• সোমবার, ২০ এপ্রিল ২০২৬, ০৬:২২ অপরাহ্ন
শিরোনাম:
জাদুকাটায় শ্রমিক নির্যাতন ও চাঁদাবাজির ভয়াবহ চিত্র বীরগঞ্জে হাম-রুবেলা টিকাদান ক্যাম্পেইন ২০২৬-এর উদ্বোধন, শিশুস্বাস্থ্যে নতুন আশার আলো বেলকুচিতে গোয়ালঘরে অগ্নিকাণ্ড নওগাঁয় দেশীয় অস্ত্রসহ তিন সন্ত্রাসী গ্রেফতার ওসির চোখ ফাঁকি দিয়ে রাতের আঁধারে ধোপাজান নদীতে বালু লুটপাটের অভিযোগ,ডিউটির দায়বদ্ধতা ছাড়াতে ব্যবসায়ীর নৌকা জব্দ সৌদি আরবে মর্মান্তিক সড়ক দুর্ঘটনায় কটিয়াদী’র যুবক আলমগীর নিহত বিশ্ব বার্থ ডিফেক্ট ডে উপলক্ষ্যে সেমিনার অনুষ্ঠিত পূর্ব বিরোধের জের ধরে সোনারগাঁয়ে যুবককে কুপিয়ে জখম সোনামসজিদ সীমান্তে ৫৯ বিজিবির বড় সাফল্য ভারতীয় ট্রাকসহ প্রায় ৬ হাজার বোতল মাদক সিরাপ জব্দ নওগাঁ জেলা পুলিশের দুর্দান্ত অভিযান : বদলগাছিতে শিশু ধর্ষণ মামলার আসামি মোঃ আব্দুস সাত্তার (৬০) গ্রেফতার

জাদুকাটায় শ্রমিক নির্যাতন ও চাঁদাবাজির ভয়াবহ চিত্র

Muntu Rahman / ৫৪ Time View
Update : সোমবার, ২০ এপ্রিল, ২০২৬

সুনামগঞ্জ প্রতিনিধি ::

থেমে নেই জাদুকাটার বহুল আলোচিত টুল ট্যাক্সের নামে অতিরিক্ত চাঁদাবাজি। সুনামগঞ্জ জেলার চাঁদাবাজির করিডোর এখন জাদুকাটা নদী। বিশেষ করে টুল ট্যাক্সের নামে প্রতি নৌকা থেকে ১.৩০ টাকা করে দীর্ঘ দিন যাবত চাঁদাবাজি করে আসছে বিএনপির একটি সংঘবদ্ধ চক্র। যাদের চাঁদাবাজিতে অতিষ্ট নৌ-শ্রমিক এবং ব্যবসায়িরা। তাহিরপুর উপজেলা প্রশাসনের বেঁধে দেয়া ৩০ পয়সা করে ট্যাক্স রাখার কথা থাকলেও ইজারাদার জবা মিয়া তার লোকদের মাধ্যমে জোরপূর্বক শ্রমিকদের মারধর করে টাকা দিতে না চাইলে নৌকা বা বাল্কহেড আটকে রাখে এমন অভিযোগ পাওয়া গেছে। অতিরিক্ত টুল আদায় বন্ধে সুনামগঞ্জ জেলা ট্রলার বাল্কহেড নৌ-শ্রমিক ইউনিয়ন ইতিমধ্যে জেলা প্রশাসক, পুলিশ সুপার তাহিরপুর ইউএনও এবং তাহিরপুর থানায় কয়েকটি অভিযোগ করেছে। কিন্তু চাঁদাবাজি বন্ধে তেমন কোনো পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয় নি। উল্টো শ্রমিকদের উপর চাঁদাবাজি এবং নির্যাতন বেড়েই চলছে। সব মিলিয়ে জাদুকাটা নদীর ওপেন সিক্রেট চাঁদবাজির করিডোরে পরিণত হয়েছে ফাজিলপুর টুল ট্যাক্স ঘাট। অভিযোগ উঠেছে পুলিশ ও প্রশাসনকে ম্যানেজ করেই চলে এ চাঁদাবাজি। আর এসব চাঁদাবাজির মূলে রয়েছেন তাহিরপুর যুবদলের আহবাক এনামুল হক ও স্থানীয় সংসদ সদস্যের ঘটিষ্ঠজন হিসেবে পরিচিত বালিজুরি ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক হারিছ মিয়া ও জবা মিয়া। এসব বিষয়ে ভয়ে প্রশাসন যদি নীরবই থাকে তবে সাধারণ মানুষ শেষ আশ্রয় খুঁজবে কোথায়? তবে কী জাদুকাটা নদীতে মাঝে মধ্যে শ্রমিকের লাশ পাওয়া যায় এসব লাশ কী নির্যাতন করে মেরে নদীতে ভাসিয়ে দিয়েছেন এসব চাঁদাবাজরা প্রশ্ন দেখা দিয়েছে স্থানীয়দের মধ্যে। দখলদার ও চাঁদাবাজদের হাত থেকে নদীকে মুক্ত করার এখনই সময়।

জাদুকাটা নদী যেন এখন চাঁদাবাজির অভয়ারণ্য। শুক্রবার সরেজমিনে গিয়ে দেখা গেছে, মাত্র ২০০ মিটারের মধ্যে উপজেলা প্রশাসনের নাম ব্যবহার করে দুটি টুল ট্যাক্স কেন্দ্র চালু রয়েছে। একটিতে ভুয়া রসিদ ও খাস কালেকশনের সিল দিয়ে নগদ অর্থ হাতিয়ে নেওয়া হচ্ছে। অন্যটিতে ইজারাদার জবা মিয়ার নাম ভাঙিয়ে বিএনপি নেতা হারিছ মিয়া ও তার লোকজন প্রকাশ্যে চাঁদা আদায় করছেন। টাকা দিতে অস্বীকৃতি জানালেই শ্রমিকদের ওপর চালানো হচ্ছে নির্যাতন।

সরেজমিনে গিয়ে আরও চাঞ্চল্যকর তথ্য পাওয়া গেছে। জবা মিয়ার টুল ট্যাক্স ঘাটে প্রতি ফুট বালির জন্য ১ টাকা ৩০ পয়সা হিসেবে আদায় করা হচ্ছে। সেই হিসাবে ৭,৩৭২ ফুট বালিবাহী একটি নৌকা থেকে দাবি করা হয় ৯,৫৮৩ টাকা। অথচ সরকারি নির্ধারিত ৩০ পয়সা হারে এই টাকার পরিমাণ দাঁড়ানোর কথা মাত্র ২,২১১ টাকা। অর্থাৎ এক নৌকাতেই অতিরিক্ত আদায় করা হচ্ছে ৭,৩৭২ টাকা।

নৌকার মাঝিরা এই অতিরিক্ত টাকা দিতে অস্বীকৃতি জানালে তাদের উপর চালানো হয় মারধর। প্রতিদিন কমপক্ষে ২০০ থেকে ২৫০টি নৌকা থেকে এভাবে চাঁদা আদায় করা হচ্ছে বলে জানা গেছে।
এ বিষয়ে প্রশ্ন করলে ম্যানেজারের পাশে থাকা এক ব্যক্তি প্রথমে পরিচয় জানতে চান। সাংবাদিক পরিচয় দেওয়ার পর তিনি দাবি করেন, স্থানীয়দের নিয়ে বৈঠক করে এই হার নির্ধারণ করা হয়েছে। তবে ৩০ পয়সা নির্ধারণের সরকারি নির্দেশনার কথা তুলতেই তারা ক্ষিপ্ত হয়ে ওঠে এবং হামলার চেষ্টা চালায়।

বর্তমানে হাজারো শ্রমিক এই ঘাটগুলোতে নির্যাতনের শিকার হচ্ছেন। কিন্তু দেখার যেন কেউ নেই। প্রশাসনের নীরব ভূমিকায় জনমনে ক্ষোভ ও আস্থাহীনতা বাড়ছে। শ্রমিকদের ধারণা, ইজারাদারদের সঙ্গে প্রশাসনের কোনো না কোনোভাবে যোগসাজশ রয়েছে।

এসময় একাধিক শ্রমিকের সাথে কথা বলে জানা গেছে, নদী পথে ঘাটে ঘাটে চাঁদাবাজি হয়। তবে জাদুকাটা নদীতে বিএনপি নেতাকর্মীসহ জবা বাহিনীকে চাঁদা না দিলে নির্যাতনের মাধ্যমে টাকা আদায় করা হয়। অন্যতায় নদীতে নৌকা বা বাল্কহেড আটকে রেখে দেয়। প্রতিবাদ করলে নদীতে নৌকা চালাতে নানা প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করে এই চাঁদাবাজরা।
অনুসন্ধানে দেখা গেছে, জেলার তাহিরপুর উপজেলার জাদুকাটা নদীর ফাজিলপুর টুল ট্যাক্স ঘাট। এই ঘাটটি এতটাই সমালোচিত যে, মাইকিং করে নির্দিষ্ট ট্যাক্স রাখার কথা বলা হয়েছে। এমনকি সুনামগঞ্জ- ১ আসনের সংসদ সদস্য কামরুজ্জামান কামরুল চাঁদাবাজি বন্ধে কঠোর হুশিয়ারি দিলেও চাঁদাবাজরা এমপির নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে অতিরিক্ত চাঁদা আদায় করে আসছেন। এমপির নিষেধাজ্ঞা, উপজেলা প্রশাসনের নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে এমন চাঁদাবাজি করায় স্থানীয় ব্যবসায়ীসহ নৌ-শ্রমিকরা আতঙ্কিত হয়ে পড়েছে। যার ফলে জনমনে নেতিবাচক প্রভাব পড়ছে। ইতিমধ্যে সারাদেশে চাঁদাবাজদের তালিকা করা হচ্ছে। প্রশাসনিক সুত্রে কিছুদিন পূর্বেই জানা যায় সুনামগঞ্জের ১২ চাঁদাবাজ রয়েছে। ধারনা করা হচ্ছে ১২ চাঁদাবাজদের মধ্যে জাদুকাটা নদীর ঘিরে চাঁদাবাজদের প্রভাব বেশি। কেননা জাদুকাটা নদীর টুল ট্যাক্স ঘিরে অসংখ্য প্রিন্ট নিউজ এমনকি টেলিভিশনে প্রতিবেদন প্রকাশ করা হয়েছে। যেই প্রতিবেদন গুলোতে চাঁদাবাজির সাথে সম্পৃক্ততা পাওয়া যায় স্থানীয় বিএনপির প্রভাবশালী নেতাদের।

একই ঘাটে দ্বৈত টোল, রশিদবিহীন আদায় এবং নৌকা আটকে চাঁদা আদায় সব মিলিয়ে যাদুকাটা এখন ‘ওপেন সিক্রেট’ চাঁদাবাজির করিডোর। ফাজিলপুর টুল ট্যাক্স ঘাটের ইজারাদার জবা মিয়া। ঘাটটি নিয়ন্ত্রণ করে উনার ভাই বিএনপি নেতা সারোয়ারের মাধ্যমে। এছাড়াও রাখা হয়েছে ঘাটে ম্যানেজার। তারা রীতি মতো ১ টাকা ৩০ পয়সা করে প্রায় এক বছর ধরে চাঁদা আদায় করে আসছেন। এছাড়াও টুল ট্যাক্স ঘাট থেকে এক থেকে দুইশত মিটার দূরেই ছোট্ট আরেকটি টিনের অস্থায়ী ঘর সেই ঘরে দুই তিন জন লোক বসে খাঁস কালেকশনের নামেও আদায় করেন প্রতি ঘনফুট বালু থেকে ১ টাকা ৩০ পয়সা করে। যার কোনো বৈধতা নেই। চাঁদাবাজির দৌরাত্ম এতটাই ৫০০ মিটারের ভিতরে তিনটি ঘাট থেকে কোটি টাকা চাঁদা আদায়। আর এই জায়গায় দুইটি ঘাট নিয়ন্ত্রণ হয় উপজেলা প্রশাসনের মাধ্যমে। ঘাটটির উপজেলা প্রশাসনের দায়িত্বে থাকলেও বিএনপির কিছু নেতাদের ছত্রছায়ায় চলছে ঘাটগুলো। ৩০ পয়সা আদায়ের কথা থাকলেও বাস্তবে আদায় হয় ১ টাকা ৩০ পয়সা এমনকি তারও অধিক। রশিদ না দিয়ে দেওয়া হয় একটি সাদা কাগজ যার মাঝে (Texx) লেখা থাকে টাকার পরিমাণ উল্লেখ থাকে না।
অনুসন্ধানে আরোও দেখা যায়, জাদুকাটা নদীতে সন্ধ্যা নামার পরেই পরিস্থিতি ভয়াভয় রুপ নেয় এমনটাই একাধিক সুত্র থেকে জানা যায়। তাই মাঝির সাথে গোপনে টুল ট্যাক্স ঘাটে গেলে তখন ঘাটের ম্যানেজার ১ টাকা ৩০ পয়সা করে দাবি করে। কিন্তু মাঝি ৩০ পয়সা করে দিবে বললেই হুমকি দাকমি দেয়া শুরু করে। এরপর তাদের ইজারা সম্পর্কে জানতে চাইলে চাঁদাবাজরা জানতে চায় পরিচয় সাংবাদিক পরিচয় জানতে পেরে নানা ধরনের কথাবার্তা বলতে শুরু করে। এক পর্যায়ে বাকবিতন্ডা দেখে তাহিরপুর থানার ওসি আমিনুল ইসলামকে মুঠো ফোনে কল দিয়ে ম্যানেজারের সঙ্গে কথা বলিয়ে দিলে ওসি আমিনুল ইসলাম ইজারাদার কতৃপক্ষকে নির্দিষ্ট রেইটে ট্যাক্স যা আসে তা রাখার কথা বলেন। কিন্তু তারপরেই পাল্টে যায় দৃশ্যপট। বসে থাকা ম্যানেজার ক্ষেপে উঠেন সাংবাদিকদের উপর এমনকি দালাল বলে চাঁদাবাজ বলে আখ্যা দিয়ে মোবাইল বের করে ৮-১০ জন লোক ভিডিও করে বিভিন্ন কথা বার্তা বলা শুরু করে। সাংবাদিকদের উপর মব সৃষ্টি করে। এক পর্যায়ে তাদের একজন লোক একটি ৫০০ টাকার বান্ডিল এনে জোরপূর্বক আমাদের কাছে দেওয়ার চেষ্টা করে যাতে চাঁদাবাজ বানানো যায়। তাই টাকার বান্ডিল সাংবাদিকের দিকে তাক করিয়ে ভিডিও বানিয়ে বিভ্রান্তি সৃষ্টি করে চক্রটি। এমনকি সাথে থাকা মাঝিকে মারধরও করে। সাংবাদিকদের আটকানোর জন্য তারা নৌকা দিয়ে আরও লোকজন নিয়ে আসে। নৌকার মাঝিকে মারধর করে তাকে দিয়ে সাংবাদিকদের ফাঁসানোর জন্য। এছাড়াও ঘাটের ম্যানেজার সহ বালিজুরি ইউনিয়নের বিএনপি নেতা সহ আরও কিছু লোক সাংবাদিকদের উপর আক্রমণের চেষ্টা করে। আরও নানা ভয়ভীতি এবং হুমকি প্রদশর্ন করে। নাম না জানা ঘাটে বসে থাকা একজন লোক বলে আন্তাজ হারাই লাইসছ কই আইসছ জানছ এই খানো বাইন্ধা পিটমো। এটা বিএনপির ঘাট। এটা গত ১৬/১৭ বছরের সময় না। বিষয়টি তাৎক্ষণিক ওসি সাহেবকেউ জানানো হয়। এই ঘটনার প্রেক্ষিতে বুঝাই যায় অন্ধকারে এই ঘাটটি কতটা ভয়ংকর হয়ে উঠে। তবে কী জাদুকাটা নদীতে গেল কয়েকদিন আগেও দুইটি লাশ উদ্ধার করা হয়েছে। এখন প্রশ্ন হচ্ছে জাদুকাটা নদীতে পাওয়া শ্রমিকের লাশ গুলো কি সাধারণ মৃত্যু নাকি এর পিছনে লুকিয়ে রয়েছে ভয়াবহ কোনো বাস্তবতা। যা হতে পারে চাঁদাবাজিকে কেন্দ্র করে! জাদুকাটা নদীর মাঝে শুধু চাঁদবাজি না চলছে শ্রমিক নির্যাতন।

তবে টুল ট্যাক্স ঘাটের চাঁদাবাজির সত্যতা পাওয়া গেছে। অতিরিক্ত টাকা আদায় এমনকি শ্রমিক মারধরের প্রমাণ পাওয়া গেছে। এখন দেখার পালা যারা চাঁদাবাজির বিরুদ্ধে কথা বলে গেছেন তারা কি ব্যবস্থা গ্রহণ করে। এমনকি সংসদ সদস্য কথা দিয়েছিলেন নিজে মাঠে থেকে চাঁদাবাজদের বিরুদ্ধে লড়বেন এখন দেখার পালা এমপি সাহেবকি বাস্তবে কথার সাথে কাজে প্রমাণ দিবেন। নাকি কথা গুলো কথাই থেকে যাবে? আগামী পর্বে।

নৌকা চালক মোস্তাক মিয়া, আব্দুল আজিকসহ দশ পনেরোজন নৌকা শ্রমিক বলেন, জাদুকাটা নদী থেকে বালু মাটি নিয়ে আসার পথে বিভিন্ন জায়গায় নামে বেনামে ইজারা দিতে হয়। ইতার(এটার) কোনো বৈধতা নাই। প্রশাসনের নামে এরা চাঁদাবাজি করে। আর এর ভাগ পায় ইউএনও এবং পুলিশে। প্রশাসন না কী ৩০ পয়সা নির্ধারণ করে দিসে অথচ তারা ১ টাকা ৩০ পয়সা নেয় কীভাবে? তাদের কথা মতো চাঁদা না দিতে মারধন করে আমরার মতো শ্রমিকদের। ভয়ে আমরা কিছু বলি না।
এদিকে চাঁদাবাজিতে অভিযুক্ত ইজারাদার জবা মিয়া হলেও ঘাটটি নিয়ন্ত্রণ করছেন তাহিরপুর যুবদলের আহব্বায়ক এনামুল হক। তবে বিষয়টি মানতে নারাজ এনামুল হক। তিনি জানান, ব্যবসার সাথে সম্পৃক্ত হইতেই পারি। তবে আমি তো ইজারাদার না আমার ইজারাদার আপনার সাথে যোগাযোগ করবো।
এব্যাপারে জানাতে চাইলে ইজারাদার জবা মিয়ার সাথে মোবাইল ফোনে (০১৭১১-৪৭৫১৮০) একাধিকবার যোগাযোগ করলেও তাকে পাওয়া যায়নি।

এ ব্যাপারে বিষয়টি স্বীকার করে তাহিরপুর উপজেলার সহকারী কমিশনার(ভুমি) শাহরুক আলম শান্তনু জানান, আমরা নানা সময় খবর পাই ইজারাদাররা অতিরিক্ত টাকা আদায় করে। সরজমিনে গেলে পাওয়া যায় না। শ্রমিকদের নির্যাতনের বিষয়টি স্বীকার করে বলেন আমরা শিঘ্রই এসব ব্যাপার ব্যবস্থা নিব। তবে এসব ইজারা পক্রিয়া সম্পর্কে তিনি কিছু জানেন না। জেনে জানাবেন বলে জানিয়েছেন এই কর্মকর্তা।

সুনামগঞ্জের পুলিশ সুপার আবু বসার মোহাম্মদ জাকির হোসেন বলেন, জাদুকাটা নদী ইজারা দিয়েছে উপজেলা প্রশাসন। বিভিন্ন সময়ে শ্রমিকদের অতিরিক্ত টাকা নেয়ার অভিযোগ পেয়েছি। আমরা মামলা করার পরামর্শ দেই। কিন্তু ভোক্তভোগীরা কেউ মামলা করছেন না। মামলা করলে আমরা ব্যবস্থা নিতে সহজ হতো। তবে জাদুকাটা নদীতে লাশ পাওয়ার ঘটনায় একটি মামলা হয়েছে বলে জানান তিনি।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category

Devoloped By WOOHOSTBD