• মঙ্গলবার, ২৬ মে ২০২৬, ১১:০৫ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম:
চন্দ্রায় শতাধিক বাস কাউন্টার বন্ধ,টিকিট না পেয়ে মহাসড়কে দিশেহারা লক্ষাধিক যাত্রী দৌলতপুরে আদালতের আদেশ অমান্য করে বসতি নির্মানের অভিযোগ ক্ষতিপূরণ পেলেন ইটভাটার পাশে থাকা অর্ধশতাধিক কৃষক তাহিরপুরের চারটি অস্থায়ী পশুর হাট ইজারায় শুভঙ্করের ফাঁকি চুরি হওয়া মোটরসাইকেল উদ্ধারসহ অজ্ঞাত আসামি গ্রেপ্তার শহীদ জিয়ার ৪৫তম শাহাদাত বার্ষিকী উপলক্ষে জেলা বিএনপির মতবিনিময় সভা সুনামগঞ্জ ডিবি পুলিশের অভিযানে ভারতীয় বিপুল পরিমান জিরা ফুসকাসহ আটক-১ ঈদ-উল আযহার উপলক্ষে শ্রীপুর উত্তর ইউনিয়ন বাসীকে ঈদ শুভেচ্ছা জানিয়েছেন মোঃ সুহেল মিয়া। আলীপুরে ভূমিদস্যুদের অপকীর্তিতে পিবিআই কর্তা রিফাত ইমরান চট্টগ্রামের বাঁশখালী শেখেরখীল এলাকায় অভিযান চালিয়ে সরকারি নিষেধাজ্ঞা অমান্যের অভিযোগে একটি আইস ফ্যাক্টরিকে আর্থিক জরিমানা ও বিদ্যুৎ বিচ্ছিন্ন করা হয়েছে

দৌলতপুরে শিক্ষিকা স্ত্রীর অর্থসম্পদ লুটে নিয়ে ডিভোর্স দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে : সুবিচার চাই ভুক্তভোগী শিক্ষিকা

Muntu Rahman / ২৬১ Time View
Update : রবিবার, ৩১ ডিসেম্বর, ২০২৩

আসানুল হক কুষ্টিয়া দৌলতপুর

কুষ্টিয়া দৌলতপুর উপজেলা জে পিয়ারপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষিকা উম্মুল মোমেনীনা হাফসার অর্থসম্পদ লুটে নিয়ে ডিভোর্স দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে স্বামী ডাঃমির জহুরুল কবির টিপু বিরুদ্ধে। সুবিচার চাই ভুক্তভোগী শিক্ষিকা।

নিজ বাড়িতে অবস্থা করা অবস্থাতেই ডিভোর্স লেটার পাঠায় তার স্বামী বলে তিনি দাবি করেন শিক্ষিকা ।

এ বিষয়ে শিক্ষিকা উম্মুল মোমেনীনা হাফসা বলেন, আমার স্বামী নিজেকে পির দরবেশ বলে দাবী করে প্রায় বাহিরে থাকেতো। আমার ধারনা আমি শারীরিক ভাবে অসুস্থ হওয়ার পর থেকে অন্য নারীকে আসক্ত, সে কারনে বলতো আমি ভক্তদের বাড়িতে আছি। এমনি ভাবে সে বাহিরে থেকে, আমাকে তার নিজ বাড়িতে রেখেই গত ২৭ আগস্ট ডিভোর্স লেটার পাঠায়। পরে আমি বাধ্য হয়ে গত ২৪ সেপ্টেম্বর বাড়ি থেকে বিবাহযোগ্য তিন টা মেয়ে সহ বের হয়ে চলে এসেছি। সে আমার কাছে থেকে ২৫ লক্ষাধীক টাকা নিয়ে বাড়ি করেছে। এনং সে বেকার থাকায় আমার বেতনের টাকায় বিভিন্ন সময় সকল সুবিধা গ্রহন করেছে। এ বিষয়ে আমি আদালতে একটি মামলা করেছি সুবিচার চাই আমি।

এ বিষয়ে মির জহুরুল কবির টিপুর মেয়ে বলেন, আমার বাবার আচার ব্যবহার ভালো মা হওয়ার আমরা এক প্রকার বাধ্য হয়ে মায়ের সাথে বাড়ি ছেড়ে চলে এসেছি। আমরা চলে আসার সময় আমার মায়ের টাকায় কেনা আসবাবপত্র গুলো নিয়ে এসেছি। তবে আমার মায়ের সাথে চরম অবিচার করেছে আমার বাবা। আমি এই ঘটনার বিচার দাবী করছি।

এ মির জহুরুল কবির টিপু বলেন, আমার বিরুদ্ধে আনিত সকল অভিযোগ মিথ্যা ও ভিত্তিহীন। তিনি দাবি করেন আমার তালাক প্রাপ্ত স্ত্রী আমি বাড়িতে না থাকার সুযোগে আমার অনেক টাকার মালামাল নিয়ে গেছে । আমি ও সুষ্ঠ সমাধান চাই।

এদিকে এলাকাবাসী বলেন, শিক্ষিকা উম্মুল মোমেনীনা হাফসা একজন ভালো মানুষ। আমাদের জানামতে তার উপার্জনে তাদের তিন মেয়েকে নিয়ে সংসার চলতো। আমরা চাই এই ঘটনার সমাধান হোক। তিনটা মেয়ে নিয়ে শেষ বয়সে তিনি কোথায় যাবেন। আমরা চাই বিষয়টির সুষ্ঠু সমাধান হোক।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category

Devoloped By WOOHOSTBD