• বৃহস্পতিবার, ১৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ০৪:৫৫ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম:
চাঁপাইনবাবগঞ্জে ডিএনসির অভিযানে বিপুল পরিমাণ ইয়াবা ও নগদ অর্থসহ আটক ০১ মুড়লি রেল ক্রসিংয়ে মাদ্রাসার নামে মহাসড়কে নিয়মিত চাঁদাবাজি অবৈধ বালু উত্তোলনে নিয়মিত মামলার দাবি পুলিশের কালিয়াকৈরে বাসে ডাকাতি প্রস্তুতিকালে অস্ত্রসহ ছয়জন গ্রেফতার তাহিয়া একাডেমির যৌথ উদ্যোগে দিনব্যাপী গবাদিপশুর প্রাথমিক চিকিৎসা ও টিকাদান কর্মসূচি শাহ্ নেয়ামতুল্লাহ কলেজের তিন শিক্ষকের বিদায় সংবর্ধনা অনুষ্ঠিত রেলগেটে নালিসী জমির মামলায় সিআইডি তদন্ত শুরু কটিয়াদীতে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস উদযাপন উপলক্ষে প্রস্তুতিমূলক সভা চূড়ামনকাঠিতে শিক্ষিকা হত্যার চেষ্টা ২৫ পরিবারের রাস্তা জবর দখল করে স্থাপনা নির্মাণ নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জে পুলিশের বিশেষ অভিযানে গাড়ির নকল নম্বর প্লেট ওয়াকিটকি ও দেশীয় অস্ত্র উদ্ধার

মুড়লি রেল ক্রসিংয়ে মাদ্রাসার নামে মহাসড়কে নিয়মিত চাঁদাবাজি

Muntu Rahman / ৬ Time View
Update : বুধবার, ১৮ ফেব্রুয়ারী, ২০২৬

মালিকুজ্জামান কাকা

নাম মোহাম্মদ আলী। মাদ্রাসার নামে বছরের পর বছর ধরে মহা সড়কে চাঁদাবাজি করছে। হ্যান্ড মাইক আর সাইন্ড বক্স টেবিলের উপর রাখা। সেটিও রাস্তার উপর। এই চাঁদাবাজি সকাল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত ধারাবাহিক হচ্ছে। আর তা সকলের চোখের সামনেই। যশোর শহরের গাঁ ঘেঁষে চলা মুড়লি রেল ক্রসিংয়ের ঠিক পাশেই।
স্থানীয় সমাজকর্মী ও সুধীজনেরা রেজিস্ট্রেশন বিহীন মাদ্রাসার নামে চাঁদাবাজি বন্ধে যশোরের জেলা প্রশাসক ও পুলিশ সুপারের সু দৃষ্টি কামনা করেছেন।
হাতে মাইক। এই মানুষটি চাঁদা চাইছেন। মাদ্রাসা নির্মাণ ও ছাত্র ছাত্রী পরিচালনার কথা বলছেন তিনি। ঠিক তার পিছনে একটি মাদ্রাসা। পথচারীরা জানান বহু দিন ধরে ঐ লোকটি ধর্ম ব্যাবহার করে চাঁদা তুলেই চলেছে। কেউ তার চাঁদা বাজিতে বাঁধা দেয় না।
একটু খোঁজ খবর নিতেই জানা গেল লোকটির বাড়ি চাঁচড়া দাঁড়িপাড়ায়। সেখানে তার আলিশান বাড়ি আছে।
তবে ঘটনার এখানেই শেষ নয়। আগে চাঁদা তুলে তার অংশ বিশেষ স্থানীয় আওয়ামীলীগ ক্যাডার মাস্তান কে দিত। এখন তিনি উঠানো চাঁদার টাকার ভাগ দেন কাজীপুরের ২/৪ জন বিএনপির আঞ্চলিক নেতাকে। এরা রামনগর ইউনিয়ন পরিষদের আওতাভুক্ত ২নং ওয়ার্ড কাজীপুরের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতা। চাঁদা বাজির আসে পাশে মঙ্গল ও বুধবার ঐ সব নেতাকে দেখা যায়নি। চেনা জানা না থাকায় তাদের মতামত জানাও সম্ভব হয়নি। তবে মাদ্রাসার নামে যথারীতি চাঁদা বাজি করতে দেখা গেছে।
আরো খোঁজ নিতে জানা যায় যে মাদ্রাসার নামে সে টাকা তুলছে তার রেজিস্ট্রেশন নেই। অর্থাৎ এটি অবৈধ চাঁদাবাজি কোন সন্দেহ নাই।
স্থানীয় ধর্মপ্রাণ মুসুল্লিরা জানান এলাকার সচেতন সুধী জন বহুবার তাকে চাঁদা তুলতে নিষেধ করেছে। কিন্ত তার পিছনে রয়েছে একটি শক্তিশালী সিন্ডিকেট। যারা অভয় দিয়ে তার মাধ্যমে চাঁদাবাজি করাচ্ছে। বিষয়টি নিয়ে কয়েক বার স্থানীয় লোকজনের সাথে ঐ চাঁদাবাজ মোহাম্মদ আলীর কথা কাটাকাটি হয়েছে। কিন্ত সে কারো কথা আমলে নেয়নি। এখন তারা এই চাঁদাবাজি বন্ধে জেলা প্রশাসনের দিকে চেয়ে রয়েছেন।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category

Devoloped By WOOHOSTBD