপারে তালবাহানা শুরু করেন। পরে জাহিদুল হক টাকা এবং রেবাকে ফেরত দিতে অস্বীকার করলে রেবার ভাবি গাজু খাতুন ২০১৪ সালের ২৭ অক্টোবর মানব পাচার প্রতিরোধ ও দমন আইন ২০১২ এর ৬,৭,ও ৮ ধারা একটি মামলা দায়ের করেন। মামলা তদন্তকারী কর্মকর্তা প্রাথমিক তদন্ত শেষে আদালতে চার্যসিট দাখিল করেন। পরে মামলাটি মানব পাচার প্রতিরোধ ও দমন আইন ২০১২ এর(৬) ধারায় অভিযোগ গঠন করা হয়।মামলায় মোট পাঁচজন সাক্ষী তাদের সাক্ষ্য প্রদান করেন। এতে আসামী জাহিদুল হক সন্দেহাতীতভাবে দোষী প্রমাণিত হওয়ায় বিজ্ঞ আদালত তাকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড, ১০ লক্ষ টাকা জরিমান, অনাদায় আরো দুই বছরের কারাদণ্ড প্রদান করেন।

আসামি পলাতক থাকায় তার বিরুদ্ধে ইতোপূর্বে ইস্যুকৃত গ্রেফতারি পরোয়ান রি-কল পূর্বক নতুন ভাবে গ্রেফতারি পরোয়ানা ইস্যু করার নির্দেশ দেন। মামলায় রাষ্ট্রপক্ষে পাবলিক প্রসিডিটর এ কে এম আসাদুজ্জামান কৌশলী ছিলেন।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category

Devoloped By WOOHOSTBD