আঞ্চলিক বিএনপি নেতাকে চাঁদা না দেওয়ায় ঐ নেতার মদদপুষ্ঠ সন্ত্রাসীরা বসতবাড়ি ভাংচুর ও ফসল লুট করেছে। এ বিষয়ে সংবাদ সম্মেলন করেছেন ভুক্তভুগিরা। ঘটনাটি যশোরের কেশবপুর উপজেলার চাঁদড়া গ্রামের।
মোঃ নূর ইসলাম সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন। তিনি অভিযোগ করেন কেশবপুর পৌরসভার ৭নং ওয়ার্ড বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মোঃ আবুল কাশেম (৫০), তার সহযোগী মধ্যকুলের ইউছুফ (৬০) ও তাসের উদ্দিন (৫০), (উভয় পিতা-মৃত সোলাইমান মোড়ল) নুর ইসলামের কাছে ৫০ লক্ষ টাকা চাঁদা দাবি করে। চাঁদার টাকা না দেওয়ায় বিএনপি নেতা আবুল কাশেমসহ অজ্ঞাত ৫০-৬০ জন সন্ত্রাসী গত ১৫ জানুয়ারি সকাল সাড়ে ১০ টার দিকে দেশীয় অস্ত্র সজ্জিত হয়ে আমাদের বসতঘর ভাংচুরসহ ২ বিঘা জমির সরিষা ক্ষেত থেকে তুলে নিয়ে আলমসাদু ও ভ্যানযোগে লুট করে নিয়ে যায়। যার আনুমানিক মূল্য ৫০ হাজার টাকা। এ সময় তারা বসতভিটার আশে পাশে লাগানো শিশুগাছ ১০টি, মেহগনিগাছ ৫টি, নারিকেলগাছ ১০টি ও আনুমানিক ১০০ বাঁশ কেটে নিয়ে যায়। যার আনুমানিক মূল্য ৫-৬ লক্ষ টাকা। এ সময় বাঁধা দিলে মোঃ আবুল কাশেম নিজেকে বিএনপি নেতা পরিচয় দিয়ে প্রায় ১০-১২ জন মহিলাকে মারপিটসহ লাঞ্চিত করে। এর মধ্যে ২ জনকে ২৫০শয্যা বিশিষ্ট যশোর সদর জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সেই থেকে আমরা বিএনপি নেতা আবুল কাশেমের ভয়ে পরিবার পরিজন নিয়ে এলাকা ছেলে অন্য এলাকায় বসবাস করছি এবং চরম নিরাপত্তহীনতায় ভুগছি। এমতাবস্থায় আমি পরিবার পরিজন নিয়ে যাতে বসত ভিটায় ফিরতে পারি তাহার বিহিত ব্যবস্থাসহ ওই সকল সন্ত্রাসীদের বিরুদ্ধে সংবাদ সম্মেলনে বাধ্য হয়েছি। সন্ত্রাসী ও চাঁদাবাজদের মুখোশ উন্মোচন করতেই এই সংবাদ সম্মেলন। নুর ইসলামের পিতা মহাতাব সরদার।
সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন, মুন্তাজ আলী সরদার, কমলা, নার্গিস, মৌসুমী, শারমিন প্রমুখ। এ সময় তারা আকুল আবেদন জানান গুরুতর করুণ অবস্থা বিবেচনা পূর্বক যেন বস্তুনিষ্ঠু সংবাদ প্রকাশ করা হয় ও সেই সংবাদ সাপেক্ষে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহনে যেন প্রশাসন আন্তরিক হয়।
Devoloped By WOOHOSTBD