নারায়ণগঞ্জ জেলার আড়াইহাজার থানাধীন দুপ্তারা ইউনিয়নের দড়ি সত্যবান্দি এলাকায় নাদিম আকন্দ (৩৫) হত্যা মামলার প্রধান আসামিকে গ্রেফতার করেছে আড়াইহাজার থানা পুলিশ। ঘটনার মাত্র ৬ ঘন্টার মধ্যে তদন্তে উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি অর্জন করে আসামিকে গ্রেফতার করা হয়।
গত শুক্রবার ( ১৬ অক্টোবর ২০২৬) খ্রিঃ
সকাল অনুমানিক ১০:০০ ঘটিকায় স্থানীয় সংবাদের ভিত্তিতে আড়াইহাজার থানাধীন দুপ্তারা ইউনিয়নের দড়ি সত্যবান্দি সাকিনস্থ জনৈক বাতেন এর বাড়ি হাকিম মোল্লার ভাড়াটিয়া বাসার সেমি পাকা টিনশেড তালাবদ্ধ ঘরের ভিতর থেকে বস্তা বন্দি লাশ উদ্ধার করে পুলিশ। বস্তা খোলার পর নাদিম আকন্দ (৩৫), পিতা- মোঃ জসিম উদ্দিন, মাতা- মোসাঃ পান্না আক্তার, স্থায়ী সাং-উত্তর জাঙ্গালিয়া, ইউনিয়ন-জাঙ্গালিয়া, থানা-পাকুন্দিদয়া, জেলা-কিশোরগঞ্জ এর লাশ শনাক্ত হয়। এ ঘটনায় ডিসিস্ট নাদিম আকন্দ (৩৫), এর বড় ভাই মোঃ জাহাঙ্গীর আলম বাদী হয়ে
আড়াইহাজার থানায় আইন অনুযায়ী এজাহার দায়ের করে। এজাহার দায়ের করলে আড়াইহাজার থানায় একটি হত্যা মামলা রুজু হয়।
ঘটনাটি অত্যন্ত স্পর্শকাতর ওচাঞ্চল্যকর হওয়ায় নারায়ণগঞ্জ জেলার পুলিশ সুপার মোঃ হাবিবুর রহমান, পিপিএম-সেবা
এর নির্দেশনায় এবং সহকারী পুলিশ সুপার 'গ' সার্কেল মেহেদী ইসলাম এর তত্ত্বাবধানে আড়াইহাজার থানার অফিসার ইনচার্জ মোঃ সবজেল হোসেন এর নেতৃত্বে থানা পুলিশের একট চৌকস দল তদন্তে নামে। আধুনিক তথ্যপ্রযুক্তির মাধ্যমে তদন্ত পরিচালনা করে ঘটনার ০৬ ঘন্টার মধ্যে প্রধান আসামি মোঃ হাকিম মোল্লা,
পিতা- মোঃ মাহাবুব মোল্লা, সাং-গাছবাড়ীয়া, থানা- নড়াগাতী, জেলা- নড়াইলকে ডিএমপি'র যাত্রাবাড়ি এলাকা থেকে গ্রেফতার করা হয়।
গ্রেফতারকৃত আসামিকে প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে জানা যায়, নাদিম আকন্দ (৩৫)'কে একটা শিল্ড পাটা দিয়ে মাথায় আঘাত করে এবং শাসরুদ্ধ করে হত্যা করে গ্রেফতারকৃত আসামি মোঃ হাকিম মোল্লা। আসামি মোঃ হাকিম মোল্লাকে বিজ্ঞ আদালতে সোপর্দ করা হলে তিনি তার নিজের দোষ স্বীকার করে বিজ্ঞ আদালতে ফৌজদারি কার্যবিধি আইনের ১৬৪ ধারা মোতাবেক স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি প্রদান করেছে । প্রাথমিকভাবে জানা যায় যে, পরকীয়া ও পারিবারিক কলহের কারণে এই হত্যাকাণ্ড ঘটে।
সম্পাদক ও প্রকাশকঃ ডা: কামরুল ইসলাম মনা
সহ-সম্পাদকঃ ইয়াছির আরাফাত মিফতা
নির্বাহী সম্পাদকঃ মো. জাকির হোসেন মিথুন
বার্তা সম্পাদকঃ মোঃ মন্টু রহমান
Copyright © 2026 দৈনিক হালচাল নিউজ. All rights reserved.