বটিয়াঘাটা প্রতিনিধিঃ
খুলনা জেলার বটিয়াঘাটা উপজেলার ফ্যাসিস্ট হাসিনা সরকারের দোসর শ্রমিক লীগের উপজেলা শাখার সভাপতি নজরুল ইসলাম খানের বিরুদ্ধে মহিলা মাদ্রাসা বিক্রির অভিযোগ উঠেছে । জানা গেছে, আওয়ামীলীগ সরকারের সময়ে সাবেক ইউপি সদস্য নজরুল ইসলাম খানের নেতৃত্বে গড়ে তুলে বিশাল সাম্রাজ্য ও লাঠিয়াল বাহিনী । তার ওই সকল অপরাধ জগতের সম্রাজ্যর দেখা শুনা করেন তার বখাটে ছেলে গং ও অন্যান্য সহযোগী লাঠিয়াল বাহিনী । উল্লেখ্য বড় ছেলে লিপ্টন খান আওয়ামী লীগ সরকার থাকাকালীন ২০২০ সালে খুলনা মহানগর প্রবেশদার গল্লামারী পুলিশ চেক পোস্টে ৩৫হাজার পিচ ইয়াবাসহ সোনাডাঙ্গা থানা পুলিশের হাতে ধরা পড়ে এবং নজরুলের স্ত্রী বাজারে প্রকাশ্যে একজনকে কুপিয়ে যখম করে । পরবর্তীতে তৃতীয় ছেলে ঘটনার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট হয়ে স্থানীয় শ্রমিক দলের সদস্যকে হত্যার উদ্দেশ্যে মাথায় আঘাত করে । এছাড়া তার আপন ছোট ভাই বাচ্চু খান মোটরসাইকেল স্টান্ডে একক কর্তৃত্ব নিয়ে সাধারণ ড্রাইভারদের কাছ থেকে চাঁদা আদায় করতেন। অন্যদিকে বাচ্চু খানের একমাত্র ছেলে বটিয়াঘাটা সদর ইউনিয়ন নিষিদ্ধ সংগঠন ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক । সে বর্তমানে নাশকতার মামলার আসামি। ফ্যাসিস্ট সরকারের সময় শেখ পরিবার ও শেখ সোহেলের বন্ধুবর পরিচয় দিয়ে বটিয়াঘাটায় এমন কোনো অপরাধ নেই যে সে ও তারা বাহিনী করে নাই। তারা নিজেকে বিভিন্ন সময় খুলনা জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান আলহাজ্ব শেখ হারুনুর রশীদের আস্থা ভাজন নিকট আত্মীয়ের পরিচয় দিয়ে বেড়াতেন সেই সুবাদে আওয়ামী লীগের আমলে তার নাম ভাঙ্গিয়ে পেশি শক্তির বলে ও ক্ষমতার অপব্যবহার করে ব্যক্তি নামে সরকারি জমি দখল, রাস্তার পাশে বসবাসকৃত লোকদের উচ্ছেদে ভয়ভীতি প্রদর্শন , হত্যা, ধর্ষণসহ এমন কোন অপকর্ম নেই যা নজরুল ইসলাম খান ও তার বাহিনীর করে নি। এতো কিছুর পরও আইন শৃংখলা রক্ষাকারী বাহিনীরকে বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখিয়ে পূর্বের থেকে বর্তমানে আরো বেশি শক্তি নিয়ে আওয়ামীলীগ সরকার পতনের পরও দাপিয়ে বেড়াচ্ছেন। স্থানীয় সাধারণ মানুষ জানতে চায় নজরুল ও তার বাহিনীর শক্তি উৎস কোথায় ? গোপন সংবাদের ভিত্তিতে জানা গেছে , বর্তমান ক্ষমতাসীন দলের নেতাদের সাথে সখ্যতা করে থানায়, গোডাউন, চালের ডিলারি সহ সরকারি সকল কর্মকান্ড আগের মতই চালিয়ে যাচ্ছে । সবচেয়ে অবাক করার মতো বিষয়,বটিয়াঘাটা বাজার সংলগ্ন অটো রাইচ মিলের কাছে সরকারি অনুদানে প্রাপ্ত মহিলা মাদ্রাসা ও তালিম ঘর বিক্রি করে ০৩ লক্ষ টাকা হাতিয়ে নিয়েছে এবং ওই মাদ্রাসার নামে সরকারি বিভিন্ন দপ্তর থেকে মাদ্রাসার নামে ৭০ থেকে ৮০ লক্ষ হাতিয়ে নিয়েছে বলে জানা যায়। এলাকাবাসী প্রতিকার চেয়ে বটিয়াঘাটা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা বরাবর আবেদনসহ সরকারি বিভিন্ন দপ্তরে গণস্বাক্ষরিত অভিযোগ দায়ের করলেও এর কোন প্রতিকার এলাকাবাসী পায় নি বিধায় জনমনে ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। এলাকাবাসী এই ব্যাপারে প্রতিকার চেয়ে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর উচ্চ পর্যায়ের কর্মকর্তাদের আশু হস্তক্ষেপ কামনা করেছে।
সম্পাদক ও প্রকাশকঃ ডা: কামরুল ইসলাম মনা
সহ-সম্পাদকঃ ইয়াছির আরাফাত মিফতা
নির্বাহী সম্পাদকঃ মো. জাকির হোসেন মিথুন
বার্তা সম্পাদকঃ মোঃ মন্টু রহমান
Copyright © 2026 দৈনিক হালচাল নিউজ. All rights reserved.