• বুধবার, ২৪ জুন ২০২৬, ০৯:১৭ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম:
প্রশিক্ষণ কর্মশালা ও গুণীজন সংবর্ধনার আমন্ত্রণপত্র প্রদান উপলক্ষে পুলিশ সুপারের সঙ্গে স্বদেশ বিচিত্রা প্রতিনিধিদের সৌজন্য সাক্ষাৎ বাদাঘাটে বিক্ষোভের মধ্যেই অভিযুক্তকে গ্রেফতার করল পুলিশ সাংবাদিক খুনের আস্ফালন: কার ছত্রছায়ায় অভয় পাচ্ছে খুনি মিজান? ​ চট্টগ্রামের লোহাগাড়ায় দুই যাত্রীবাহী বাসের মুখোমুখি সংঘর্ষে সুমাইয়া জান্নাত (১৯) নামে বাঁশখালীর এক কলেজ ছাত্রী নিহত এবং একজন আহত হয়েছে। “র‍্যাব-১১ এর মাদক বিরোধী অভিযানে নারায়ণগঞ্জের বন্দর হতে অবৈধ মাদকদ্রব্য সহ ৪২০ বোতল স্কাফ উদ্ধার কালিয়াকৈরে কাবিটা ও কাবিখার ২ কোটি ৫৬ লাখ টাকার চেক বিতরণ দৌলতপুর উপজেলা তাঁতী দলের জরুরী সভা নওগাঁর কালীগ্রাম-একডালা ইউনিয়ন ভূমি অফিসে ভূমিসেবা বিষয়ক গণশুনানি অনুষ্ঠিত হেলিকপ্টার নিয়ে কবে আসবেন?’ শিক্ষামন্ত্রীকে শিশুর প্রশ্ন ভেড়ামারার সেবায় পাশে থাকতে চান সুমন বিশ্বাস, দোয়া ও সমর্থন কামনা

ভেড়ামারা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স’র ল্যাবকে বৃদ্ধাঙ্গুলি প্রদর্শন করে ডাক্তারদের টেস্ট বাণিজ্যে চরমে। রোগীদের ভোগান্তি,,,(পর্ব-২)

Muntu Rahman / ৫০২ Time View
Update : বৃহস্পতিবার, ২৮ আগস্ট, ২০২৫

ভেড়ামারা অনলাইন প্রেসক্লাব প্রতিনিধি –

ভেড়ামারা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স এর কতিপয় ডাক্তাররা তাদের হাসপাতালের নিজস্ব প্যাথলজি বিভাগ থাকার পরও প্রায় তারা হাসপাতালে না করিয়ে তাদের মনোনীত ডায়াগনস্টিক সেন্টার এ পাঠান। এতে করে রুগীরা হয়রানির শিকার হচ্ছে এবং হাসপাতালের ল্যাবের আয় কমে যাওয়ার যাচ্ছে। এক্সরে নিয়ে ও হয়রানির শেষ নেই। আমাদের প্রশ্ন হাসপাতালের এক্সরে মেশিন ইসিজি মেশিন এর কাজটা কি? রুগী যদি উক্ত মেশিনের সেবা নাই পায় তাহলে সেবা টা কারা পায়? ফ্লিমগুলো যায় কোথায়?

কতিপয় ডাক্তার তাদের মনোনীত ডায়াগনস্টিক সেন্টার এ পাঠান। অন্য ডায়াগনস্টিক থেকে রিপোর্ট করালে তারা রিপোর্ট দেখতে চাননা বলেও অভিযোগ পাওয়া গেছে।

বর্ন্যা নামে এক রোগী বলেন, সব টেস্ট করতে বাহিরে পাঠায়। এতে করে ভেড়ামারায় আসা যাওয়া বাবদ টাকা এবং সময় দুইটাই চলে যায়। রিপোর্ট নিয়ে গিয়ে ডাক্তার কে পাওয়া যায় না বলে পরের দিন আবার যেতে হয়। হে যে টেস্ট গুলো হাসপাতালে হয়না সেগুলো দিলেও কথা থাকে।

শুকুর আলী নামে এক রোগী বলেন, হাসপাতালে এক্সরে মেশিন থাকলেও সেখানে গেলে বলে ফ্লিম নেই বাহিরে যান।
ডাক্তাররা ডায়াগনস্টিক ব্যবসায় জড়িয়ে পড়ায় তারা হাসপাতালের রুগীদের কে তাদের সেন্টার মুখী করতে এই প্রচেষ্টা।

জরুরী বিভাগে চলে চরম সিন্ডিকেট। রুগীদের থেকে উৎকোচ নেওয়ার অভিযোগের শেষ নেই।

যথাযথ কর্তৃপক্ষের আশু হস্তক্ষেপ কামনা করছি –
১. ঝাড়ুদার কি করে নার্সদের মত ইনজেকশন পুশথেকে সব কাজ করে?
২. ডাক্তাররা কি করে যথা সময়ে ডিউটিতে উপস্থিত হয়না এবং ডিউটির শেষ সময় না হতেই হাসপাতাল ত্যাগ করেন? ৩. হাসপাতালের নিজস্ব ল্যাব থাকার পরও কি করে হরহামেশাই টেস্ট করতে বাহিরে তাদের মনোনীত ডায়াগনস্টিক সেন্টার এ রুগীদের কে প্রেরণ করেন?
৪. জরুরী বিভাগে সাহায্যকারী ব্যক্তিরা রুগীদের থেকে উৎকোচ নেই কেন?
৫. ইসিজি মেশিন থাকতেও বাহিরের মেশিন কেন আনতে হয় বা রুগী বাহিরে পাঠাতে হয়?
ইত্যাদি এমন অনেক অভিযোগ রয়েছে। বিধায় তদন্ত সাপেক্ষ উক্ত বিষয় গুলোর বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করার জোর সুপারিশ জানাচ্ছি।

তদন্ত সাপেক্ষ সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের আশু হস্তক্ষেপ কামনা করছি।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category

Devoloped By WOOHOSTBD