• রবিবার, ১৪ জুন ২০২৬, ০৯:৫৫ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম:
কালিয়াকৈরে প্রিপেইড মিটারের রাজত্ব-অন্ধকারে হাজারো মানুষের ভোগান্তি, চ্যারিটি ব্লাড ইউনিটের ৫ম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন তাহিরপুরে ব্যতিক্রমী পারাপার ব্যবস্থা, উঠেছে নানা প্রশ্ন চাঁপাইনবাবগঞ্জে বিএমডিএ’র বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির উদ্বোধন, ৫ বছরে ২৭ লাখ গাছ লাগানোর পরিকল্পনা মহিপুরে জাতীয় বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি’র উদ্বোধন। চাঁপাইনবাবগঞ্জে ৫ বছরে ২৫ কোটি বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির শুভ উদ্বোধন করেন ——–ডিসি আবু ছালেহ মোঃ মুসা জঙ্গী মেধার মূল্যায়নে গ্লোবাল ফোরাম অব কিশোরগঞ্জ: ১৩ কৃতি শিক্ষার্থীকে বৃত্তি ও সম্মাননা প্রদান নির্বাচনী প্রচারণায় ভিন্ন মাত্রা: জালালপুরে আইনজীবী রফিকুল ইসলামের ফ্রি মেডিকেল ক্যাম্প জামালগঞ্জে স্টার্টআপ, সায়েন্স প্রজেক্ট এন্ড ইনোভেশন আইডিয়া শৌকেজিং প্রোগ্রাম অনুষ্ঠিত মহিপুরে ১ কেজি ৫৪০ গ্রাম গাঁজাসহ দুই নারীসহ তিন মাদক ব্যবসায়ী গ্রেপ্তার।

আর্থ্রাইটিস অস্টিওআর্থ্রাইটিস এবং জয়েন্ট প্রদাহ চিকিৎসায় যোগাসন এর ভূমিকা — ডাঃ কামরুল ইসলাম মনা

Muntu Rahman / ৪৪২ Time View
Update : শনিবার, ২ মার্চ, ২০২৪

 

আর্থ্রাইটিস বলতে সাধারণত অস্থিসন্ধি বা জয়েন্টের
প্রদাহকেই বোঝানো হয়। এটি নির্দিষ্ট একটি রোগ নয়। এটি এক বা একাধিক জয়েন্টকে আক্রান্ত করতে পারে।

বিশেষ করে যারা আর্থ্রাইটিস অস্টিওআর্থ্রাইটিস এবং জয়েন্টের প্রদাহের রোগে ভুগছেন তাদের জীবনে যোগাসন একটি গুরত্বপূর্ণ ভূমিকা হিসেবে কাজ করে। অস্থিসন্ধির গতিশীলতা উন্নত করতে, ব্যথা কমাতে এবং রোগীদের জীবনের সামগ্রিক মান উন্নত করতে যোগ গুরুদের ভূমিকা অপরিসীম।

আর্থ্রাইটিস, অস্টিওআর্থ্রাইটিস এবং জয়েন্টের প্রদাহে যোগাসন :

আর্থ্রাইটিস, অস্টিওআর্থ্রাইটিস এবং জয়েন্টের প্রদাহ এমন একটি রোগ, যা বিশ্বব্যাপী লাখ লাখ মানুষকে আক্রান্ত করে। অস্টিওআর্থারাইটিস থেকে রিউম্যাটয়েড আর্থ্রাইটিস পর্যন্ত হতে পারে। আমরা বিভিন্ন ধরনের আর্থ্রাইটিস, অস্টিওআর্থ্রাইটিস ও জয়েন্ট প্রদাহের ব্যাপকতা এবং এর চিকিৎসায় যোগাসন কেন গুরুত্বপূর্ণ, তা তুলে ধরার চেষ্টা করব-

যোগাসন চিকিৎসা পদ্ধতি :

যোগাসন চিকিৎসা সব রোগীর জন্য এক নয়; এটি প্রতিটি রোগীর সমস্যা অনুযায়ী ভিন্ন ভিন্ন পদ্ধতি। আর্থ্রাইটিস, অস্টিওআর্থ্রাইটিস এবং জয়েন্টের প্রদাহ মোকাবেলায় যোগ গুরুরা বিভিন্ন আসন পদ্ধতি ব্যবহার করে থাকে।

যোগের গতিশীলতা ও কার্যকারিতা পুনরুদ্ধার সময়ে :

যোগাসন এর মাধ্যমে আর্থ্রাইটিস, অস্টিওআর্থ্রাইটিস ও জয়েন্টে প্রদাহে
আক্রান্ত রোগীর গতিশীলতা এবং কার্যক্ষমতা পুনরুদ্ধারই নয়, পুরোপুরি আরোগ্য হতেও দেখা যায়।

ব্যথা ও জীবনমান বৃদ্ধিতে যোগাসন:

ব্যথা ব্যবস্থাপনা বাত এবং জয়েন্টের প্রদাহ চিকিৎসার একটি গুরুত্বপূর্ণ দিক। যোগ গুরুরা বিভিন্ন ব্যথা-উপশম কৌশল অবলম্বন করে থাকেন যেমন-থেরাপিউটিক ব্যায়াম, ম্যাসেজ, খাদ্যভাস ও লাইফ স্টাইল পরিবর্তন করার নিয়ম ইত্যাদি।

সুস্থতা ও দৃষ্টিভঙ্গির পরিবর্তনে যোগ :

যোগ এক জীবন দর্শন। যোগের মাধ্যমে শুধু সুস্থতায় নয়, জীবন কে পরিবর্তন করতে, মন কে পরিবর্তন করতে অদ্বিতীয়। যোগ মন ও আত্মার ময়লা পরিবর্তন এর মাধ্যমে সকল নেগেটিভ ভাবনা কে ছুড়ে ফেলে পজেটিভ মানুষে রুপান্তরিত করে। নিয়মিত যোগাসন করলে দৃষ্টি ভঙ্গির পরিবর্তনসহ দীর্ঘ মেয়াদী নীরোগ থাকা সম্ভব।

সহযোগিতা এবং সচেতনতা :

আর্থ্রাইটিস এবং জয়েন্ট প্রদাহ ব্যবস্থাপনায় যোগাসনের গুরুত্ব সম্পর্কে সচেতনতা বৃদ্ধি করা অপরিহার্য। তাই আসুন আমরা সকলে মিলে বাংলার ঘরে ঘরে যোগের ক্লাস চালু করি। নিজে যোগ করি এবং অপরকে যোগ করতে সহায়তা করি। সবার মধ্যে যোগের উপকারিতা তুলে ধরতে চেষ্টা করি।

যোগের মাধ্যমে আমরা আমাদের মাংসপেশির শক্তি বাড়াতে পারি। জয়েন্ট মোবিলাইজেশন, সন্ধির স্বাভাবিক নড়াচড়া করাতে পারি।
এছাড়াও অ্যারোবিক ব্যায়াম ও স্ট্রেচিং ব্যায়াম খুব উপকারী।

আল্লাহর সবচেয়ে বড় নিয়ামত। স্বাস্থ্যই সুখের মুল। স্বাস্থ্য সুরক্ষায় সকলকে নিয়মিত ইয়োগা করা উচিৎ।
কথায় বলে ” Prevention is better than cure “।
আর এই রোগ প্রতিরোধ করার জন্যো ” শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি ” র জন্য যোগ একান্ত প্রয়োজন।

যোগাসনের উপকারিতা-

নিয়মিত যোগ করলে আশাতীত উপকার দর্শে। আজ যোগাসনের কয়েকটি উপকারীতা নিয়ে আলোচনা করবো –
*শারীরিক ও মানসিক ভারসাম্য রক্ষা করতে সাহায্য করে।
*শরীরে জমে থাকা বিষ (টক্সিন) দূর করতে যোগাসন খুবই গুরুত্বপূর্ণ।
*যোগাসন আমাদের পেটের অভ্যন্তরীণ অঙ্গ—যেমন পাকস্থলী, ক্ষুদ্রান্ত্র, বৃহদান্ত্র, যকৃৎ কার্যকর করে। ফলে হজমশক্তি উন্নত হয় এবং কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করে।
*চাপ দূর করতে যোগাসনের বিকল্প নেই।
*শরীরের রক্তসঞ্চালন বাড়াতে সাহায্য করে যোগাসন, যার ফলে অভ্যন্তরীণ শক্তিপ্রবাহের মাত্রা বেড়ে যায়, ফলে আমরা কর্ম–উদ্যমী হয়ে উঠি।
*শরীর মন ও আত্মার একত্রকরণের মাধ্যমে যোগাসন কোনো একটি বিষয়ের প্রতি একাগ্রতা আনতে সহায়তা করে।
*মনের চঞ্চলতা কমায়, ধৈর্যশক্তি বাড়ায়।
*মেয়েদের পিরিয়ডের সময় ব্যথা নিরাময় করতে সাহায্য করে, নারীদের ডিম্বাশয় ভালো থাকে। ফলে প্রজননক্ষমতা বাড়াতে সহায়তা করে।
*যোগাসন বিচলিত–বিক্ষিপ্ত মনকে শান্ত করতে সাহায্য করে। এতে চিন্তা করার দক্ষতা বাড়ে এবং আমরা সৃজনশীল হয়ে উঠতে পারি।
এছাড়াও ১.মানসিক চাপ কমাতে ও মনোযোগ বাড়ায়
২.শক্তি ও ফ্লেক্সিবিলিটি উন্নত করতে
৩.মনোযোগ বাড়ে
৪.উদ্বেগ এবং হাইপারঅ্যাকটিভিটির সঙ্গে মোলাবিলা করে
৫.গভীর ঘুম,,, ইত্যাদি।

যোগ ব্যায়াম শুরু করার আগে মুদ্রা প্রকরণ ও যোগাসন এর নিয়মটা আগে সঠিকভাবে জেনে বুঝে তারপর বিধি মোতাবেক যোগ করলে আশাতীত উপকার পাওয়া যায়।

সাবধানতা- বিধি মোতাবেক যোগ না করলে উপকারের চেয়ে ক্ষতির সম্ভাবনা বেশী। ইউটিউব দেখে অনেকে যোগ করতে গিয়ে হিতে বিপরীত হতে দেখা যায় তাই গুরু ধরে সঠিক নিয়মে যোগ শিখুন চির সবুজ থাকুন, নীরোগ থাকুন।

আর্থ্রাইটিস অস্টিওআর্থ্রাইটিস এবং জয়েন্ট প্রদাহ চিকিৎসায় যোগাসন করতে এবং যোগ সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে জানতে আজই চলে আসুন –

ডাঃ মনা ইয়োগা ওয়ার্ল্ড
থানার সামনে, ভেড়ামারা, কুষ্টিয়া।
০১৭১২২৭৬৭৫৩


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category

Devoloped By WOOHOSTBD