• বৃহস্পতিবার, ০৫ নভেম্বর ২০২৬, ১০:৫৫ অপরাহ্ন
শিরোনাম:
দৌলতপুরে পাট বিক্রির ৪ লাখ ১৫ হাজার টাকা ছিনতাইয়ের অভিযোগ, বাবা-ছেলেসহ আহত ২ সীতাকুন্ডে আইআইইউসি সংলগ্ন সড়কে অবৈধ পার্কিং ও দখল উচ্ছেদে অভিযান।।১৫ মামলায় জরিমানা ৫৫ হাজার টাকা কালিয়াকৈরে মৌলিক প্রশিক্ষণের সমাপনী প্যারেড, অঙ্গীভূত আনসার (জাতীয় নিরাপত্তায় পেশাদারিত্বের আহ্বান মহাপরিচালকের) শিবগঞ্জ সীমান্তে ৫৯ বিজিবির অভিযানে ৫৬ বোতল নেশাজাতীয় ইস্কাফ সিরাপ আটক গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান এক দিনের সরকারি সফরে বাগেরহাটের মোংলায় পৌঁছেছেন। তাহিরপুর ৫ নং বাদাঘাট ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান প্রার্থী হিসেবে আলোচনায় মো: আজিজুর রহমান দাউদকান্দি মডেল থানা পুলিশ ২০ হাজার ইয়াবাসহ১ জন পৃথক অভিযানে বিভিন্ন অপরাধের গ্রেফতার ৯ নওগাঁর ধামইরহাটে ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযানে জরিমানা ভেড়ামারায় সবুজকলি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের বার্ষিক ক্রীড়া প্রতিযোগিতার পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠিত ভেড়ামারা বাসীর স্বাস্থ্যসেবায় আবুল কাশেম হোমিওপ্যাথিক মেডিকেল কলেজ নিবেদিত ভূমিকা রাখবে বলে আমার বিশ্বাস — লায়ন ডাঃ কামরুল ইসলাম মনা

মানবতার নীরব সৈনিক: রোগীর সেবায় নিরলস শ্রী লিটন পাল

Montu Rahman / ১১৬ Time View
Update : বৃহস্পতিবার, ২১ মে, ২০২৬

আশরাফুদ্দীন আল আজাদ বিশেষ প্রতিনিধিঃ

বর্তমান সমাজে যখন অনেকেই নিজের দায়িত্বটুকু পালন করতেই ক্লান্ত হয়ে পড়েন, ঠিক তখনই কিছু মানুষ নীরবে মানবতার আলো ছড়িয়ে যান নিজের কর্ম আর ভালোবাসা দিয়ে। তেমনি একজন মানবিক মানুষ হলেন শ্রী লিটন পাল। তিনি একজন দায়িত্বশীল ডাক্তার সহকারী হিসেবে কর্মরত আছেন শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল-এ রক্তরোগ ও ব্লাড ক্যান্সার বিভাগে । তার পিতা শ্রী গোবিন্দ চন্দ্র পাল। গ্রামের বাড়ি গাবতলী উপজেলার মহিষাবান পালপাড়া গ্রামে।
রোগীর সেবাকেই তিনি নিজের জীবনের অন্যতম দায়িত্ব হিসেবে নিয়েছেন। দিনের অধিকাংশ সময় কাটে হাসপাতালের রোগীদের পাশে। ক্লান্তিহীন এই মানুষটি সবসময় হাসিমুখে রোগীদের সেবা করে চলেন। রোগীর অভিযোগ, কষ্ট কিংবা উদ্বেগ—সবকিছুই ধৈর্য ও আন্তরিকতার সাথে গ্রহণ করেন তিনি। তার ব্যবহারে নেই কোনো বিরক্তি কিংবা অহংকার; বরং প্রতিটি রোগীর প্রতি থাকে সমান সহমর্মিতা ও মানবিকতা।
হাসপাতালের কয়েকজন সিনিয়র চিকিৎসকের সাথেও তিনি নিবিড়ভাবে কাজ করেন। রোগীর কখন কী প্রয়োজন, কোন ওষুধ লাগবে, কোন পরীক্ষা করাতে হবে কিংবা কার কী সমস্যা—এসব বিষয়ে সার্বক্ষণিক খোঁজখবর রাখেন তিনি। শুধু দায়িত্ব পালন করাই নয়, রোগীদের মানসিক সাহস জোগাতেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেন লিটন পাল।
অবিশ্বাস্য হলেও সত্য, ডিউটি শেষ হলেও যেন শেষ হয় না তার মানবসেবা। বাসায় ফিরে গিয়েও ফোনে রোগীদের খোঁজখবর নেন নিয়মিত। এমনকি কোনো রোগী হাসপাতাল থেকে ছুটি নিয়ে বাড়ি ফিরে গেলেও প্রয়োজনের মুহূর্তে ফোন দিলে সাড়া দেন তিনি। রোগীর প্রয়োজনে সবসময় পাশে থাকার এই মানসিকতাই তাকে অন্যদের থেকে আলাদা করেছে।
তার এই আন্তরিকতা ও মানবিক আচরণের কারণে হাসপাতালের চিকিৎসকরাও তাকে অত্যন্ত স্নেহ ও ভালোবাসেন। সহকর্মীদের কাছেও তিনি একজন দায়িত্ববান, পরিশ্রমী এবং বিশ্বস্ত মানুষ হিসেবে পরিচিত। অনেক রোগী ও স্বজনের কাছেও তিনি হয়ে উঠেছেন ভরসার আরেক নাম।
শ্রী লিটন পাল বলেন,
“মানুষের সেবা করাটাই আমার কাছে সবচেয়ে বড় দায়িত্ব ও মানবতা। একজন রোগী যখন কষ্টে থাকে, তখন শুধু চিকিৎসা নয়, তার পাশে দাঁড়িয়ে সাহস দেওয়াটাও খুব প্রয়োজন। আমি সবসময় চেষ্টা করি রোগীদের আপনজনের মতো পাশে থাকতে। মানুষের দোয়া আর ভালোবাসাই আমার কাজের সবচেয়ে বড় প্রেরণা।”
মানবতার এই সময়ে শ্রী লিটন পালের মতো মানুষরা সমাজের জন্য সত্যিই অনুকরণীয়। নিঃস্বার্থ সেবা, দায়িত্ববোধ আর মানুষের প্রতি ভালোবাসা দিয়ে তিনি প্রমাণ করে চলেছেন—মানুষের পাশে দাঁড়ানোই সবচেয়ে বড় মানবতা।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category

Devoloped By WOOHOSTBD