• মঙ্গলবার, ১৮ অগাস্ট ২০২৬, ১১:০২ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম:
“মুন্সীগঞ্জ ডিবি পুলিশের অভিযানে টঙ্গীবাড়ির সেরাজাবাদ থেকে ৩০০ পিস ইয়াবাসহ ২ জন গ্রেফতার” বিয়ে বাড়ির গায়ে হলুদে এলোপাতাড়ি গুলি ক্যামরাম্যানসহ গুলিবিদ্ধ – ৪ বীরগঞ্জে ৪৬৪০ পিস ট্যাপেন্টাডলসহ নারী গ্রেফতার কুমিল্লা ডিবি পুলিশের অভিযানে আন্তঃজেলা ডাকাত চক্রের ৫ সদস্য গ্রেফতার পত্নীতলা থানা পুলিশের মাদক বিরোধী অভিযানে এক নারীকে ১০ পিস ট্যাপেন্টাডল সহ আটক কুমিল্লায় ডিবি পুলিশের অভিযানে ১৫ কোটি টাকা মূল্যের তিন লাখ ইয়াবা উদ্ধার গাড়ি জব্দ গ্রেফতার ২ লতিফাবাদে ১১০৮ পরিবারে ফ্যামিলি কার্ড বিতরণ: মাসিক ২,৫০০ টাকা করে ভাতা পাবেন সুবিধাভোগীরা দৌলতপুরে অপরাধীদের আতঙ্কের নাম খসরু নোমান, বিভিন্ন অপরাধ মূলক কর্মকান্ডের লাগাম টেনে ধরার ভূমিকায় প্রশংসায় ভাসছে খসরু নোমান চট্টগ্রাম রেঞ্জ ডিআইজির গুরুত্বপূর্ণ দিক নির্দেশনা এবং জেলা পুলিশ সুপার ও অফিসার ইনচার্জদের সঙ্গে মতবিনিময় পার্বত্য চট্টগ্রামে রাঙ্গামাটি জেলা পুলিশ অভিযানে মাদক মামলার ও ওয়ারেন্ট ভুক্ত ২৬ জন আসামি গ্রেফতার

আইসি তেকালার সাথে মাদক ব্যবসায়ীদের সখ্যতার কারনে একই ক্যাম্পে দুইবার

Muntu Rahman / ৬৩১ Time View
Update : সোমবার, ৭ আগস্ট, ২০২৩

আইসি তেকালার সাথে মাদক ব্যবসায়ীদের সখ্যতার কারনে একই ক্যাম্পে দুইবার

দৌলতপুর(কুষ্টিয়া)প্রতিনিধিঃকুষ্টিয়া জেলার দৌলতপুর উপজেলা ভারতীয় সিমান্ত লাগোয়া হাওয়ায় এখানে মাদক,অস্ত্র ও চোরাকারবারি বেশি। উপজেলার তেকালা ও ধর্মদহ গ্রাম দুটি সীমান্ত ঘেঁষা হওয়ার কারনে মাদক, অস্ত্র ও চোরাকারবারিদের কাছে গুরুত্বপূর্ণ রুট। তেকালা ও ধর্মদহ এলাকাতেই উপজেলার শীর্ষ মাদক ব্যবসায়ীদের বাড়ি।

উপজেলার মাদক ও অবৈধ অস্ত্র নিয়ন্ত্রণে ও আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি সাভাবিক রাখতে সরকার তেকালাতে একটি পুলিশ ক্যাম্প স্থাপন করে। এই ক্যাম্পের বর্তমান ইনচার্জ উপ-পরিদর্শক আব্দুর রহমান যোগদানের পর থেকে মাদক উদ্ধার শূন্যতে নেমে এসেছে। অথচ একই রুটে বিভিন্ন সময় মাদ, অস্ত্র, স্বর্ণ দৌলতপুর থানা পুলিশ, র‌্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন ও বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ ও জেলা গোয়েন্দা শাখা । ২০১৬ সালের একটি ঘটনায় এই ক্যাম্প থেকে ক্লোজ হয়েছিলেন উপ-পরিদর্শক আব্দুর রহমান।

এলাকাবাসীর অভিযোগ পূর্বে এই ক্যাম্পে থাকার সময় অকাম করে ক্লোজ হয়েছিলেন, আবারও একই ক্যাম্পে তাকে কোন যুক্তিতে পোস্টিং দিয়েছে! আইসির সাথে মাদক ও চোরাকারবারিদের সখ্যতার নেপথ্যে আছে তথাকথিত এক সাংবাদিক। মাদক ব্যবসায়ীদের সাথে সখ্যতার কারনে যোগদানের দুই মাসে মাদকের মামলা দিয়েছে মাত্র দুইটা । এই সিমান্ত এলাকায় ক্যাম্প পুলিশের কোন অভিযান নেই।

মাদক ব্যবসায়ীদের লেবারের দেওয়া তথ্যমতে, এই সিমান্ত দিয়ে প্রতি মাসে বাংলাদেশে প্রবেশ করে কয়েক কোটি টাকার মাদক। পরে নানা কৌশলে দেশের বিভিন্ন প্রান্তে পৌঁছে যায় এই মাদক।

তেকালা পুলিশ ক্যাম্পের আওতায় শীর্ষ মাদক ব্যবসায়ীর তালিকায় রয়েছে, বকুল, লালন, লালু, আলতাব, লিটন, ফারুক, রাজু, মন্টু, তালেব, ছোট বাবু, রবিউল, ইমন, দাদুল সহ আরো অনেকে।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একাধিক ব্যক্তি বলেন, ক্যাম্প ইনচার্জ আব্দুর রহমান তেকালা পুলিশ ক্যাম্পে যোগদানের পর থেকে তার নিয়ন্ত্রণে চলছে মাদক ব্যবসা। প্রতিদিন সন্ধ্যা নামলে আব্দুর রহমান স্থানীয় এক কথিত সাংবাদিককে সাথে নিয়ে মাদকের টাকা তোলায় ব্যস্ত হয়ে পড়েন। যে ভাবে মাদক ব্যবসা হচ্ছে তা দেখে আমরা আতঙ্কিত, কখন না জানি আমার সন্তানটা মাদক ব্যবসায় বা মাদক সেবনে জড়িয়ে পড়ে। তাই এখানে মাদক নিয়ন্ত্রণের জন্য ভালো একজন পুলিশ অফিসার প্রয়োজন।

এ বিষয়ে আদাবাড়ীয়া ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের সভাপতি সাবেক চেয়ারম্যান মকবুল হোসেন বলেন, এসআই আব্দুর রহমান যোগদানের পরে সাধারণ সেবা প্রার্থীর ভোগান্তির শিকার হচ্ছে। মাদক ব্যবসায়ীদের সাথে সখ্যতা গড়ে তোলার কারনে মাদক তেমন উদ্ধার নাই। উপজেলার ধর্মদহ সীমান্ত ছাড়া বর্তমানে অন্য কোন সিমান্ত দিয়ে মাদক বাংলাদেশ আসেনা বললেই চলে। তাই মানুষ ও দেশ বাঁচাতে এখনি ব্যবস্থা গ্রহণ করা প্রয়োজন।

অভিযুক্ত উপ-পরিদর্শক আব্দুর রহমান মাদক ব্যবসায়ীদের সাথে সখ্যতার অভিযোগ অস্বীকার করে তিনি বলেন, আমি মাদক উদ্ধারের বিষয়ে প্রচুর কাজ করছি কিন্তু কেন জানিনা আমার সফলতা আসছে না। তবে আমার কোন অবহেলা নাই কাজে। আমি সকলের সহযোগিতা চাই।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category

Devoloped By WOOHOSTBD