চাঁচড়া বিএনপির সাধারণ সম্পাদক ফজলুল আলম স্থানীয় সরকার নির্বাচনে অংশ নিতে উন্মুখ। তিনি যশোর সদর উপজেলার ১০নং চাঁচড়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান প্রার্থী হতে চান।
ফ্যাসিস্ট আমলে দীর্ঘ অত্যাচার নির্যাতন মেনে এখন খানিক স্বাচ্ছন্দে রয়েছেন। তবে ফ্যাসিস্ট দোসর এখনো ১৫ আনা সমাজ ও রাজনীতিতে রয়ে গেছে। স্বচ্ছ রাজনীতির পথে ঐ ধারার লোকজন বাঁধা সৃষ্টি করছে। তিনি ভালো ও অপেক্ষাকৃত সাধারণ খারাপ মানুষজন নিয়ে এগিয়ে চলার পক্ষে। গ্রাম বাংলা যেথা হত দরিদ্র, নিম্নবিত্ত, মধ্যবিত্ত মানুষের অবস্থান তাদের সামাজিক স্থিতিশীলতা ফিরিয়ে আনতে কাজ করছেন। মানুষের উপকারে জনস্বার্থে তার রাজনীতি।
জাতীয়তাবাদী চেতনায় উজ্জীবিত ফজলুল আলম (৬০)। তার পিতা মৃত শহর আলী মোড়ল ও মাতা মৃত রাহীমন নেছা। সংসারে সন্তান বড় হয়েছে। তার এক ছেলে শিক্ষক। তিনি রাজনীতি, ব্যবসা, ধর্ম কর্ম আর মানুষ সেবায় দিন পার করছেন।
ফজলুল আলম বলেন, যশোর শহর ঘেঁষা অতি গুরুত্বপূর্ণ একটি ইউনিয়ন চাঁচড়া। সাবেক মন্ত্রী জননেতা তরিকুল ইসলামের আস্থা ভাজন একটি এলাকা। তবে বিগত ফ্যাসিস্ট আমলে এখানে সামাজিক অনিয়ম গুলোকে অন্যায়ভাবে নিয়ম করা হয়েছিল। হয়েছে নাগরিক অভিশাপ খুন, ডাকাতি অনেক কিছুই। তাই ভোটার ও নাগরিক সমস্যা আছেই। ৪১ হাজার ভোটারের ইউনিয়নটি এখনো খানিক বেসামাল দশায় রয়েছে। তবে স্থিতিশীল পরিবেশ ফিরতে শুরু করেছে যা আশার কথা। চাঁচড়া ইউনিয়নের ভাতুড়িয়া ৮নং ওয়ার্ড যেখানে তার পৈতৃক বাড়ি ঘর। পারিবারিক ও রাজনৈতিক স্বজনরা এখানে বসবাস করছেন। মূলত এরাই তাকে ইউপি চেয়ারম্যান দেখতে অতীব আগ্রহী।
বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বিএনপির বর্তমান ইউপি সাধারণ সম্পাদক ফজলুল আলম। তরিকুল ইসলামের শিষ্য হিসাবে তার পরিচিত রয়েছে। তরিকুল ইসলামের ছেলে সরকারের বিদ্যুৎ জ্বালানী ও খনিজ প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ ইসলাম অমিত তাকে চেনে জানে। সাবেক প্রয়াত মন্ত্রী তরিকুল ইসলামের স্ত্রী বিএনপির কেন্দ্রীয় ভাইস প্রেসিডেন্ট নার্গিস ইসলাম তার খোঁজ খবর নেয়। ইউনিয়ন জুড়ে তার রাজনৈতিক ও সামাজিক কার্যবিধি প্রশংসা ছড়িয়েছে। যদিও এতে ঈর্ষা করেন কেউ কেউ। তিনি মানুষের সেবা তথা ভুক্তভুগি মানুষের জন্য কাজ করতে পছন্দ করেন। ১৯৯০ সাল বা সম সাময়িক সময় থেকেই তিনি বিএনপির রাজনীতিতে সম্প্রীক্ত। এ কারণে তার বিরূপ পরিবেশ গেছে বহু দিন। তারপরও বিএনপি ছাড়েননি।
বিএনপির সকল সমাবেশে তিনি উপস্থিত থাকেন। ভোর সকাল থেকে তার সামাজিক কার্যক্রম শুরু হয়। ভাতুড়িয়ার বিএনপি কার্যালয়ে বসে তিনি বলেন, ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে তিনি চেয়ারম্যান প্রার্থী হতে চান। এলাকার সমস্যা গুলো সমাধান ও মানব সেবার মানুসিকতা থেকে তিনি এই সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছেন। তবে এজন্য দলের সিদ্ধান্ত যার অপেক্ষায় তিনি এখন অপেক্ষারত রয়েছেন।
সম্পাদক ও প্রকাশকঃ ডা: কামরুল ইসলাম মনা
সহ-সম্পাদকঃ ইয়াছির আরাফাত মিফতা
নির্বাহী সম্পাদকঃ মো. জাকির হোসেন মিথুন
বার্তা সম্পাদকঃ মোঃ মন্টু রহমান
Copyright © 2026 দৈনিক হালচাল নিউজ. All rights reserved.