• শুক্রবার, ০৬ নভেম্বর ২০২৬, ০৩:৪৯ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম:
দৌলতপুরে পাট বিক্রির ৪ লাখ ১৫ হাজার টাকা ছিনতাইয়ের অভিযোগ, বাবা-ছেলেসহ আহত ২ সীতাকুন্ডে আইআইইউসি সংলগ্ন সড়কে অবৈধ পার্কিং ও দখল উচ্ছেদে অভিযান।।১৫ মামলায় জরিমানা ৫৫ হাজার টাকা কালিয়াকৈরে মৌলিক প্রশিক্ষণের সমাপনী প্যারেড, অঙ্গীভূত আনসার (জাতীয় নিরাপত্তায় পেশাদারিত্বের আহ্বান মহাপরিচালকের) শিবগঞ্জ সীমান্তে ৫৯ বিজিবির অভিযানে ৫৬ বোতল নেশাজাতীয় ইস্কাফ সিরাপ আটক গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান এক দিনের সরকারি সফরে বাগেরহাটের মোংলায় পৌঁছেছেন। তাহিরপুর ৫ নং বাদাঘাট ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান প্রার্থী হিসেবে আলোচনায় মো: আজিজুর রহমান দাউদকান্দি মডেল থানা পুলিশ ২০ হাজার ইয়াবাসহ১ জন পৃথক অভিযানে বিভিন্ন অপরাধের গ্রেফতার ৯ নওগাঁর ধামইরহাটে ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযানে জরিমানা ভেড়ামারায় সবুজকলি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের বার্ষিক ক্রীড়া প্রতিযোগিতার পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠিত ভেড়ামারা বাসীর স্বাস্থ্যসেবায় আবুল কাশেম হোমিওপ্যাথিক মেডিকেল কলেজ নিবেদিত ভূমিকা রাখবে বলে আমার বিশ্বাস — লায়ন ডাঃ কামরুল ইসলাম মনা

হিসাবে অসঙ্গতির অভিযোগ, দ্রুত সমাধানের আশ্বাস প্রধান শিক্ষকের

Montu Rahman / ১৪৪ Time View
Update : মঙ্গলবার, ৭ জুলাই, ২০২৬

স্টাফ রিপোর্টার

সুনামগঞ্জের তাহিরপুর
উপজেলার বাদাঘাট পাবলিক উচ্চ বিদ্যালয়ের ২০২৫ সালের প্রায় ৫ লাখ টাকার আর্থিক হিসাব নিয়ে গড়মিলের অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে বিদ্যালয়ের কয়েকজন শিক্ষকের মধ্যে চাপা ক্ষোভ বিরাজ করছে বলে জানা গেছে।

অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, বিদ্যালয়ের বিভিন্ন খাতের আয়-ব্যয়ের হিসাব উপস্থাপনের সময় একাধিক অসঙ্গতি ধরা পড়ে। সংশ্লিষ্ট হিসাবের দায়িত্বে থাকা সহকারী শিক্ষক শিপলু স্যারের কাছে বিষয়টির ব্যাখ্যা চাওয়া হলে অভিযোগকারী পক্ষের দাবি, তাৎক্ষণিকভাবে সন্তোষজনক জবাব পাওয়া যায়নি।

বিদ্যালয়ের একাধিক সূত্রের মতে, একটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের আর্থিক লেনদেনে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তাই বিষয়টি নিরপেক্ষভাবে তদন্ত করে প্রকৃত তথ্য উদঘাটন এবং প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা।

এ বিষয়ে অভিযুক্ত সহকারী শিক্ষক আজহারুল ইসলাম শিপলু
বলেন, “বিষয়টি ভুল-বোঝাবুঝির কারণে হয়েছে। আমার কাছে কিছু টাকা রয়েছে। আমি আগামীকাল ব্যাংকে জমা দিয়ে দেব।”

অভিযোগের বিষয়ে জানতে চাইলে বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো. শফিকুল ইসলাম বলেন, “না, না, এ ধরনের কোনো বিষয় নয়। যদি হিসাবে গড়মিল থাকে, তাহলে টাকা ফেরত দেওয়া হবে। এগুলো বিভিন্ন খাত থেকে সংগ্রহ করা অর্থ। সংগ্রহের পর হিসাবভুক্ত করতে কিছু বিলম্ব বা অসঙ্গতি হয়ে থাকতে পারে।”

সহকারী শিক্ষকের কাছে বিদ্যালয়ের অর্থ কীভাবে গেল—এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, “আমি ব্যাংকে জমা দেওয়ার জন্য তাঁর কাছে টাকা দিয়েছিলাম। সেখানে কিছু ভুল-বোঝাবুঝি হয়েছে। তবে খুব দ্রুত হিসাবটি বুঝিয়ে দেওয়া হবে।”

এ ঘটনায় বিদ্যালয়ের শিক্ষক, অভিভাবক ও সচেতন মহলের মধ্যে নানা আলোচনা চলছে। তারা বলছেন, অভিযোগের বিষয়টি নিরপেক্ষভাবে তদন্ত করে প্রকৃত তথ্য উদঘাটন করা হলে সব ধরনের বিভ্রান্তির অবসান হবে এবং বিদ্যালয়ের আর্থিক ব্যবস্থাপনার প্রতি আস্থা আরও সুদৃঢ় হবে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category

Devoloped By WOOHOSTBD