• সোমবার, ২০ এপ্রিল ২০২৬, ০২:৪৬ অপরাহ্ন
শিরোনাম:
বেলকুচিতে গোয়ালঘরে অগ্নিকাণ্ড নওগাঁয় দেশীয় অস্ত্রসহ তিন সন্ত্রাসী গ্রেফতার ওসির চোখ ফাঁকি দিয়ে রাতের আঁধারে ধোপাজান নদীতে বালু লুটপাটের অভিযোগ,ডিউটির দায়বদ্ধতা ছাড়াতে ব্যবসায়ীর নৌকা জব্দ সৌদি আরবে মর্মান্তিক সড়ক দুর্ঘটনায় কটিয়াদী’র যুবক আলমগীর নিহত বিশ্ব বার্থ ডিফেক্ট ডে উপলক্ষ্যে সেমিনার অনুষ্ঠিত পূর্ব বিরোধের জের ধরে সোনারগাঁয়ে যুবককে কুপিয়ে জখম সোনামসজিদ সীমান্তে ৫৯ বিজিবির বড় সাফল্য ভারতীয় ট্রাকসহ প্রায় ৬ হাজার বোতল মাদক সিরাপ জব্দ নওগাঁ জেলা পুলিশের দুর্দান্ত অভিযান : বদলগাছিতে শিশু ধর্ষণ মামলার আসামি মোঃ আব্দুস সাত্তার (৬০) গ্রেফতার জনগণের আস্থাই সরকারের সবচেয়ে বড় অর্জন, নির্যাতিতদের ডাটাবেজ ও রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতি জরুরি: ড. আসিফ মিজান বটিয়াঘাটা বিএনপি নেতার মায়ের দাফন পারিবারিক কবরস্থানে সম্পন্ন

অচেনা বৌমার হয়রানি মামলায় আসামি তোলা নূরপুরের মুনছুর ফজলু আনোয়ার

Muntu Rahman / ৯০ Time View
Update : মঙ্গলবার, ৩ ফেব্রুয়ারী, ২০২৬

মালিকুজ্জামান কাকা

ছেলেকে শাসন করায় কথিত অচেনা বৌমার হয়রানি মামলায় আসামি হয়েছেন মুনছুর আলী, তার ভাই ফজলু ও পড়শী আনোয়ার। ভুক্তভুগি আসামিরা যশোর সদর উপজেলার তোলানূরপুরের বাসিন্দা। এক মাস আগের ঘটনা মামলায় উল্লেখ করা হয়েছে। আদতে এ ধরণের কোন ঘটনাই ঘটেনি বলে ভুক্তভুগিরা দাবি করেছেন। এই মামলার ঘটনায় গ্রামে তোলপাড় শুরু হয়েছে।
তোলা নূরপুরের মৃত আকবর আলীর ছেলে মুনছুর আলী ও ফজলু ওরফে কারেন্ট মিস্ত্রী ফজলু, তাদের পড়শী আনোয়ার ওরফে হোটেল আনোয়ারের বিরুদ্ধে মামলা করেছেন মসিয়ার রহমানের মেয়ে মাহমুদা আক্তার মিরা। তিনি বিজ্ঞ সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আমলী কতোয়ালি আদালত যশোরে মামলা করেছেন। মামলায় ঘটনার তারিখ ২০২৫ সালের ৩ ডিসেম্বর। ধারা ৪৪৭/৩২৩/৩২৪/৩০৭/৫০৬(২)/১০৯ দ:বি:।
মামলায় উল্লেখ করা হয়েছে আসামিরা বাদি কে তাদের বাড়িতেই রড দিয়ে শহিদুল ইসলাম মুন্না ও মিরা কে মারধোর করে। এতে মিরা ও মুন্না রক্তাক্ত জখম হয়।
আহত স্বামী স্ত্রী শহরের আল হায়াত হাসপাতাল এন্ড ডায়াগনস্টিক সেন্টারে ডাক্তার এএইচএম মঞ্জুর উদ্দীনের কাছে চিকিৎসা গ্রহণ করেছেন দাবি করেন। তারা চিকিৎসা গ্রহণের একটি ডকুমেন্ট ফটোকপি মামলার আর্জির সাথে সংযুক্ত করেছেন।
এই মামলা সম্পর্কে মুনছুর আলী বলেন, তিনি মিরা কে চেনেন না। তার বাড়িতে কখনো মিরা ছিল না।
আল হায়াত হসপিটাল এন্ড ডায়াগনস্টিক সেন্টার কতৃপক্ষ প্রদত্ত এডমিশন কালেকশনে মিরা বা শহিদুল ইসলাম মুন্না নামে কোন রোগী ভর্তি ছিল তার প্রমান নেই। ডাক্তার এএইচএম মঞ্জুর উদ্দীন যে প্রেসক্রিপশন কপি জমা দেওয়া হয়েছে তা ইউনাইটেড আই এন্ড জেনারেল হাসপাতালের প্যাড। আর সেটি শহিদুল ইসলাম। মামলায় মিরার ভর্তি সংক্রান্ত ডকুমেন্ট নেই। এ বিষয়ে ডাক্তার বলেছেন তিনি ঐ দুই নামে কোন রোগী ঐ দিন চিকিৎসা দেননি।
তোলা নুরপুর গ্রামবাসী জানান, তারা শুনেছে মুনছুরের ছেলে মুন্না বিয়ে করেছে। তবে গ্রামবাসী কখনো মুন্নার বৌ কে দেখেনি। মুন্না এ গ্রামে নিজ বাড়িতে এখন থাকে না। অবস্থাদ্রষ্ট বোধ হয় একটি জালিয়াত চক্রের ফাঁদে পড়েছে মুন্না। সেই চক্রের বড় ধরনের কালপ্রীট মিরা। আর তাই গ্রামে আসার আগেই সে মনছুরের বাড়ি ঘর দখলে মরিয়া হয়ে এই মিথ্যা ও হয়রানি মূলক মামলা করেছে। এর বিকল্প কিছু গ্রামবাসী এই মুহূর্তে ভাবতে পারছে না।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category

Devoloped By WOOHOSTBD