• বুধবার, ২৪ জুন ২০২৬, ০৯:১৭ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম:
প্রশিক্ষণ কর্মশালা ও গুণীজন সংবর্ধনার আমন্ত্রণপত্র প্রদান উপলক্ষে পুলিশ সুপারের সঙ্গে স্বদেশ বিচিত্রা প্রতিনিধিদের সৌজন্য সাক্ষাৎ বাদাঘাটে বিক্ষোভের মধ্যেই অভিযুক্তকে গ্রেফতার করল পুলিশ সাংবাদিক খুনের আস্ফালন: কার ছত্রছায়ায় অভয় পাচ্ছে খুনি মিজান? ​ চট্টগ্রামের লোহাগাড়ায় দুই যাত্রীবাহী বাসের মুখোমুখি সংঘর্ষে সুমাইয়া জান্নাত (১৯) নামে বাঁশখালীর এক কলেজ ছাত্রী নিহত এবং একজন আহত হয়েছে। “র‍্যাব-১১ এর মাদক বিরোধী অভিযানে নারায়ণগঞ্জের বন্দর হতে অবৈধ মাদকদ্রব্য সহ ৪২০ বোতল স্কাফ উদ্ধার কালিয়াকৈরে কাবিটা ও কাবিখার ২ কোটি ৫৬ লাখ টাকার চেক বিতরণ দৌলতপুর উপজেলা তাঁতী দলের জরুরী সভা নওগাঁর কালীগ্রাম-একডালা ইউনিয়ন ভূমি অফিসে ভূমিসেবা বিষয়ক গণশুনানি অনুষ্ঠিত হেলিকপ্টার নিয়ে কবে আসবেন?’ শিক্ষামন্ত্রীকে শিশুর প্রশ্ন ভেড়ামারার সেবায় পাশে থাকতে চান সুমন বিশ্বাস, দোয়া ও সমর্থন কামনা

ভেড়ামারায় হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসকদের মানববন্ধন ও স্মারকলিপি প্রদান

Muntu Rahman / ২৮৭ Time View
Update : সোমবার, ১ সেপ্টেম্বর, ২০২৫

ভেড়ামারা প্রতিনিধি –

হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসকদের বিরুদ্ধে বিএমডিসির অপপ্রচারের প্রতিবাদে কুষ্টিয়ার ভেড়ামারায় আজ সোমবার সকাল ৯.৩০ ঘটিকার সময় ডাঃ মনা ইয়োগা ওয়ার্ল্ড এর সামনে হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসক সমাজ কল্যাণ সংস্থা এবং আবুল কাশেম হোমিওপ্যাথিক মেডিকেল কলেজ (প্র) আয়োজিত এক মানববন্ধন প্রতিবাদ সভা অনুষ্ঠিত হয়।

হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসক সমাজ কল্যাণ সংস্থা ভেড়ামারা উপজেলা শাখার সভাপতি ডাঃ শিহাবুল আলম এর সভাপতিত্বে উক্ত মানববন্ধন ও প্রতিবাদ সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন অত্র সংস্থার প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান ডাঃ কামরুল ইসলাম মনা।

হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসক সমাজ কল্যাণ সংস্থার প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান ডাঃ কামরুল ইসলাম মনা বলেন, ডাক্তার শব্দ টা বিএমডিসির পৈত্রিক সম্পত্তি নয়। এলোপ্যাথির জনক আলাদা, হোমিওপ্যাথির জনক ও আলাদা। উভয় চিকিৎসা পদ্ধতি ও আলাদা। তাহলে কেন আমাদেরকে তাদের আইন মেনে চলতে হবে? পৃথিবীর কোথাও তো এমন নেই? তবে কেন আমাদের উপরে চাপানো হচ্ছে? আপনারাই বলুন কোন
মুসলিম যেমন হিন্দু আইন মানবেনা, হিন্দু যেমন মুসলিম আইন মানবেনা ঠিক তেমনি হোমিওপ্যাথি বিএমডিসির আইন কেন মানবে?

হোমিওপ্যাথিক কাউন্সিল আলাদা, আইন আলাদা, কলেজ আলাদা, মেডিসিন আলাদা, বইও আলাদা,, , ফলে আমাদের কে কেন এলোপ্যাথিক আইন অনুযায়ী চলতে হবে? হোমিওপ্যাথির আইন অনুযায়ী আমরা বৈধ চিকিৎসক এবং নামের পূর্বে ডাক্তার লিখিবার ও অধিকারী। তাই পেরেশানির কিছু নেই।

আমরা হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসক সমাজ কল্যাণ সংস্থা বাংলাদেশের প্রেসিডেন্ট ডাঃ কামরুল ইসলাম মনা আরো বলেন, প্রায় বিএমডিসি একটি নোটিশ জারি করে যার ফলে হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসকরা নানা ভাবে হয়রানির স্বীকার হতে দেখা যায়। বিএমডিসির সাথে হোমিওপ্যাথির কোন সম্পর্ক নেই। কারণ এলোপ্যাথি আইন আলাদা, হোমিওপ্যাথি আইন আলাদা।

হোমিওপ্যাথদের প্রথমে ৮৩ অডিন্যান্স এ হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসকদের ডাক্তার লেখার অধিকার প্রদান করা হয়। পরবর্তী তে জাতীয় সংসদে পাশ কৃত ২০২৩ হোমিওপ্যাথিক আইনেও হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসকরা নামের আগে ডাঃ লিখিবার অধিকারী লিপিবদ্ধ থাকলেও বার বার বিএমডিসির নোটিশ হোমিওপ্যাথি কে ধ্বংস করার নিমিত্তে দীর্ঘ বছর ধরে নোটিশ জারি করে আসছে যা আপত্তিকর।
উল্লেখ, বাংলাদেশ হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসা শিক্ষা আইন, ২০২৩ অনুযায়ী হোমিওপ্যাথিক ডি.এইচ.এম.এস ও বি.এইচ.এম.এস ডিগ্রী ছাড়া হোমিওপ্যাথিতে অন্য কেউ ডা. পদবী লিখতে পারবেনা। তারপর ও বার বার বিএমডিসির নোটিশের প্রেক্ষিতে হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসকরা নানাভাবে হয়রানি হয়। যা মোটেই কাম্য নয়।
দেশের ৪০ ভাগ মানুষ হোমিওপ্যাথি চিকিৎসা সেবা গ্রহণ করে। হোমিওপ্যাথির সাফল্য ঈর্ষান্বিত হয়ে হোমিওপ্যাথি কে ধ্বংস করতে বার বার এমন অপপ্রচার করা হয়।
পার্শ্ববর্তী ভারত, পাকিস্তান, নেপাল, ভুটান, শ্রীলংকা সহ বিশ্বব্যাপি আইনগতভাবে সরকার স্বীকৃত ডিগ্রীধারি হোমিওপ্যাথিকগণ ডা. পদবি লিখে আসছে। তাতে এলোপ্যাথদের কোন বাধা নেই কিন্তু আমাদের দেশে হোমিওপ্যাথির সাফল্যে ঈর্ষান্বিত হয়ে বার বার বিরোধ করে চলেছে।
বাংলাদেশ হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসা শিক্ষা কাউন্সিল
(বাংলাদেশ হোমিওপ্যাথিক বোর্ড) যা বাংলাদেশ সরকারের স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয় কর্তৃক পরিচালিত হয়ে সরকার আমাদের সার্টিফিকেট দিচ্ছে, রেজিস্ট্রেশন দিচ্ছে, রেজিস্ট্রেশন সার্টিফিকেটে নামের পূর্বে “ডাক্তার” লিখে দিচ্ছে। তারপর ও নাকি আমরা বিএমডিসির নোটিশ অনুযায়ী ডাক্তার লিখতে পারবো না যা দুঃখজনক।

এটা হোমিওপ্যাথি কে ধ্বংস করার গভীর ষড়যন্ত্র। তাই সকল হোমিওপ্যাথকে দলমত ভেদাভেদ ভুলে ঐক্যবদ্ধ হয়ে সকল ষড়যন্ত্রের বিরুদ্ধে সোচ্চার হতে হবে, আইনি লড়াইয়ের পাশাপাশি রাজপথে নামতে হবে, এছাড়া নিজেদের অস্তিত্ব রক্ষায় আর কোন পথ নেই বলে আমি মনে করি।

মানববন্ধন শেষে ভেড়ামারা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা রফিকুল ইসলাম এর নিকট স্মারকলিপি প্রদান করেন উক্ত সংগঠনের নেতৃবৃন্দ।

এসময়ে অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন, বীর মুক্তিযোদ্ধা ডাঃ আব্দুল হাকিম, ডাঃ হাসানুজ্জামান টপি, ডাঃ বিদ্যুৎ হোসেন, ডাঃ এমদাদুল হক পুনা, ডাঃ ইসরাফিল হোসেন, ডাঃ আমিরুল ইসলাম, ডাঃ ইউনুস আলী, ডাঃ শরিফুল ইসলাম, ডাঃ সাবিনা আক্তার, ডাঃ হোসনেয়ারা বানু, ডাঃ মজির উদ্দিন, ডাঃ জহুরুল ইসলাম, ডাঃ রোকনুজ্জামান, ডাঃ ফারুক হোসেন, ডাঃ হাসানুজ্জামান চুনু, ডাঃ জেসমিন নাহার, ডাঃ জিল্লুর রহমান, ডাঃ কাকলি, ডাঃ শরিফুল ইসলাম বাবুল, ডাঃ মোল্লা, ডাঃ আরিফলসহ ভেড়ামারা উপজেলার দেড় শতাধিক হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসক ও ছাত্র ছাত্রী।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category

Devoloped By WOOHOSTBD