• রবিবার, ১২ জুলাই ২০২৬, ০৯:৫১ অপরাহ্ন
শিরোনাম:
কালিয়াকৈরে অতি ভারী টানা বৃষ্টি বর্ষণে জলাবদ্ধতা সৃষ্টি,বসতবাড়ি দোকান রাস্তায় পানি বন্ধী বটিয়াঘাটায় প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা মোঃ সেলিম মিয়া’র বিরুদ্ধে ক্ষমতার অপব্যবহার করে অর্থ বাণিজ্যের অভিযোগ, তার খুঁটির জোর কোথায়? কটিয়াদীতে জলাবদ্ধতায় বিপর্যস্ত চান্দপুর হাজীবাড়ি প্রাথমিক বিদ্যালয়: ৯ বছর ধরে নেই প্রধান শিক্ষক তাহিরপুর উপজেলার চরগাঁও গ্রামে স্ত্রীকে শ্বাসরোধে হত্যার অভিযোগে স্বামী আটক, ফাঁসির দাবিতে মানববন্ধন ও বিক্ষোভ। আসন্ন কালিয়াকৈর পৌরসভা নির্বাচন: ৫ নং ওয়ার্ডে কাউন্সিলর পদে সকলের দোয়া সমর্থন প্রত্যাশী আল ইসহাক রাব্বি সীমান্তে ৫৩ বিজিবির অভিযানে বিপুল পরিমাণ ভারতীয় এস্কাফ সিরাপ জব্দ খাস কালেকশনের নামে অতিরিক্ত টাকা আদায়, ক্ষোভে ফুঁসছেন বাদাঘাটের ব্যবসায়ীরা চাঁপাইনবাবগঞ্জ সীমান্তে ৫৩ বিজিবির দুইটি অভিযানে বিপুল পরিমাণ মাদক জব্দ ​ কুষ্টিয়ার ভেড়ামারায় পরকীয়া ও পারিবারিক কলহের জেরে ব্যবসায়ীকে কুপিয়ে জখম, টাকা ছিনতাইয়ের অভিযোগ চাঁচড়ায় মামা ভাগ্নে পরিষদ নিয়ে বিপাকে মানুষ

নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে তেতুলিয়া নদী বাউফলে প্রকাশ্যে চলছে মাছ শিকার !

Muntu Rahman / ২৫১ Time View
Update : বুধবার, ১৩ মার্চ, ২০২৪

স্টাফ রিপোর্টারঃ

পটুয়াখালীর তেতুলিয়া নদীর অভয়াশ্রমে ইলিশসহ সব ধরনের মাছ ধরার উপর নিষেধাজ্ঞা জারি করেছে সরকার। গত ১মার্চ থেকে ৩০ এপ্রিল পর্যন্ত পটুয়াখালী বাউফল, দশমিনা ও গলাচিপা উপজেলার পাশ দিয়ে বয়ে যাওয়া তেতুলিয়া নদীর চর রুস্তম থেকে ভোলা জেলার ভেদুরিয়া পর্যন্ত এ নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছে।

এই নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে তেতুলিয়া নদীর বাউফল অংশে দিনের বেলায় প্রকাশ্যে মাছ শিকার করছে জেলেরা। তবে এ পর্যন্ত মাছ শিকারের অপরাধে পটুয়াখালীর ৩০ জেলেকে মৎস অধিদপ্তর কারাদণ্ড প্রদান করলেও মাছ শিকার নিয়ন্ত্রণ করা যাচ্ছে না।

বুধবার (১৩এপ্রিল) বাউফল উপজেলাধীন তেঁতুলিয়া নদীর চন্দ্রদ্বীপ, নিমদী লঞ্চঘাট, তালতলী ও ধুলিয়া অংশে ঘুরে দেখা যায় প্রায় অর্ধশত ছোট বড় নৌকায় করে নদীতে জাল ফেলে মাছ শিকার করা হচ্ছে৷ দীর্ঘ ২ ঘন্টা নদীতে গণমাধ্যম কর্মীরা অবস্থান করলেও এসময় প্রশাসনের কোনো কার্যক্রম নজরে আসেনি।

এ বিষয়ে জেলা মৎস কর্মকর্তা মো. কামরুল ইসলাম বলেন, ‘মৎস অধিদপ্তর কাজ করছে। এ পর্যন্ত ৩০ জেলেকে আইনের আওতায় আনা হয়েছে।’ নিয়ন্ত্রণ করতে না পারার কথা স্বীকার করে তিনি বলেন, নদীতো অনেক বড় এক যায়গায় আমরা অভিযান পরিচালনা করার সময় দেখা যাচ্ছে অন্যদিকে জেলেরা নদীতে নেমে যাচ্ছে। সকলের সহযোগিতা দ্রুত নদী নিয়ন্ত্রণে নেয়া হবে বলেও জানান তিনি।

উল্লেখ্য, প্রতিবছর মার্চ ও এপ্রিল দুই মাস দেশের কয়েকটি অভয়াশ্রমে ইলিশসহ সব ধরনের মাছ শিকার, পরিবহন ও আহরণ সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ থাকে। এ সময় ইলিশের অভয়াশ্রম গুলোতে ইলিশসহ সব প্রকার মাছ ধরা আইনত দণ্ডনীয় অপরাধ। আইন অম্যান্যকারী ব্যক্তিকে কমপক্ষে এক বছর থেকে সর্বোচ্চ দুই বছরের সশ্রম কারাদণ্ড বা পাঁচ হাজার টাকা পর্যন্ত জরিমানা অথবা উভয় দণ্ডে দণ্ডিত করতে পারে সংশ্লিষ্ট দপ্তর ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category

Devoloped By WOOHOSTBD